বাস্তিলের কীট
"এই থাম থাম! ওকে একদম স্পর্শ করবি না বলে দিলাম, কথা না বাড়িয়ে সোজা পাশের গলিতে চল। ওখানে এমন জিনিষ দেবো যা চেখেদেখে আসল মজা পাবি। চল, দৌড় দে ওদিকে।" বলেই বয়োঃজ্যেষ্ঠ সর্দার পাশের গলিতে যাবার জন্য উদ্যত হলো। সহসাই এক উঠতি বয়সের উত্তেজিত স্বর শোনা গেল, প্রত্যুত্তরে : "সর্দার তুমি বললে বলেই ছেড়ে দেব কেন আমরা ? না , এত ভালো জিনিষ না চেখে ছাড়বই না । এটা ভোগ করতেই হবে, বুঝলে। "কিইই আমার মুখে মুখে তর্ক করছিস তুই! সাহস দেখে সত্যি তাজ্জব বনে যাই! আমি দলের মাথা আমি যা ঠিক করবো ঠিক সেটাই তোদের মানতে হবে, তোরা মানতে বাধ্য আমার আদেশ । কথা না বাড়িয়ে এখান থেকে সরে যা। " : প্রচন্ড ক্রুদ্ধ রক্তচক্ষু হয়ে গর্জে উঠল দলপতি। কিন্তু সেই কনিষ্ঠ সদস্য অবিচল ভাবে বলল: দেখো,বই এর জ্ঞান তোমার একটু বেশী বলে তোমাকে মাণ্যিগণ্যি করি ; তবে তাইবলে এটা একদম ভেবে নিয়োনা, যখন যা আদেশ করবে সবসময় বিনাবাক্য ব্যয়ে মেনে নিতে হবে। আজকাল বইএর ছোয়া আমাদেরও কিছু কিছু লেগেছে বুঝলে। আজকে তোমার জন্যই সব মিস হয়ে গেল !! কি সুন্দর ডাগর চেহারা ছিল, ঐ সব পরের গলি টলি বাদ দাও। আগে এর একটা ফয়সালা হোক এখন। তোমাকে ...