পোস্টগুলি

পরিবেশ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এসো হে ঋতু এসো রচনা। অনেক পুণ্যে এই ফল ছিলো পাওনা।।

ছবি
এসো হে ঋতু এসো রচনা। অনেক পুণ্যে এই ফল ছিলো পাওনা।। ঐ রচনা আর ঋতুর কথা বলছিলাম। এইটি হোলো অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি বিষয়। আহা না, ধোয়ার আড়ালে অদ্ভুৎ অট্টহাস্যর এক নম্বর দিদি- অভিনেত্রী দের কথা না। এটা হোলো প্রকৃতি পর্যায়ে।এইতো বুঝে গেছেন নিশ্চয়ই। ঠিক ধরেছেন-  এটা হোলো বার্ষিক বা ষান্মাসিক পরীক্ষায় পর্যায় ক্রমে আসা কমন রচনা-  "তোমার প্রিয় ঋতু"। এই গরম তাপপ্রবাহে হঠাৎ মনে পড়ল এই বিষয়টা।মনে পড়ছে?  ভূমিকাতে সেই গ্রীষ্মকাল থেকে শুরু করে টুক টুক করে বর্ষা,শরত, হেমন্ত শীত ও বসন্ত হয়ে আমরা ছয় ঋতু কে খাতার পাতায় তুলে ধরতাম। তারপর টুক করে কর্ড লাইন ধরে  প্রিয় ঋতুর নাম টা উল্লেখ করতাম আমরা সবাই। হঠাৎ মনে পড়ল একবার আমি এই কমন রচনায় একটা আনকমন কাজ করে এসেছিলাম। সেদিন সবাই যেখানে শরত - বসন্ত এর মধ্যে বাইনরি তে পছন্দ করেছে, কয়েক জন শীত নিয়েও লিখেছে- আমি ভাবলাম একটা ব্যতিক্রমী কিছু লিখি। বর্ষা কালে যেহেতু বিকেলে খেলা যেত না তাই তখন বর্ষা কাল কে দুই চক্ষে দেখতে পারতাম না। অতএব থোড়া সা হাটকে কিছু লিখতে গিয়ে খাতায় লিপিবদ্ধ করলাম- গ্রীষ্মকাল প্রিয় ঋতু। এতো বছর পরে ঋতুর দল চেঞ্জ করে ভ...

"বর্ষা দাড়াল দমদমে"

ভ্যাপসা গরম পড়েছে । প্রত্যেক টা লোক চাতক এর মতন বসে আছে কবে বর্ষা আসবে, আর ভাসবে? মনের মধ্যে গব্বর সম চেচিয়ে বলছে "কব হ্যায় বরিষ"।সত্যি তো কবে এই বঙ্গভুমে বৃষ্টি প্রবেশ করবে?  বর্ষা র আগমন নিয়ে বিখ্যাত কবি ব্যক্তিত্ব রা কত কিই না বলে গেছেন, করে গেছেন । কেউ লিখেছেন "আষাঢ়স্য প্রথমদিবসে মেঘমাশ্লিষ্টসানুং" তো কেউ বলেছেন "গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা" , কেউ  আবার মেঘ মন্দ্র স্বরে গেয়েছেন  "আষাঢ়, কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া। মাঠের শেষে শ্যামল বেশে ক্ষণেক দাঁড়া ॥" , আরেকজন তো সিনেমাতে দেখিয়েই দিলেন বর্ষার প্রবেশ : গ্রামের পথের ধারে পুকুর পাড়ে ইন্দ্রলুপ্ত চকচকে টাকে টপ টপ করে বর্ষার প্রথম জল পড়ল,  বাংলার পাতাও নড়ল। একটু পরে মা দুর্গা নবকুমারীর সাজে ভিজে উঠল । যাই হোক আমি হলাম অতি সাধারণ ডেলি প্যাসেঞ্জার। তাই আমার কাছে বর্ষা আসে বনগা শাখার রেলগাড়ির মতন ভঙ্গিমায়।। কিভাবে ? বলছি শুনুন::  প্রথম ঘোষণা :  দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু আরব ও বঙ্গোপসাগর এর উপর দিয়ে শীঘ্রই বইতে চলেছে। জন সাধারণ কে জানান হচ্ছে এই বার মেঘদূত কালিদাস এর ফুলপঞ্জিকা না মেনে ৭-১০ দিন আগেই ঢুকে গেছে ।  ...

"আগামীকাল ৫ জুন কি করব ? ভাবছি"

আরে হ্যা, এ বছর তো জামাই সেজে ষষ্ঠী পালন করবই, শেষ দুই বছর মিস করেছি।। কিন্তু যে থাপ্পড় যে শিক্ষা টা এই দিন বাজারের এক দোকানি ভাই এর থেকে পেয়েছিলাম সেটা কি করে ভুলব? ভুলব না কোনো দিনই। কি হয়েছিল? বছর পাঁচেক আগে রাতে অফিস থেকে ফিরছি। অফিস ফেরত পথে আমার একটা অত্ভুৎ শখ বিরাটি বাজার ঘুরে ঘুরে টুক টুক করে কলা টা মুলো টা কেনা। কিনি কম , কিম্তু সব দোকান ভর্তি সাজানো আনাজ, মাছ, ফল এই গুলো দেখতে বেশ ভালো লাগে। আর কতো দোকানি দাদা, মাসি,কাকু, বৌদি , ভাই, বোন, দাদু : আরো  কত রকমের যে ডাক সম্পর্ক তৈরী হয়ে যায়। তাদের কারোর বাড়ি ফুলিয়া তো কারোর বাড়ি হাসনাবাদ আবার কেউ কেউ স্থানীয়। তো এদের খবরাখবর, কি ভাবে আসে যায় এই গুলো নিয়েও মাঝে মধ্যে গল্প হয় , এক সুন্দর মানসিক আদান প্রদান ।  যাই হোক, সেদিন একএক করে দোকান ঘুরছি,কথাও হচ্ছে ফল সব্জি কেনা কাটিও চলছে । আমার হাতে এক এক করে ব্যাগ জমা হচ্ছে। নিজেকে মধ্যম পাণ্ডব বা হাল্ক এর মতন মনে হচ্ছে, দুই হাতে গোটা ৬ প্লাস্টিক এর ব্যাগ।  যদিও এই ব্যাগ দেওয়া নিয়ে কয়েকদিন আগেই পৌরসভা নির্দেশিকা জারি করেছে : পাতলা প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার করা চলবে না। কে পাত্...