২৫ শে বৈশাখ

🙏🏼❤রবীন্দ্র নাথ ❤🙏🏼এর সাথে আমার পরিচয় ছোট্ট🧒 বেলায়।  বোধ হয় লোয়ার নার্সারি, মা👩🏻 একদিন বলল সব থেকে ছোট্ট কবিতা কি জানিস?
 "💧জল 💧পড়ে। 
☘পাতা🌿 নড়ে।।" : বেশ মজা 😃পেয়েছিলাম। তারপর ধীরে ধীরে সহজ পাঠ ১,২ থেকে বৈশাখ মাসে হাটু জল , এই সময় একটু একটু রাগ😡 হতে শুরু করল । এত পড়ব📖?!! কেন🤔?  তবে নাম এর শেষে 🙏🏼ঠাকুর🙏🏼 দেখে আর রাস্তার পাশে আবক্ষ🗿 মূর্তি দেখে ভাবতাম এই ঠাকুর এর চার💪 হাত, গদা ত্রিশূল চক্র এই সব নেই কেন!!?
কেমন জগন্নাথ এর ভাই মনে হত😒। ঠাকুর,দুজনের ই হাত নেই😔। 
ওমা একদিন সেই ভূল গেল ভেঙ্গে, ছোটমামা 🕊শান্তিনিকেতন🕊 থেকে এক মূর্তি আনলেন পুর্ণ অবয়ব। 💪হাত পা🦶 সব আছে। হাতে বেশ অন্য রকম অস্ত্র❤📖❤ এক🖋 ❤কলম ❤✒আর বই। এই 🙏🏼❤ঠাকুর অন্য রকম। 

এরপর উফফ প্রতি ক্লাস এই দেখি কেউ না থাকুক উনি স্বমহিমায় বাংলা বই এ হাজির।  যাই হোক ইচ্ছায় অনিচ্ছায় এগিয়ে চলল এই আলাপ পরিচয়। পাড়ায় বেশ কিছু আবৃত্তি 🎤ও হয়ে গেল । 

তবে এই সময় বেশ একটা উদাহরণ দিতাম রবি ঠাকুর এর, "ই" কার "ঈ" কার মেলাতে না পারলে  চোখ বুজে ই কার চালিয়ে দিতাম, আর  বলতাম রবি ঠাকুর দিলে🤔 আমি দেব না কেন😂?

 মা যথারীতি বিদ্যাসাগর এর নিয়ম বলে যেত, এটুকু বুঝলাম  বিদ্যাসাগর  নিয়ম মেনে লেখেন আর রবি ঠাকুর সেই নিয়ম কে বেশ বুড়ো আঙ্গুল দেখান😂😂। 
 
যাই হোক এই ভাবে চলল এগিয়ে রবীন্দ্র চর্চা, ক্লাস সিক্স এ কয়েকটা কবিতা পড়লাম "পূজার সাজ", "সোনার তরী"  ।। এই  কবিতা আজ অব্ধি একটা বড় উপলব্ধি তৈরি করে দিয়ে গেল জীবনে : সাধ সামর্থ্য আর সূক্ষ সুখ এর মেলবন্ধন জীবনে বড়  প্র্যাকটিকাল ।
 তবে রবি ঠাকুর কিন্তু ❤অন্তরে❤ বেশ মিশে গেছেন , 
প্রত্যেকটা মানসিক স্তরে আনন্দে, দুঃখে, প্রেমে, সৃষ্টি তে বেশ কিছু গান কবিতা মনে মনে ছন্দ পায়।  
হ্যা  রাত জেগে ক্লায়েন্ট ডেলিভারি র সময়ে দুটো গান ই বাজে
: "ক্লান্তি আমার ক্ষমা কর " 🤔🤦‍♂️
বা 
:"যখন পড়বে না মোর পায়ের চিন্হ" ।।😂😂🤝
                 ❤🙏🏼২৫ শে বৈশাখ ❤🙏🏼

©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পাঠ প্রতিক্রিয়া

"চল, হয়ে যাবে !"

"এন্ড তাক সব কুছ ঠিক হো যাতা হ্যায়।"