পোস্টগুলি

ইতিহাস লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রাণী কাহিনী।

চারদিকে দু:খ-দু:খ রব , দু:খ-স্তুতি-বিদ্বেষ এর মাঝে প্রচারিত-পোস্টিত হচ্ছে ইংল্যন্ডের রাণী আর নেই। এই ভাবে ভাবতে-ভাবতে একজন মানুষের মনে হল আচ্ছা এখন অব্ধি এই জীবনে এই "রাণী" শব্দ টার অবদান কি? না না, কোনো এক রাণী কে নিয়ে এই কাহিনী নয় , বরং টুকরো টুকরো ঘটনায় রাণীর প্রভাব রয়েছে জীবনে। আসুন দেখি একবার ঘুরে ফিরে সেই রাণী কাহিনী। একদম ছোট্ট অব্স্থায় দুই-তিন রকমের রাণী মা এলো সেই শিশুর জীবনে। সুয়োরাণী- দুয়োরাণী আর লাল কমল নীল কমলের রাক্ষসী রাণী! এদের তিন জন তিন রকমের ছবি ধরা পড়ল শিশু মনে। সুয়োরাণী সুখে থাকে, না চাইতেই সব কিছু পেয়ে যায় আর সুযোগ পেলেই দুয়োরাণী কে সারপ্রাইজ টেস্ট এর সামনে ফেলে দেয়। ওদিকে দুয়ো রাণী দায়িত্ব নিয়ে ভালো ভাবে জেনে-বুঝে সেই সারপ্রাইজ টেস্টে ভূল উত্তর খাতায় লিখে আসে আর তারপরে কেঁদে কেটে বেড়ায়, শেষে দুই তিন বার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে নির্বাসিত হয়। এরপর দুম করে তার সন্তান-সন্ততি রা এসে যায় (ছোটরা জীববিজ্ঞান বুঝবে না তাই আপেল-মিষ্টি-পায়েস খেলেই ছোট্ট সোনার চাঁদ এসে যায়)। যাইহোক ছোট্ট ছেলে মেয়েরা অনেক কষ্টে বড় হয়ে মায়ের দু:খ ঘোচায়, আবার রাজপ্রাসাদে ফিরে যায়। এ...

প্রথমে সংক্ষেপে ৩ নম্বরের টিকা লিখে তারপর ১৫ নম্বরের বড় প্রশ্ন বিস্তারিত লেখো।।

 তোদের দেশের এই পানীয় টা কিন্ত একঘর ভাই :  বলেই সৌম্য এক একনিমিষে গ্লাস শেষ করে শাল এর কোলে বসলো। পলাশ এর দিকে তাকিয়ে বলল:  কিরে বিপ্লবী, একটা গান ধর তো। এই শালের বনে গান না হলে জমে নাকি রে! উদাস পলাশ আকাশের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল:  তুই যা টানছিস তোর এখন গিটারের টুং টাং এ কিছু হবে টবে না। যা গিয়ে সুনীল কে বল তোর জন্য লাইভ নাচা গানা র ব্যবস্থা করে দেবে। সৌম্য একটু ভ্যাবাচাকা খেয়ে বলল :  বাব্বা কি রেলা মাইরি তোর! একটা গান করতে বললাম আর তুই সুনীল এর দিকে পয়েন্ট করে দিলি। পলাশ গম্ভীরভাবে বলল : আমি যে ধরনের গান করি তাতে বিপ্লববাদ, সমাজে চেতনা বোধ এর জন্ম দেয়, তোর মতন মদ্য মাতাল কে এই গান শুনিয়ে লাভ নেই, তোর জন্য হাঁড়িয়া মহুয়া খেয়ে ঐ পিন্দরে পলাশের বন আমার দ্বারা হবে না! "দেখলি সুনীল, দেখলি কি সব ফালতু কথা বলে যাচ্ছে। ও বড় বিপ্লবী আমার, কি যে বিপ্লব করে সে তো জানাই আছে । বুকের মধ্যে চে এর ছবি লটকে   আগডুম বাগডুম বলে বেড়ায়। আরে মদের ব্যপারে তুই কি বুঝবি রে! দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস তোরা মানিস নাকি। জানিস পুরাকালে ঋষি রা সোমরস পান করত। এই জঙ্গলে তো সো...

২৩ এর লেসার ইভিল।।

"২৩ এর লেসার ইভিল" কে বলতো মোহন? মোহন বিরক্ত হয়ে বলল উফফ তুই আবার ঘুরেফিরে সেই এক বিষয়ে ঢুকছিস পলাশ, এই বিষয়ে কোনো কথাই বলব না। কলেজে দেখলি তো এই ব্যাপার গুলো নিয়ে কিভাবে ঝামেলা হচ্ছে। রাস্তাঘাটে এই সব করিস না। মোহন অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে বসলো । পলাশ মোহন দুই বন্ধুই বিজ্ঞান শাখার ছাত্র,  প্রতিদিন একসাথেই চন্দননগর থেকে কলকাতায় যাতায়াত করে তাই ট্রেনে বাসে অনেকটা সময় গল্প করেই কাটিয়ে দেয় । পলাশ বলে : আরে ভাই এটা অন্য প্রেক্ষিতে বলছি। মোহন বলে ওঠে : আর আমার প্রেক্ষিত শুনে কাজ নেই। সেই তো ঘুরে ফিরে "সুনার বাংলা", "বহিরাগত" এই গুলোতেই ঠেকবে। পলাশ সম্মতির সাথে বলে:  অবশ্যই এই শব্দ গুলোই আসবে কিন্তু সময় টা আজকের হিসেবে না! মোহন মুখ ভেংচে বলল হ্যা আজকের কেন হবে ? বলেই তো দিলি ২৩ এর; মানে সামনের বছরের। পলাশ বলল সব সময় সামনেই দেখবি ভাই? মাঝে মাঝে একটু পিছন পানে তাকিয়ে দেখ- পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন। মোহন বলল না ভাই ক্ষমা কর, তোর পেছনে  ফিরে দেখা মানেই সেই আগের বছর এর ইস্যু কে কি করেছে, করেনি আমার আর দরকার নেই জেনে।পলাশ মিটিমিটি হেসে বলল গুটিগুটি পায়ে আরেকটু পিছি...

বাহিরে বারি ঝরে। অন্তর শুদ্ধ করে ।।

বাহিরে বারি ঝরে। অন্তর শুদ্ধ করে ।। দুপুর থেকেই মেঘের ঘনঘটায় আকাশ মুখ ঢেকেছে। অফিস এর ধুলোমাখা ফাইল এর পেছনে পেল্লাই ইংরেজ আমলের জানালা । এই পুরনো সওদাগরী অফিসে একটা সদ্যস্নাত সবুজ ঝলক এনে দিয়েছে বর্ষার পিঙ্গল মেঘ। চারদিকে সবাই মুঠোফোন গগনে গরজে মেঘ- এর আগমনী বার্তা তুলে সমাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। তবে না , সবাই না। "আষাঢ়ের শুরুতেই মেঘ টা ঢুকল তাহলে"! একটু চিন্তিত ভাবেই মধ্য বয়সের দেবেশ বিড় বিড় করে বলে উঠল। আজকেও কি তাহলে একই ব্যাপার হবে ? অস্থির হয়ে উঠল মন টা!! দেবেশ এর কাজ আজকের মতো হয়েই এসেছে, ভাবছে বেরিয়ে পড়বে সন্ধ্যের আগেই বাড়ি ফিরবে। এমনিতেই কালকে অনেক রাত অব্ধি থেকে একটা কাজ করেছে সবাই মিলেমিশে, আজ সকালে খবর এস্ছে সেই পরিশ্রম সাফল্য পেয়েছে। তাই অফিসে সবার আজ বেশ খুশীর মেজাজ । হঠাৎ অফিস বন্ধু রাহুল এসে বলল:  চল ভাই আজ একটু বসি দুজনে,  এই সুন্দর দিনে আষাঢ়স্য দ্বিতীয় দিবসে আনন্দ করি মনের হর্ষে । আজ একটু সোমরস না হলে উদযাপন টাই হবে না। রাহুল কে অবাক করে দেবেশ বলল :  না ভাই আজ যাব না ইচ্ছে নেই। রাহুল বিস্মিত হয়ে বলল: মানে, তোর আজকে হঠাৎ অরুচি হল কেন রে? কালকেই ত...