লক্ষ মালের লক্ষ্য বদলে মল ছেড়ে চলো লাক্ষায় এবার ঘুরি। লক্ষ হীনের স্বপ্নে আসে কাজুর দীঘা -গজার পুরী।। (রাজনৈতিক পর্ব: ২)
রাজনৈতিক পর্ব: ২ এইরে,এইবার তো রে রে করে উঠবেন! প্রধানের কথার উপর কথা! এত্ত বড়ো সাহস হয় কি করে। আহা, না ওনার কথার উপর কোনো কথা বলছি না। উনি সম্মানীয় মহামান্য, আমরা তো তুচ্ছাতিতুচ্ছ নগণ্য। তবে রিসেন্টলি প্রধান সিনেমা টা দেখে এলাম তো; তাই এই ছাপোষা বাঙালীর পোষ না মানা মনটা এই সব উল্টোপাল্টা ভাবে। যাই হোক কিছু মনে করবেন না আপনারা।আর, উনিতো ভালোই বলেছেন- যারা পয়সা খরচ করে মলদ্বীপ যায় সেই টাকা-পয়সা টাই দেশের মধ্যেই ঘুরুক ফিরুক। ভালো উদ্যোগ। তবে ব্যপার টা হচ্ছে ঐ লক্ষপতি যায়গা গুলির প্রমোশনে সেজেগুজে যখন পোজ দিচ্ছেন দেখতে ভালো লাগছে, কিন্তু ধরবো-ধরবো করছি ধরতে পাচ্ছি কই হয়ে যাচ্ছে ব্যপারটা? কেমন যেন অনেক দূরের মনে হচ্ছে- দূর দ্বীপবাসিনী,চিনি তোমারে চিনি। দারুচিনির দেশের তুমি বিদেশিনি গো, সুমন্দভাষিণী॥ ঠিক মনের কোণে যায়গা পাচ্ছে না, তাই ভাবছি- হাজারে হাজারে হাজরার স্বপ্ন টাই দেখি ভীষণরকম। দেখুন না যদি দুই হাতের দুটি কাজু নিয়ে বেশ চাঙ্গাসি চওড়া হাসি তে কাছের দীঘার জন্য আর কিছু ক্ষণ না হয় রহিলে কাছে বলে দেশবাসী কে আবেদন করলেন! না হলে আরেকটু দূরে চলো চলে যাই ঘুরে আসি বলে না হ...