পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নিজের মন থেকে পাওয়া আড়াই নম্বর এর লড়াই আজো চলে পুরোদমে!

ছবি
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র মন স্পর্শ করে গেল, কিন্তু মর্ম স্পর্শ করলো কি? - এই রে, এই তো সবে মিলে নিশ্চয়ই বলবেন আরে তুই পাগল নাকি ভাই- এতো সুন্দর প্রশ্ন, এতো বোধমূলক বিষয়ে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে লেখার ব্যপার এটা মনে মেনে নিয়েও মর্মে স্পর্শ করছে না?  আহা, তাহলে ছোট করে দুটি কথা বলি একদম নিজের কথা। এই যে প্রশ্নে এতো গুলো স্বকীয় লেখার বিষয় উঠে এসেছে দেখে পুলকিত হচ্ছেন, একটি বার পিছনে চেয়ে দেখুন, আপনি বাংলা কিংবা ইংলিশ কিংবা যে কোন মাতৃভাষার পরীক্ষা দেওয়ার সময়ে কোন রচনা টা লিখতেন? ভাবুন ভাবুন, এই তো মনে আসছে- বিজ্ঞানের অবদান, আশীর্বাদ না অভিশাপ, কিংবা জীবনের লক্ষ্য। সেই সময়ে একটা সেফ রুট সবাই নিতাম, চেনা জানা রচনা মুখস্ত করে উগরে দেওয়া খাতায়। পরীক্ষক স্যারেরা একটি গড় নম্বর দিতেন রচনায়, ব্যস আমার আপনার গল্প শেষ।  রচনা তে স্বকীয় কিছু বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন থাকতো, কিন্তু প্রায় সিংহভাগ সেটা এড়িয়ে চলত, একটা নিয়ম হয়ে গিয়েছিল রচনা কমন পড়লো কি না! সেফ রুট এসকেপ!! আজ সেই ধ্যান ধারনা নিয়ে বেড়ে উঠে যাদবপুরের প্রশ্ন দেখে যদি মনে হয় ইশস, আমাদের সময়ে যদি এরকম প্রশ্ন থাকতো- আসলে অফ বিট রচ...

ইচ্ছেপূরণ- বিশ্বকাপ কার্টুন পঠন পাঠন!

ছবি
ইচ্ছেপূরণ- বিশ্বকাপ কার্টুন পঠন পাঠন! সেই মহেন্দ্রক্ষণ এর গল্প -যখন ছেলের বই বাবা শনিবার ভর দুপুরে হস্তগত করে ডুবে যায়! এই বইটি সে জন্মদিনে তার কাকাইর তরফে স্পেশাল উপহার হিসেবে পেয়েছে- বিশ্বকাপ স্পেশাল উপহার অফার!! এদিকে বই এর প্রচ্ছদ ও বিষয় দেখে তার বাবা মাঝে মধ্যেই উঁকি ঝুঁকি দিয়েছে বইটা দেখবার জন্য- একে বিশ্বমাস তাতে ফুটছে দুনিয়া কাপে। যাই হোক ,এতদিন সে বই টা একদম ছাড়েনি- আর বাবাও পড়তে পারেনি। কিন্তু কাল চক্র বদলে গেল হঠাত! ছেলের ক্লাস টেস্ট শুরু এবং সাথে সাথে রুল জারি হয়ে গেল; মা বলে উঠল এবার ফুটবল চিন্তা দূর হোক! কিন্তু বৃথা আশা, সে আপাতত ফুটবলের মধ্যে ডুবে আছে দিনরাত! এদিকে এই সমস্যা সমাধানে এবার বাবা এগিয়ে এলো- ছেলের পক্ষ নিয়ে বললো হ্যাঁ দিনে একটা খেলা দেখা হোক তার বেশী না, আর মায়ের পক্ষ নিয়ে বললো পড়ার বই এর বাইরে আপাতত আর কিছু পড়া চলবে না! ব্যাস পলাশীর প্রান্তরে ক্ষমতার শিফট হয়ে গেল- ছেলে বাধ্য হয়ে মেনে নিল একটা ম্যাচ দেখার চুক্তি। তারপর? বিরস বদনে বাংলা বিহার উড়িষ্যার মসনদ তুলে দেওয়ার মতো ব্যাপার - বাধ্য হয়ে সম্পদ তুলে দিল বাবার হাতে! ব্যাস সুযোগ বুঝে শনিবার...