পোস্টগুলি

ব্যক্তিত্ব লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

"🇮🇳দেশের খেয়া তরী তোমাকে বইতে পারে না" :

ছবি
সানুকি মারু জাহাজ এর দৃশ্যপট থেকে ধীরে ধীরে খিদিরপুর ডক দিগন্তে মিশে গেল। জাহাজের এখন  কোনো পিছুটান নেই সদ্য ছেড়ে আসা বন্দর এর প্রতি, কিন্তু দায়িত্ব কর্তব্য আছে গন্তব্য ও আছে, আর আছে ছেড়ে আসা বন্দর এর স্মৃতি, প্রতিজ্ঞা  । বছর ২৯ এর এক মানুষ নির্লিপ্তভাবে দেখে নিল চার দিকের অতল জলসম্ভার । রবি ঠাকুর এর আত্মীয় হয়ে জাহাজে সফর করছে ,একটু তো কাব্য গদ্য সাহিত্য  মনে আসবেই  পি .এন. ঠাকুর এর!!! ওহ এই টা তো জাহাজের জন্য ধার করা নাম! হ্যা এতদিন দেশে অন্য সাহিত্য চর্চা ই করেছেন তিনি। উচ্চশিক্ষিত হয়ে ব্রিটিশ এর চাকরী নিয়ে ভারত থেকে ব্রিটিশ কেই ভাঙার গদ্য রচনা করলেন নিভৃতে। ১৯১২ সালে ব্রিটিশ ভারতের প্রধান বড়লাট হার্ডিঞ্জ কে হাতির পিঠে সর্বসমক্ষে রাজপথে বোম মেরে জখম করার নিখুত পরিকল্পনা সফল হল। চার দিকে খোজ খোজ কে আছে এর পিছনে। তিনি কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে পরের দিন ব্রিটিশ এর কাজে গেলেন। এমন কি নিজের গুপ্ত পরিকল্পনা র সাফল্য আস্বাদন করে প্রকাশ্যে হার্ডিঞ্জ এর উপর  হামলার বিরোধিতা করলেন!!!!   তিনি এটা মাথায় গেথে নিয়েছিলেন লোহা লোহা কে কাটে। প্রবল শক্তিধর ব্র...

২৫০ বছর আগে কি হয়েছিল?

২৫০ বছর আগে।   কি হয়েছিল ? বিশেষ কিছু না !!! ফিনিক্স পাখির মতন মায়ের চিতার ছাই গায়ে মেখে নব জাগরণে জাগ্রত হয়েছিল এক জাতি,  আজকের দিন থেকে। একটা মার্বেল সিরিজ শুরু হয়েছিল ।।   না মানে এর আগে 3000 বছর ধরে বাঙালী র পরিচয় পৌরাণিক অঙ্গ পাড় বঙ্গ , গঙ্গডিহি,  শশাঙ্ক , পাল,সেন, চর্যাপদ থেকে হোসেন শাহ চৈতন্য হয়ে পলাশী র প্রান্তর। ভারত ভূমি জানত: গঙ্গাশেষে এক জাতি আছে ,মাঝে মাঝে জ্বলে ওঠে হ্যলির ধূমকেতু সম কিন্তু সূর্য হতে পারে না ।।  হঠাৎ সেই জাতির থেকে একটা লোক মাথা তুলে দাড়াল ।  যে চিতায় ভারত ভূমির মান শত সহস্র বছর ধরে পুড়েছে সেই চিতার আগুন এ জেগে উঠল এক তীব্র আক্রোশ "নিজের মা, বোন, স্ত্রী, কন্যার  জাত কে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারিস , এত বড়  আস্পর্ধা এবার সব বন্ধ!!!"  সমাজ নড়ে উঠল: এ যে সীতা মায়ের নিজের বেছে নেওয়া পথ। এ অনর্থ মানা যাবে না,  শাস্ত্র তো রসাতলে যাবে।  জহর সতী কি সব পুণ্যের রীতি!!! এসব নাকি বন্ধ করতে হবে!  লোক টা অগাধ পড়াশুনা করে ,  শাস্ত্র ধর্ম ঘেঁটে প্রমাণ করল সে ই ঠিক। এই গর্হিত সতীদাহ শাস্ত্র মতে অনৈতিক। মা এর জাত ...

☁️🕊🐘☸ বুদ্ধ☸পূর্ণিমা 🌚আর🥣 সির্নি🥛।।

দিদার 👵হাতের👌 মিষ্টি সির্নি র মাধ্যমে🙏🏼 বুদ্ধ দেব 🙏🏼এর প্রবেশ আমার জীবনে।  ঐ  সময় ক্লাস ওয়ান🧒 এ কে বুদ্ধ দেব এর থেকেও বেশী লোভ থাকত সামনের পুজোর থালায়🥣 মিষ্টি, সন্দেশ আর সির্নি র দিকে। তো প্রসাদ খেতে খেতে জিগ্গেস করলাম কে 🤔এই ঠাকুর? দিদা বলল "এই ঠাকুর মন ❤কে 🕊শান্ত করে , এই ঠাকুর বলে গেছে মারপিট 💪❌না করতে সবাই কে ❤ভালোবসতে❤। " তখন সবে সবে প্রসেঞ্জিৎ📽🥰 এর ঢিশুম 🤛🤜ঢিশুম দেখেছি সিনেমা তে , তো প্রসেঞ্জিৎ কে বুদ্ধের আগেই বসিয়ে রাখলাম, ❤মনে❤ রাখলাম বুদ্ধ জন্মদিন এর🥛🥣 সির্নি  মিষ্টি কে। যাক আসতে আসতে বিভিন্ন ক্লাস এ বুদ্ধ পাঠ্য বইয়ে হয়ত উকি দিচ্ছিলেন। তবে তখনো  তিনি বুদ্ধ, আমার সুপার হিরো লিস্ট এর সাইড লাইন তো দূর তিরিশ জনের টিম এও নেই😄!!!! ক্লাস সেভেন এ  পাঠ্য বইয়ে একটা কবিতা পড়লাম 🪔🙏🏼"মুল্যপ্রাপ্তি" 👌।  "অকালের 💮পদ্ম তব আমি এটি কিনি লব, কত মূল্য💰 লইবে ইহার? 🙏🏼বুদ্ধ ভগবান🙏🏼 আজ এসেছেন পুরমাঝ।।।।" মনে প্রশ্ন জাগল কে এই বুদ্ধ 🤔?  এই বার একটু আধটু করে পড়া শুনা📖📙 করলাম । অদ্ভুত লাগল এক 🤴রাজার ছেলে হয়ে সারাজীবন বাইরের দুনিয়া🌏 দেখেই...

২৫ শে বৈশাখ

🙏🏼❤রবীন্দ্র নাথ ❤🙏🏼এর সাথে আমার পরিচয় ছোট্ট🧒 বেলায়।  বোধ হয় লোয়ার নার্সারি, মা👩🏻 একদিন বলল সব থেকে ছোট্ট কবিতা কি জানিস?  "💧জল 💧পড়ে।  ☘পাতা🌿 নড়ে।।" : বেশ মজা 😃পেয়েছিলাম। তারপর ধীরে ধীরে সহজ পাঠ ১,২ থেকে বৈশাখ মাসে হাটু জল , এই সময় একটু একটু রাগ😡 হতে শুরু করল । এত পড়ব📖?!! কেন🤔?  তবে নাম এর শেষে 🙏🏼ঠাকুর🙏🏼 দেখে আর রাস্তার পাশে আবক্ষ🗿 মূর্তি দেখে ভাবতাম এই ঠাকুর এর চার💪 হাত, গদা ত্রিশূল চক্র এই সব নেই কেন!!? কেমন জগন্নাথ এর ভাই মনে হত😒। ঠাকুর,দুজনের ই হাত নেই😔।  ওমা একদিন সেই ভূল গেল ভেঙ্গে, ছোটমামা 🕊শান্তিনিকেতন🕊 থেকে এক মূর্তি আনলেন পুর্ণ অবয়ব। 💪হাত পা🦶 সব আছে। হাতে বেশ অন্য রকম অস্ত্র❤📖❤ এক🖋 ❤কলম ❤✒আর বই। এই 🙏🏼❤ঠাকুর অন্য রকম।  এরপর উফফ প্রতি ক্লাস এই দেখি কেউ না থাকুক উনি স্বমহিমায় বাংলা বই এ হাজির।  যাই হোক ইচ্ছায় অনিচ্ছায় এগিয়ে চলল এই আলাপ পরিচয়। পাড়ায় বেশ কিছু আবৃত্তি 🎤ও হয়ে গেল ।  তবে এই সময় বেশ একটা উদাহরণ দিতাম রবি ঠাকুর এর, "ই" কার "ঈ" কার মেলাতে না পারলে  চোখ বুজে ই কার চালিয়ে দিতাম, আর  বলতাম রবি ঠ...