"এন্ড তাক সব কুছ ঠিক হো যাতা হ্যায়।"

"এন্ড তাক সব কুছ ঠিক হো যাতা হ্যায়।"
 - হিন্দি ডায়লগ দিলাম বলে কি বাংলা"র"পক্ষে নেই ভাবছেন ? না, ব্যাপারটা একদমই সেরকম নয়। এই বিখ্যাত ডায়লগ টা ধার নিলাম আজকের বাংলা কে বোঝাবার জন্যেই। কিভাবে? 
আসলে গতকাল এমন দুটো ঘটনা ঘটেছে যাদের ক্ষেত্রে দি এন্ড না হয়ে সময়ের সীমা পর্দায় তুলে ধরছিল- "পিকচার আভি বাকি হ্যায়" । কাদের কথা বলছি?  সেই সব- 
১।  "ওরা কাজ করে নগরে প্রান্তরে" ।
কাজের জন্য এসেছে"এতটা পথ পেরিয়ে"।
আসলে গতকাল শহর জুড়ে এক নতুন মেট্রোর চলাচল। ঐ উপরে উল্লেখিত ১ নম্বর গ্রুপ আজ থেকে দূর প্রান্তর থেকে খুড়োর কলে চেপে পাঁচ ঘন্টার রাস্তা যাবে দেড় ঘন্টায় চলে। আহা, খুড়ো বললে শুধু রাগ করবেন না , পক্ককেশ বুদ্ধ বুড়ো থেকে মানবিক দিদি কিংবা আজকের দাদু সবাই কিছু কিছু লিড করেছে- ঐ যে বললাম ১১ বছর ধরে পিকচার ও জ্যাম এ ফেঁসে বাংলা হাল ছাড়েনি বন্ধু, আশা ছাড়েনি। তাই আজ এগিয়ে বাংলা, অনেকটা পিছিয়ে যানজট কাটিয়ে কিছুটা - এগিয়ে বাংলা।
২। কাজ করে যাও ফলের আশা কোরোনা
জয়েন্ট এর পরীক্ষা দিয়ে যাও রেজাল্ট বেরোবেনা
এদিকে উপরে উল্লেখিত এই দ্বিতীয় গ্রুপ জীবনের সূচনা পর্বে বুঝলো স্টার্টিং প্রব্লেম বিগ প্রব্লেম। পরীক্ষা দিয়ে বসে আছে পথ চেয়ে কোর্ট আর সরকারের মুখপানে,- এরকম কিছু যে হতে পারে ভাবনার অতীত ছিল। কিন্তু এ বঙ্গে অদ্ভুৎ রঙ্গে সেটাও দেখা গেল। পরীক্ষা দিয়ে ফেঁসে গেলো ছাত্র কুল। অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পরে জয়েন্ট এর রেজাল্ট প্রকাশিত হোলো গতকাল। ১১৭ দিন পরে রেজাল্ট দেখে অন্তহীন প্রতীক্ষার অবসান হোলো এ বছরের জয়েন্ট পরীক্ষার্থী দের। সময়ের চক্রে ঘায়েল হয়ে ওয়েটিং থামলো শেষে।
এইবার আপনি বলুন - এই দুই ঘটনার পরে,শহরে মেট্রো জুড়ে জয়েন্ট রেজাল্ট আউট করে, অনেক সময় অপেক্ষমান থেকেও অনেক রাগ অভিমান ক্ষোভ হতাশার পরে কি বলা যায়? যা হোক এবার সমাধান পেলে, এমন কি আর মন্দ করলে? ঐ যে বললাম-
 "এন্ড তাক সব কুছ ঠিক হো যাতা হ্যায়।"
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ২৩ শে আগস্ট ২০২৫
ছবিসূত্র  - আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পাঠ প্রতিক্রিয়া

"চল, হয়ে যাবে !"