পোস্টগুলি

মে, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমরা আজকে যুদ্ধ জিতিনি, প্রতিদ্বন্দীর মন জিতেছি!

ছবি
আমরা আজকে যুদ্ধ জিতিনি, প্রতিদ্বন্দীর মন জিতেছি! সাথে একটা না প্রায় দেড় টা প্রজন্ম কে জিতিয়েছি। অনেক বার দুই, শেষ ল্যাপ এ গুরপ্রীত এর ভুল দৌড় কিংবা তারপর অন্ধকারে ডুব দেওয়া - শেষ একদম শেষ অন্ধকার, না সমর্থক রা শেষ হয়নি। হয়না। দীর্ঘ বাইশ বছর, ভাবুন তো কি দীর্ঘ কি অসীম ধৈর্য নিয়ে বসেছিলাম আমরা! আজ ফায়ার এর ফিরে আসার দিন। না আজ আমি কিছু অন্য অভিজ্ঞতা বলবো-  আজ মোহনবাগানের বন্ধুরা খেলা শুরুর আগে এসে বলে যাচ্ছে- "আজ তোরা জিতে ফের", এই আবেগ কোথায় রাখবো? ফেস্বুকে প্রবল মোহন বাগান সমর্থক বলছেন আপনারা জিতুন! প্রতিদ্বন্দী এসে বলছে- ওঠ, বন্ধু বল টা ধর, গোল টা দে। এই মুহূর্ত গুলো ঘটেছে! হ্যা এই মুহূর্ত গুলোই চ্যম্পিয়ন।  ওহ, হ্যা! অফিস যাওয়ার আগে যে জার্সি টা নিয়ে গিয়েছিলাম ব্যাগে, সেটা আজ সগর্বে গায়ে জড়িয়ে আছি , জার্সি মানেই মা! ©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ২১ মে ২০২৬। ইস্ট বেঙ্গল জেতার পর। জেতার আগে 

অপেক্ষা, অবসান! লাল সাদা- সেই ভিনদেশী অজানা বন্ধুর জন্য আজকের লেখা!

ছবি
অপেক্ষা, অবসান! লাল সাদা- সেই ভিনদেশী অজানা বন্ধুর জন্য আজকের লেখা! ২০১৪ সাল, লণ্ডন্নের রাস্তায় ঘুরছি। ট্রাফালগার স্কোয়ারে লোকে লোকরণ্য- এর মধ্যে হঠাৎ দেখি এক বয়স্ক মানুষ একটা লাল সাদা পতাকা বুকে আঁকড়ে ধরে আছে, একটা সাইড দেওয়াল খুঁজছে সেটা টানাবে বলে। ফুটবল সম্পর্কে একটু আধটু উৎসাহ থাকায় গিয়ে ওনাকে সটান জিজ্ঞেস করলাম- আজ কি আর্সেনল কিছু জিতেছে? উনি যেন ধড়ে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন প্রশ্ন টা শুনে- "হ্যা আমরা বহু দিন পরে একটা কাপ জিতেছি।" খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম একটা অনামী কাপ জিতেছে ওনার দল বহু দিন পর। তারপর? উনি এমন একটা কথা বললেন যা যেকোন দলের ফ্যান সারা জীবন বলতে চাইবেন-  "অনেক দিন আমরা কিছু জিতি নি, আজ ভালো লাগছে জিতে। আমি আজন্ম অপেক্ষা করবো আমার দল জেতার জন্য, আমার বয়স ৭৪, আজকের পরে জানি না আবার কবে জিততে পারবো, আপনি কি আমাকে ফ্ল্যাগ টা টানাতে একটু সাহায্য করবেন?" - জীবনে রাস্তায় কোনো ফ্ল্যাগ না টানানো হাত দুটো অজান্তে হ্যা বলে দিল! আজ দীর্ঘ বাইশ বছর পরে আর্সেনল বৃটিশ কুলের ফুটবল শিরোমণি জিতেছে- প্রিমিয়র লীগ। সেই ৭৪ এর রাস্তার অজানা ইংরেজ বন্ধু, জানি না আপনি বেঁচে আছ...

পুণ্য হোক, পূর্ণ হোক

ছবি
পুণ্য হোক, পূর্ণ হোক জীবনের রঙ্গমঞ্চে প্রথম নাটক , যাক উতরে গেছে ভালো ভাবেই। রবীন্দ্র দিনে ঠাকুর স্মরণ হোক এভাবে- স্কুলের নাটকে প্রকাশ ভুতু র বাবা র ভূমিকায়, সেই  "পেটে ও পিঠে" নাটকে। পুনশ্চ- অভিনেতার বাবা ও যতদূর ক্লাস ফাইভেই এই নাটক টা পড়েছিল  স্কুলের পাঠ্য বইয়ে, আজ তার পুত্র বাবা সেজে সেই নাটক মঞ্চস্থ করছে সেই ক্লাস ফাইভেই। ঐ আর কি, কেউ পড়ে কেউ আরেকটু এগিয়ে মঞ্চস্থ করে- রবি ঠাকুর বয়ে যায় প্রজন্মের উত্তরণে- এইভাবেই এগোতে থাকুক বাংলার মন বাংলার ঘরে যত ভাই বোন- পুণ্য হোক, পূর্ণ হোক হে- না-আজ ভগবান না বলে বলি হে প্রাণের ঠাকুর রবি ঠাকুর। ১। নাটকের মঞ্চে, পিতার ভূমিকায় অবতীর্ণ। (ভিডিও টা পাওয়া গেছে স্কুল সাইট থেকে, এক মোবাইল থেকে আরেক মোবাইলে ধরা হয়েছে) ২। নাটক শেষে অভিবাদন - শুনলাম স্কুলের খুদে দর্শক রা খুব উপভোগ করেছে নাটক এবং তারা হেসে লুটোপুটি- শেষে করতালি সহযোগে অভিনন্দন! ৩। এই লাল সাদা ফুল গুলো ছাত্রের মা রাত্রি জেগে বানিয়ে দিয়েছে - নাটকের আগের দিন সে এক হুলস্থূল ব্যপার, যাক ঠাকুরের পুজোয় নিবেদিত হয়েছে এই রাত জাগা কাজ। ৪। পিতা র ভূমিকায় মঞ্চে...