পোস্টগুলি

সমাজ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শ্রেষ্ঠ বোকার একদিন

ছবি
সারা বছর ধরে বোকামি করে এক বোকা ভাবল, না আজকের দিনে ভিন্ন স্বাদের বোকাদের গল্পই না হয় হয়ে যাক। না না, আপনাদের বোকাবোকা বকবকে বিরক্ত করব না, বরং এই একটু ভিন্নভিন্ন বোকার চরিত্রচর্বনে চালাক চালকের চরিত্র টাও অনুধাবনের প্রচেষ্টা চলবে, চলুন তাহলে শুরু করি। এপ্রিল এর এক তারিখ, পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে  বোকাপল্লী তে একটি বোকাচক্র আলোচনায় বসেছে। মঞ্চের সভাপতি হাসিহাসি মুখে ঘোষণা করল সারা দেশ জুড়ে এই কয়েক জন মনোনীত হয়েছেন এই বছরের শ্রেষ্ঠ বোকা সম্মানের প্রতিযোগিতায়। আপনারা নিজেরাই ঠিক করুন কোন জন শ্রেষ্ঠ, হ্যা অবশ্যই এনাদের মুখ থেকে আপনারা শুনতে পাবেন এদের ভিন্ন বোকাকাহিনী। আসুন শুরু করা যাক: একএক করে সব প্রতিযোগী কে ডেকে নেই কিছু বলার জ্ন্য, আসুন শুরু করুন , দয়া করে করে বলুন আপনাদের বোকামির কাহানী:- প্রথম প্রতিযোগী সভার সবাই কে জোড় হাতে প্রণাম জানিয়ে শুরু করল : নমস্কার,  আমি পেশায় মুদি, নাম বোকামুদি। বাবুরা ভাবছেন এ আবার কেমন নাম? অবাক হবেন না, বলছি কেন এমন নাম। প্রথমেই বলি, এলাকায় আমার দোকানটা তেমন চলেনা, না বাবুরা আমি জিনিষ খারাপ বেচি না আসলে আমার জিনিষ এর দাম টাতো ন্যূনতম করলেও...

❤মাতৃভাষার দুই প্রয়োগ❤

ছবি
মাতৃভাষার প্রয়োগে যে দুটি সময়ে  হৃদয় সবথেকে বেশী প্রশান্তি লাভ করে তার মধ্যে একটি হল নিদ্রা কালে স্বপ্ন দেখা। হাজার প্রচেষ্টাতেও ঐ মুহূর্তে অন্য ভাষা আসেনা। বিদেশী থেকে স্বদেশী সবার সাথে বাংলাতেই তখন কথা হয় ,কিভাবে হয় ব্রহ্মাই বোধ হয় গোপনে জানে। আর ? ঠিক নিজেকে পরম-শাশ্বত ভাবার সময়ে! আরে না, না এই পরম-শাশ্বত মানে ঈশ্বর এর মতন কিছু না।  ঐ যে, জীবনের রঙ্গমঞ্চে অভিনয় করতে করতে যখন বিষম রাগ হচ্ছে, মনে হচ্ছে সাধ্যে থাকলে সামনের লোকটাকে-সংস্থা-সরকারী দল- বাস-ট্রেনের সহযাত্রী বা সুজন সাথী বন্ধু-পরিজন কে দুই ঘা দিয়েই দিতাম; কিন্তু মনের রাগ টা শেষ অব্ধি হাতে পৌছতে পারল না! ঠিক সেই সময়ে এই পরম-শাশ্বত র আবির্ভাব। না মানে আমি বলছিলাম "বাইশে শ্রাবণ" এর : পরমব্রত (ঐ আর কি দুই বাঙালী একসাথে যাতে বেশী ইংরেজি না বলে !)  আর তার পরেও বিপরীত প্রান্ত থেকে অনেক কিছু বললে-করলেও যখন কিছুই আর যায়-আসেনা তখন "প্রলয়" এর শাশ্বত মনের ভিতর বলে ওঠে: তাতে আমার কেশাগ্র্য উত্পাটিত হোল।  এইসব অনুপ্রেরণা নিয়েই হাত থাকতেও শোলের ঠাকুরএর মতন যখন দন্ত-চোয়াল চেপে এক-এক করে এক-দুই-তিন-চার অক্ষরের খর বায়ু বয়ে...

তোমরা আমাকে ভূলে যাও।আমি তোমাদের ভূলতে দেব না।।

ছবি
এ আবার কি কথা, কেউ যদি কাউকে সত্যি ভূলতে চায় বলুনতো হাজার সাধ্য করলেও কি সে মনের ভিতর থাকতে পারে? আহা কথাটা আমার না! আরেক বোস, মানে মন্দার বোস নিজেই তো বলে দিয়েছে মন থেকে চাইলে তিন মাসেই মাতৃভাষাই তো ভূলে যেতে পারি আমরা। আর এ গল্প তো এক পাড়া-গ্রামের পরিবারের। সেই গল্প কি আমরা আর মনে রাখব? এই গল্পটা ছিল এক একান্নবর্তী পরিবারের বেশ কিছু শরিকের এক সাথে মিলে মিশে থাকার। পরিবারটির এক কালে অনেক জমি-জমা ছিল স্বচ্ছল-অবস্থাপন্ন ছিল। কিন্তু ভিন অঞ্চলের এক ধূর্ত ব্যবসয়ী বাণিজ্যের অছিলায় সেই সব জমি ছলেবলে কৌশলে অধিকার করেছে পরিবারের থেকে। নিজের জমিতেই সেই পরিবার হয়েছে আশ্রিত, এখন সেই ব্যবসায়ীর ইচ্ছাতেই কর্ম। এই ভাবেই চলছিল, বেশ কিছু বছর নিশ্চুপতার পরে পরিবারের পিতা পরিবারের শরিক দের বোঝাতে পেরেছে ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড, ডিভাইডেড উই মিসআন্ডারস্ট্যান্ড! পরিবারের চার পুত্রই এখন জমি কিভাবে ফেরত পাওয়া যায় , সেই দাবীর  সাথে জড়িত- পিতাকে যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছে, এর ফলে পরিবারের সবাই আস্তে আস্তে সেই বেপাড়ার ব্যবসয়ী র বিরুদ্ধে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন বিষয়ের দাবি-দাওয়া করছে পিতার নেতৃত্বেই শান্তিপুর্ণ ভাবে। বড়...

চোখ তুলে দেখো না পিকনিকে এসেছি: ❤অফিস পিকনিক ❤ জিন্দাবাদ

ছবি
আচ্ছা বলুন তো, বনভোজনে এসে সদ্য মধ্য বয়স্ক মানুষ কি ভাবে ? সত্যি বলতে অনেক চরিত্র ভিন্ন মননে, অনেক কিছুই ভাবে। শুনবেন নাকি সেই ভিন্ন চরিত্রের মধ্যে কিছু কিছু  বিচিত্র কাহিনী? চলুন তবে , শুরু করা যাক তাহলে। বনভোজনের উৎসাহে, মহোৎসাহী মানুষটি আগের দিন রাতেই ঠিক কর নেয় পরের দিন সে বেরোবে সকাল-সকাল। কাকভোরে উঠে পড়বে আর হা-রে-রে করে আছড়ে পড়বে পিকনিক স্পটে আমফানের গতিতে! কিন্তু মানুষ ভাবে এক , সত্যি হয় আরেক! সকালে ঘুম ভেঙ্গে আবিষ্কার করে রোদ উঠেগেছে ঝিলমিলিয়ে গাছের ডালে ডালে : সকাল সবে ৯ টা বেজে গেছে; ব্যস বিনা এলার্মেই স্বপ্নপাত! পূর্বরাতের পিকনিকে শীঘ্র অংশগ্রহণের পূর্বরাগ কখন যে গভীর নিন্মচাপে পরিণত হয়েছে ধরতেই পারবেন না। যাই হোক এর পর সেই মানুষটাই ধনুকের জ্যা মুক্ত বাণের মতন লাফ দিয়ে ছিটকে বেরিয়ে পড়ে অনেকটা ঠিক টাইটানিক শুরুর সিনে জ্যাক এর মতন স্পিডে দৌড় দেয় সোজা পিকনিক স্পটের দিকে, যদিও সময় যত এগোতে থাকে টিফিনের লুচি ততই ধীরে ধীরে শীত ঘুমে ঘুমিয়ে পড়ে। যাই হোক শীতের সকালে শীতল লুচির কুচি খেয়েও হঠাৎ মনে-শরীরের মধ্যে এক আমূল পরিবর্তন আসে। নিজেকে মনে হয় এইত বারো-কি-তেরো, একদিকে নরম...