পোস্টগুলি

সামাজিক লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আভি আভি, হুয়া ইয়াকিন

ছবি
"আভি আভি, হুয়া ইয়াকিন কি আগ হ্যায় মুঝমে কহি" একটা মেডেল পেয়েছি গতকাল অফিস থেকে, তবে এটা আসল আনন্দ প্রকাশ কারণ না। আনন্দ কারণ অন্য, অনন্য! হ্যা মেডেলটি অবশ্যই একটা সম্মান, এবং ভালো লেগেছে মেডেল পেয়ে। তবে আসল মন ভরানো খবর টা অন্য! এই মেডেল প্রাপ্তির সাথেই যখন শুনলাম এই আমার মতো, "দশ হাজার" এলটিআইমাইন্ডট্রির সহকর্মী রা যে যেরকম পেরেছে দুমাস ধরে নিয়মিত হেঁটেছে এবং হেঁটে এক বিলিয়ন স্টেপ কমপ্লিট করে দেশের ৪ লক্ষ মানুষের সামনে কিছু সময়ের জন্য পেট ভরে এক বারের এক বেলার জন্য হলেও খাবারের বন্দোবস্ত করেছে!! জাস্ট একটা অনন্য সুখ অনুভূতিতে মন টা ভরে গেলো!! ব্যাপারটা হোলো প্রথমের দিকে নাম ই রেজিস্টার করিনি এই হাঁটাচলায়। একের পর এক ইমেল আসছিল আর ইগনোর করছিলাম। তারপর দেখি আমাদের ডেটা প্র্যাক্টিস এর দাদা ইমেল করে ভদ্র ভাবে বলে দিলো নাম টা দিতে। কিছু মানষ এর থেকে ইমেল বা বার্তা এলে সেটা মন থেকেই করতে ইচ্ছে হয়। যাই হোক, নাম টা তো দিলাম! নাম রেজিস্ট্রশন এর পরে অফিসে আয়োজিত এই দুই মাস ব্যাপী প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটার প্রকৃত উদ্দেশ্য টা জানতে পারলাম তারপরে। প্রতি পদক্ষেপ এর কাউন্ট ছোট্ট ...

দণ্ডিতের সাথে দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে, সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার- তখনই হবে। মন, বড়ো অবুঝ এই মন কিছুতে ভাবেনা হায়!

ছবি
শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। কোর্টের এক স্পর্শে ২৫০০০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মী র জীবন হঠাৎ এক অন্ধকার টানেলে প্রবেশ করেছে। সেই নিকষ কালো টানেল এর শেষে আদৌ আলো আছে কি নেই সেটাই চতুর্দিকে আলোচ্য। ভেসে উঠছে অনেক গুলো ভাবনা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি-আমি আমরা সমাজ কি চাইছি- কি ভাবছি?  সবাই কি দুষ্ট এর দমন শিষ্ট এর পালন চাইছি একযোগে? কিছু মতবিরোধ মতপার্থক্য কি দেখা যাচ্ছে? আসলে, আমাদের মধ্যেই কিন্তু কোর্টের বিচারের উপর ভিত্তি করে সমাজিক বিচারে শ্রেনীবিভাগ প্রত্যক্ষ হচ্ছে। সেটাই ফুটে বেরচ্ছে বিতর্কে আলোচনায়; চায়ের দোকানে-অফিস আড্ডায়- বাজারের পথে অথবা সমাজমাধ্যমে ফেসবুক-হোয়াটসএপ-টুইটারে। একটা মানসিক- মানবিক সূক্ষ শ্রেনীবিন্যাস এর চরিত্রও প্রকট হচ্ছে ধীরে ধীরে। কিভাবে?   সবাই শিক্ষক দের নিয়েই বলছে। আমরা না হয় শিক্ষক দের নিয়ে যারা এতো ভাবছে, আলাপ-আলোচনা করছে সেই মানুষ গুলো - অর্থাৎ আমাদের নিজদের নিয়েই একটু ভেবে দেখি, আজ। চলুন তাহলে নিজেদেরকে নিজেরাই দেখি - দেখবেন নাকি নিজদের সমাজের ভিন্ন চরিত্র গুলোকে?   - ঐ তো, ঐ যে দেখতে পাচ্ছেন; প্রথমেই রয়েছেন একদল মানুষ। এ...

হুইসেল বাজাও হান্স-আরুণি!

গতকাল টিভিতে হঠাৎ একটা মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর পেলাম। একটি শিশু ,তার বিদ্যালয়ের সামনে বেপরোয়া লরির গতিতে অকালে চলেগেল। শিশু হারানো মায়ের ক্রন্দনে যে কোনো মানুষের বক্ষ বিদীর্ণ - অসহনীয়! মনটা সারাদিন ভারাক্রান্ত হয়েছিল!এরপরেই বিভিন্ন মাধ্যমে শুরু হোলো আলোচনা: কেন হোলো? কি গাফিলতি-কার গাফিলতি? - অনেক বিশ্লেষণ অনেক যুক্তি-প্রতিযুক্তি শেষে দেখা গেলো ঐ বিদ্যালয়ের ব্যস্ত সড়কের সামনে স্কুলটাইমে কোনো ট্রাফিক নিয়ামক ছিলেননা, যার ফলেই হয়ত এই নির্মম নিয়তি। ব্যস, এর পরেই প্রশাসন অতিসত্ত্বর-মহাতৎপর। একএক করে পদক্ষেপ নিতে শুরু করল- আজ সেখানে ট্রাফিক এসে গেলো। প্রশাসনের তরফ থেকে লরির চলাচলেও দেখলাম একটি নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাপারটাই দাড়াল আগে কিছু ঘটুক, না মানে ঘটনা না;  - মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটুক! তারপর না হয় একটা প্রতিক্রিয়া ছিটকে বের হবে - তড়িঘড়ি নির্দেশিকা তৈরী হবে। এখন একটা ছোট্ট প্রশ্ন সামনে এসে উঁকিঝুঁকি দিল  - এই যে বাচ্চা টি চিরতরে চলে গেল এটা যে কোনো ব্যক্তিবিশেষ যেকোনো বাড়ির ক্ষেত্রেই হতে পারত; কাল হয়েছে, কালের ঘরে ঘড়ি! পরশুও তো হতে পারত, - হয়নি , -কাল না হয়ে আজও হতে প...

তুমি অর্জুন, তুমি অর্জুন ।মণিপুরের দ্যূতসভায় তুমি নিশ্চুপ নিদারূণ।।

হিংস্র চিত্রক ব্যাঘ্র এর ন্যায়  চিৎকার করে উঠল চিত্রাঙ্গদা: অসহ্য, অকথ্য এ কি বীভৎসতা মাঝে রয়েছে সন্তানকূল। আজ আমি আর নিশ্চুপ নিশ্চল হয়ে বসে থাকতে পারছিনা। আমি এই মুহূর্তে ধরা ধামে মণিপুরে ফিরে যাচ্ছি পার্থ। তুমি দেখেছ, আমার মায়েরা- মেয়েরা কি নির্মমভাবে নির্যাতিত হয়েছে। আমি আজ আবার যুদ্ধে নামব সেই হিংসার বিরুদ্ধে , স্বর্গের আনাচে কানাচে সেই রণহুঙ্কার প্রতিধ্বনিত হোলো। চিত্রাঙ্গদার রণহুঙ্কার শুনে অর্জুন বিচলিত কণ্ঠে বলে উঠল: "আহা, প্রিয়ে এত উত্তেজিত হোচ্ছ কেন? আমরা কি এখন হুটহাট ফিরে যাব বললেই  ফিরে যেতে পারি নাকি মর্ত্যলোকে?" চিত্রাঙ্গদা বিস্ময়ে বলল:" কি বলছ তুমি, আমি যাবনা? আমার মনের মণিকোঠায় যে স্থান স্বপ্নে শয়নে বিদ্যমান সেই মণিপুর আজকে পুড়ছে! কি দরকার আমার এই স্বর্গের যেখানে জন্মভূমি আজ ধ্বংসের দোরগোড়ায় দাড়িয়ে আছে, ভাই ভাই কে মারছে,  বোনের সম্ভ্রম ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে! আমি যেতে পারব না! না পার্থ, আমি যাবই যা কিছু হোক যেতে আমাকে হবেই।" অর্জুন চিত্রাঙ্গদার জেদ দেখে একটু ভেবে  উত্তর দিল: "শোনো, এখন মর্ত্যলোকে অন্যরকম ব্যাপার। গণতন্ত্র নামক এক ব্যবস্থার মাধ্যমে দ...

"নাহি ক্ষয়, নাহি শেষ"

"কিরে সকাল সকাল খবরের কাগজে মুখ বুজে কি এত মুখস্থ করছিস ছোটন? দূর থেকে আসতে আসতে দেখছি নিমগ্ন চিত্তে কাগজের মধ্যে ঢুকে গেছিস তুই। কি ব্যাপার" বলেই ছোটন এর পাশে বেঞ্চের উপর ধপাস করে বসে পড়ল পাপাই। বসেই এক হাঁক পাড়লো "হরি দা একটা চা দাওতো জলদি জলদি "। ছোটন এবার খবরের কাগজটা ভাঁজ করে চিন্তিত  ভাবে বলল : কি আর বলব! আজ কাগজের প্রথম পাতা জুড়ে শুধু বিষাদময় মৃত্যুর হাহাকার। একদিকে প্রাকৃতিক তাণ্ডবে মেঘভাঙ্গা বৃষ্টিতে অনেক মানুষ হারিয়ে গেছেন চিরতরে আবার আরেকদিকে দেখ এক প্রাক্তন দেশপ্রধান আততায়ীর গুলিতে নিহত! কি ভয়ানক অব্স্থা ভাবতে পারছিস? এই গুলো পড়েই মেজাজটা গেল  কেমন দুমড়ে মুচড়ে। " পাপাই ছোটন এর মুখপানে চেয়ে বলল আচ্ছা এই ব্যাপার, "বাবুর আজ মানুষের মৃত্যু দেখে মন কেঁদে উঠছে"। ছোটন উত্তর দেয় : ঠিক কান্না না রে, বিচলিত বলতে পারিস! এই ভাবে এঁনারা মারা গেলেন। একদল ছিল পুণ্যার্থী আরেক জন ছিলেন সদ্য প্রাক্তন দেশপ্রধান অমিত ক্ষমতার শীর্ষে,কিন্তু কেউ আঁচও পেলেন না আগের মুহূর্ত অব্ধি যে সামনের পলকে এই বিশ্বচরাচর থেকে যাবে কিন্তু এঁরা আর থাকবেন না! কি বিস্ময়কর এক উপসংহ...

"পাচ্ছে হাসি হাসছি তাই । নিজের বেলা কোনো দোষ নাই ।।"

কি অনাসৃষ্টি বলুন দেখি , ভাবলেই কেশ দণ্ডায়মান। তুই ছুড়ি একটা ইংরাজি বলতে পারিস না, আবার ধর্মঘট করছিস। তোর মা ক্ষেপে গিয়ে বলছে মেয়ে ইংরাজি তে বার্তা পাঠায় সে তো পাশ করবেই। আরে দূর দূর তোরা কি বুঝলি কেন তোরা ফেল করেছিস? ঐ যে বিজ্ঞ বিচিত্র সর্ব ব্যাপী জ্ঞানী কাকু কে দেখছিস; তোর "আমরেলা" র ব্যপারে বিশেষ জ্ঞান প্রদর্শন করছে মাথা দুলিয়ে ঘাড় নাড়িয়ে।  সে কিন্তু মোবাইল ব্যবহার করেও তোকে বার্তা পাঠায় সুন্দর ইংরেজি তে। ইংরেজি টা শেখ রে মেয়ে , চল তোকে একটু শেখানোর প্রচেষ্টা করি। জলদি পড় কাকু কি বার্তা দিয়েছে। ছোট বেলায় আমরা জোরে জোরে পড়তাম। তুই জোরেই পড় । দেখি চেষ্টা করে; পড়তে পারিস কিনা  ইংরাজি। "amo bala achi . Tui ki krchs? English jans  na, laja hche tder pajamma dake"  :: আমো বাল আ আছি, তুই কি ক্রছস। ইংলিশ জান্স না, ল্যজা হ্ছে টিদের পাজামা ডাকে" কি ! কি পড়ছিস ? তুই কি বাংলাও পড়তে পারছিস না: ছি: ।  কাকু কিন্ত ১০ বছরে মোবাইল থেকে বাংলা লিখতে শিখে গেছে, ইংরেজি হরফে লেখে বাংলা । সেটাও বুঝঝিস না ছি:। আহা ব্যাপার টা বোঝ, কাকু কে তো আর কোনো পরীক্ষা দিতে হবে না তাই তো ক...

১২ ই জুন : অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি!

না না জন্মের থেকে আমি বিক্ষুব্ধ স্বদেশভূমি সেভাবে দেখিনি, কিন্তু গ্লানির্ভবতি ভারত এর রূপ দেখেছি। কি ভাবছেন নিশ্চয়ই নেহেরু-নেতাজী , দেশ ভাগ, বিভিন্ন সময়ের কিম্ভূত রাজনীতি, বেকারত্ব, আর্থিক প্রতারণা এই গুলোই গ্লানির বিষয় হিসেবে পুনরায় বকবক করে যাব। না, আমি ঠিক এই গুলো নিয়ে বিশেষ বলব না আজকে। অন্য আরেকটা বিষয় নিয়ে একটু বলি? যদি অভয় দেন বলেই ফেলি। সোমবার উফফ দিনটা কেন আসে? আরামের ঘুম টা ভেঙ্গে প্রথম এই কথা টাই মাথায় এল সমীরের। সমীর একটি বহুজাতিক সংস্থায় কাজ করে । এখনই শুরু হবে পাইপাই করে টানা দৌড় আর চলবে সেই শুক্রবার রাত অব্ধি। যাই হোক সকালের কাজকর্ম সেরে একটু লাফালাফি করে কফি নিয়ে খবরের কাগজের পাতায় চোখ বোলাতে না বোলাতেই  হঠাৎ কলিং বেল বেজে উঠল টিং টং । রিমা ; সমীরের স্ত্রী বলল : মনে হয় কাজের দিদি এল, একটু দরজাটা খুলে দাওতো।  আমি সব্জি কাটছি আর মা রান্না বসিয়েছে। অগত্যা বেজার মুখে পেপার তুলে রেখে সিঁড়ি দিয়ে নেমে সমীর উন্মুক্ত দ্বার নীতি নিল। দিদি হাসিহাসি মুখে ঢুকল। সাথে লাল টুকটুকে ফ্রক পরা একটা পুচকে মেয়ে এসেছে । সমীর জিজ্ঞেস করল : দিদি ও কে? তোমার মেয়ে নাকি? দিদি হেসে বলল ...

"তথ্যপ্রযুক্তি আর বিয়ের সম্বন্ধ"

এ আবার কি বিষয়!!! কোথায় এক গোমড়া মুখো গুরুগম্ভীর প্রযুক্তির আলোচনা আর কোথায় এক আনন্দ উৎসব,দুটি মন দুটি প্রাণের মিলন , দুই পরিবার এর "হাম সাথ সাথ হ্যয়" এর সূচনা। এই দুটো কি কখনো এক আসনে বসতে পারে নাকি! অসম্ভব ব্যাপার তো এটা। কিন্তু একটু তলিয়ে দেখলে দেখবেন তথ্যপ্রযুক্তি ও বিয়ের সাদৃশ্য সত্যিই অপূর্ব। কিন্তু কি ভাবে? না না, আলোচনা একদমই গুরুগম্ভীর ভাবে এগোবে না। এই বিবরণ হবে মাধ্যমিকে কূনোব্যাঙ এর পৌষ্টিক তন্ত্রের একটি সচিত্র বিবরণ এর ন্যায় স্বচ্ছ।  আচ্ছা বিয়ের জন্য প্রথমেই কি করতে হয় বলুন তো? পূর্বরাগ থাকলে প্রণয় নিবেদন আর তা না হলে পাত্রপাত্রীর সন্ধান। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রেও একদম এক ব্যাপার। তথ্যপ্রযুক্তি তে প্রধান বিষয় হল প্রজেক্ট এবং এই প্রজেক্ট কে ঘরে নিয়ে আসা হয় নববধূর মতন, পর্যায় গুলো একটু উন্মোচন করলেই সম্পূর্ণ বুঝে যাবেন। শুধু এক্ষেত্রে পাত্র ছাদনা তলাতেই প্রথম নববধু কে দেখে, অনেকটা ১৮০০ শতকের বঙ্গ সমাজের মতন:  বাবার পছন্দ করা পাত্রী কে বিবাহ বাসরে দর্শন। প্রথমেই ক্লায়েন্ট বিবাহযোগ্যার গুরুজনদের মতন  বিজ্ঞপন দিয়ে একটি চিঠি পাঠায় যে একটি সুলক্ষণা তনয়া স্বরূপ সম্ভাব...

"আগামীকাল ৫ জুন কি করব ? ভাবছি"

আরে হ্যা, এ বছর তো জামাই সেজে ষষ্ঠী পালন করবই, শেষ দুই বছর মিস করেছি।। কিন্তু যে থাপ্পড় যে শিক্ষা টা এই দিন বাজারের এক দোকানি ভাই এর থেকে পেয়েছিলাম সেটা কি করে ভুলব? ভুলব না কোনো দিনই। কি হয়েছিল? বছর পাঁচেক আগে রাতে অফিস থেকে ফিরছি। অফিস ফেরত পথে আমার একটা অত্ভুৎ শখ বিরাটি বাজার ঘুরে ঘুরে টুক টুক করে কলা টা মুলো টা কেনা। কিনি কম , কিম্তু সব দোকান ভর্তি সাজানো আনাজ, মাছ, ফল এই গুলো দেখতে বেশ ভালো লাগে। আর কতো দোকানি দাদা, মাসি,কাকু, বৌদি , ভাই, বোন, দাদু : আরো  কত রকমের যে ডাক সম্পর্ক তৈরী হয়ে যায়। তাদের কারোর বাড়ি ফুলিয়া তো কারোর বাড়ি হাসনাবাদ আবার কেউ কেউ স্থানীয়। তো এদের খবরাখবর, কি ভাবে আসে যায় এই গুলো নিয়েও মাঝে মধ্যে গল্প হয় , এক সুন্দর মানসিক আদান প্রদান ।  যাই হোক, সেদিন একএক করে দোকান ঘুরছি,কথাও হচ্ছে ফল সব্জি কেনা কাটিও চলছে । আমার হাতে এক এক করে ব্যাগ জমা হচ্ছে। নিজেকে মধ্যম পাণ্ডব বা হাল্ক এর মতন মনে হচ্ছে, দুই হাতে গোটা ৬ প্লাস্টিক এর ব্যাগ।  যদিও এই ব্যাগ দেওয়া নিয়ে কয়েকদিন আগেই পৌরসভা নির্দেশিকা জারি করেছে : পাতলা প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার করা চলবে না। কে পাত্...

"ছোড় আয়ে হাম ...পেয়ার কে ওয় পল "

প্রচন্ড গরম লাগছে । দর দর করে ঘামছে। জল খাচ্ছে । প্রচন্ড অসুবিধা  হচ্ছে, খুব কষ্ট হচ্ছে বোঝা যাচ্ছে। তবুও জীবনের গান গেয়ে চলেছেন ।  কিন্তু মানুষ গুলো সরল না!!!!! পাস পেয়েছি যে। কেন ছাড়ব । ৩০০০ জনের যায়গায় ৫০০০ জন ঢুকব। অক্সিজেন এর দায় আমাদের নাকি। গরম এর দায়  আমাদের নাকি, এক বার ঢুকেছি যখন পুরো দেখব।  কি দেখবি? কি দেখলি । এক অঙ্কুশ হীন মত্ত করী র মতন দাড়িয়ে দেখলি সেই প্রাচীন সত্য টা :  "যোগ্যতম জিতবে" । কিন্তু যে মানুষ টা তোদের এই লড়াইয়ে ই ছিল না,  যে মানুষ টার সব থেকে বেশী অক্সিজেন দরকার ছিল তার জন্য রাখলি না ছিটে ফোটাও?    যে লোকটা কালকে সর্ব সমক্ষে বলেছে এ কে?সেই লোক টা সারাজীবন যেমন গরল দহনে জ্বলবে তার থেকেও বেশী জ্বলবে আমাদের  মতন পাস ভোগী মন গুলো!!!  আমরা ফ্রিএর পাস পেলে এমন ভাবে হামলে পড়ি বনের হিংস্র পশু ও এই ভাবে জীবন ধারণের জন্য  লড়তে লজ্জা পায়। একবার ও ভেবে দেখিনা স্থান কাল পাত্র মিলছে কিনা!!!! এই মেলা আদতে সম্ভব কিনা। আমাদের শেলফি, স্ট্যাটাস আপডেট, আমার আনন্দ অন্য কার কি অসুবিধা হল কিনা তাতে বয়েই গেল ,আমি তো জিতে গেলাম। আ...

"মাধব, গোপাল এর পরীক্ষা : মাসির শিক্ষা"।।

এক কালে  দেখেছিলাম স্কুল এর পরীক্ষা তে এক শ্রেণীর  বিশেষ স্যর রা কিছু ছাত্র কে নম্বর দেওয়া তো দূর, সুযোগ পেলেই নম্বর কাটত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ই দেখা যেত এই ছাত্র রা তার কাছে পড়ত না। তবে সেই বিশেষ শ্রেণীর স্যর হয়ত সব স্কুল এই ছিল, কিন্তু সংখ্যা য় নগণ্য।  তো যেই ছাত্র ছাত্রী র নম্বর টা কাটলেন তাদের মধ্যে এক দল শ্রেনী কক্ষে রোল নম্বর এর সংগ্রাম এ যোগ্যতম এর উদবর্তন বিবর্তন এর মধ্যমে সেই স্যর এর স্পেশাল ক্লাসে এসে অস্তিত্বের সংকট থেকে মুক্তি পেত।  তাদের অভিভাবক রাও পুলকিত, উদ্ভাসিত ।। পরীক্ষার আগে স্যর যা বলবেন স্যর যা দেবেন সুশীল বালক বালিকা সেই প্রসাদ এই খুশী, অভিভাবক রা রেজাল্টে অভিভূত।। আরেক দল  পুরো চ্যালেঞ্জ নিবি না "বউ এর ভাই" টাইপ। তাদের কথাই ছিল  আপনি মারবেন স্কুলের পরীক্ষা তে ।  আপনার অহংকারের  লাশ ফেলব বোর্ড এক্সামে।। এবং অধিকাংশ তাই হত। সেই স্যর এর বিশেষ ক্লাস না করা অজ্ঞ ছেলে মেয়ে টিই হয়ত হোত   ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ার, সাহিত্যিক ঐতিহাসিক বা বিজ্ঞানী বা কিছুই নয় ।। কিন্তু পুর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে অজনার সাথে লড়াই এর জন্য প্রস্তুত থাকত। প...