পোস্টগুলি

ফাটা পোস্টার নিকলা রেসোলিউশান নিউ ইয়ার!

ছবি
হঠাৎ এরকম একটা বেখাপ্পা ছবি পোস্ট করার  কোনও মানে আছে?পুরনো বছর শেষ হচ্ছে ,নতুন বছর এসে গেছে - সেখানে কোথায় লিখবো এসো হে নতুন বছর এসো এসো- বসো নতুন বছর থাকো মন জুড়ে; না সেসব না লিখে কি একটা ছেড়া ফাটা ছবি লটকে দিলাম ফেসবুকে ! আহা, আসলে এই ছবি টা দেখে একটা কথা মনে এলো - ফাটা পোস্টার নিকলা রেসোলিউশান নিউ ইয়ার! ব্যাপারটা হচ্ছে এই ছবির মধ্যে একটা শতছিন্ন বিশাল বিজ্ঞাপন হোর্ডিং এর মধ্যে দিয়ে সূর্য টা উঁকিঝুকি দিচ্ছে- এটা তো একদম আমার আপনার চির পরিচিত প্রতি বছরের নিউ ইয়ার রেসোলিউশান এর মতন। ওই যে প্রতিবার ভাবি এই করব, সেই করব বলে একটা বিজ্ঞাপন ছবি আঁকে আমাদের মন গোপন। তারপর ফুস করে ৩১ শে ডিসেম্বর বছর শেষ হয়ে পুরো বিজ্ঞাপন এর হোর্ডিং স্বপ্ন টা ফেটে ফুটে শুধু কাঠামো টাই দাড়িয়ে থাকে- প্রাপ্তির ভাঁড়ারে । ওহ, কি বলছেন ওই অস্তগামী সূর্য টা কি বলতে চাইছে? - কি আবার! ওটাই তো হতাশ জীবনে আশার আলো, এবছরে অস্ত গিয়ে আগামীকাল সকাল বেলায় আবার জেগে উঠবে নতুন আশার জীবনে, নতুন সান সাইন রেসোলিউশানে। তারপর একদম নিয়ম মেনে নেক্সট ইয়ার পুনরায় এই সেম ছবিটাই ফিরে ফিরে আসবে, এভাবেই তো প্রতিবছর আসে অপ...

পাঠ প্রতিক্রিয়া

ছবি
## পাঠ প্রতিক্রিয়া ১ সৃষ্টি - নাগাসাকি ও এক হাজার কাগজের বক স্রষ্টা - শাওন প্রকাশক - The Cafe Table তিন টে টাইম ফ্রেম কিভাবে সুন্দর ভাবে গাঁথা যায় তার পরিচয় পেলাম আজ দুপুরে। আহা , না- লহ গৌরাঙ্গের নাম দেখিনি এখনো তবে একটা ভালো লেখা পড়ে বেশ ভালো লাগছে । দ্য ক্যাফে টেবিল থেকে প্রকাশিত“নাগাসাকি ও এক হাজার কাগজের বক” এর কথা বলছিলাম । লেখিকা শাওন এর এই সৃষ্টি টি মনে থেকে যাবে। আচ্ছা ,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের অন্তিম যুদ্ধ কোনটা? এতোদিন মনে হোতো হিরোশিমা ও নাগাসাকি তে পারমাণবিক বিস্ফোরণ এই যুদ্ধের সমাপ্তি জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে। কিন্তু সত্যি কি তাই? যদি জানা যায় সবকিছুর শেষেও চার জাপানি সৈনিক দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে এক জঙ্গলে বিচ্ছিন্ন থেকে বিশ্বযুদ্ধ চালিয়ে গেছে! - তারা ভেবেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়নি, জাপান হারতে পারেনা! ঠিক এই প্রেক্ষিতে সেই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এক সৈনিক এর পত্নীর জবানে এই উপন্যাস টি রচিত। যুদ্ধ শেষ হবার আকুতি নিয়ে গল্প এগিয়ে চলে কালের নিয়মে।আসলে যুদ্ধ শেষ হয়েও হয়না , প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে এগিয়ে চলে । এই ভাবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ এর ভয়ানক প্রভাব থেক...

বড় দিনে বাড়িতে বড়দা

ছবি
বড় দিনে বাড়িতে বড়দা - আহা ব্যাপার টা আর কিছুই না। মেসি মূর্তি দেখে আমাদের ও ইচ্ছে হোলো কিছু মূর্তি বানাই। আমরা কপি পেস্ট করিনা মেসি ,শুধু অনুপ্রেরণা হলেই খুশী। জানিনা মেসি বড়দিনে কলকাতা বাসী কে বলেছে কিনা - ওরা জানেনা কি ভুল করছে , ওদের ক্ষমা করে দাও, আমি বরং  সিংহ দেখতে আম্বানি চিড়িয়াখানা যাই। এদিকে কালান্তরে কলকাতা চিড়িয়াখানার বড় হয়ে যাওয়া সিংহ শাবক দের অনুপ্রেরণায় এমন জোরে ঘরে বল ছুড়ে মেরেছি তাতে হাল্ক এর কোমর ভেঙ্গে খান-খান : সাথে সাথে যদিও বলেছি আই এম নট ট্যারা-"হাতের" রিস্ট !বরং বললাম “কম্পিত তনুদল , ছুড়েছি ক্রিকেট বল , শ্যাম হাল্ক এর কোমর এখন কর্তিত কলা “! ব্যাস সাথে সাথে সন্ধ্যা রায় আর ব্রুস্লি মিশেলে একটা ককটেল শুরু হোলো- কান্না ক্যারাটের দোল দোলানো পৌষ মাসের ক্যালানো: “আমার হাল্ক কেনো ভেঙ্গেছ উ উ উ সাথে ইয়াআ হুঁ হু “। তখন আর কি রক্ষে করো ভগবান বাঁচাও এই প্রাণ - ইনভেনশন ইস মা মাটি নেসেসিটি- দিলাম অনুপ্রেরণা জুড়ে। কোমর এর উপর সবুজ বল লাগালাম ধরে। - এই দেখ হাল্ক গেছে, রোনাল্ডো এসেছে! যুবভারতীর প্রবেশ পথ থেকে সোজা এখানে ল্যান্ড করিয়েছি। যাই হোক মেসি ভ...

আভি আভি, হুয়া ইয়াকিন

ছবি
"আভি আভি, হুয়া ইয়াকিন কি আগ হ্যায় মুঝমে কহি" একটা মেডেল পেয়েছি গতকাল অফিস থেকে, তবে এটা আসল আনন্দ প্রকাশ কারণ না। আনন্দ কারণ অন্য, অনন্য! হ্যা মেডেলটি অবশ্যই একটা সম্মান, এবং ভালো লেগেছে মেডেল পেয়ে। তবে আসল মন ভরানো খবর টা অন্য! এই মেডেল প্রাপ্তির সাথেই যখন শুনলাম এই আমার মতো, "দশ হাজার" এলটিআইমাইন্ডট্রির সহকর্মী রা যে যেরকম পেরেছে দুমাস ধরে নিয়মিত হেঁটেছে এবং হেঁটে এক বিলিয়ন স্টেপ কমপ্লিট করে দেশের ৪ লক্ষ মানুষের সামনে কিছু সময়ের জন্য পেট ভরে এক বারের এক বেলার জন্য হলেও খাবারের বন্দোবস্ত করেছে!! জাস্ট একটা অনন্য সুখ অনুভূতিতে মন টা ভরে গেলো!! ব্যাপারটা হোলো প্রথমের দিকে নাম ই রেজিস্টার করিনি এই হাঁটাচলায়। একের পর এক ইমেল আসছিল আর ইগনোর করছিলাম। তারপর দেখি আমাদের ডেটা প্র্যাক্টিস এর দাদা ইমেল করে ভদ্র ভাবে বলে দিলো নাম টা দিতে। কিছু মানষ এর থেকে ইমেল বা বার্তা এলে সেটা মন থেকেই করতে ইচ্ছে হয়। যাই হোক, নাম টা তো দিলাম! নাম রেজিস্ট্রশন এর পরে অফিসে আয়োজিত এই দুই মাস ব্যাপী প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটার প্রকৃত উদ্দেশ্য টা জানতে পারলাম তারপরে। প্রতি পদক্ষেপ এর কাউন্ট ছোট্ট ...

প্রণাম ধর্মেন্দ্র ❤🙏🏼💔

ছবি
প্রণাম ধর্মেন্দ্র ❤🙏🏼💔 খুব ছোট, মা র সাথে রমা সিনেমা হলে একটা সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। সিনেমা টার ভাষা বোঝার ক্ষমতা তখনো আয়ত্ত হয়নি, (ক্লাস ওয়ান ও হয়নি)।"মা"- নামক ঐ সিনেমায় মা হাতি আর শিশু হাতির গল্প ছিলো। আর একটা মুগ্ধতা ভরিয়ে  দিয়েছিলো। আজ এই চালশের আশে পাশে এসে বুঝতে পারি এক অনবদ্য অভিনয় - সেই অভিনয় ক্লাস ওয়ান এ না ওঠা বাচ্চা কেও, হিন্দি না জেনেও বুঝিয়েছিলো মানুষ কিংবা প্রাণী সব ক্ষেত্রেই মা সন্তান এর স্নেহ-আদর এক স্বত:সিদ্ধ বন্ধন। সেই প্রথম পরিচয়-  ধর্মেন্দ্র; হিন্দি সিনেমার প্রবেশ দ্বার এক শিশুর জগৎ এ। এর পরে শোলের গল্প শুনতাম মা এর মুখে। যে হিরো বাঁচবে না তাঁকে তাই ভালো লাগতো না, তাই ধর্মেন্দ্র কে নিয়েই এগিয়ে চলছিল সময়। ক্লাশ থ্রি বা টু, টিভিতে প্রথম শোলে দিলো। দেখার পরে কিভাবে যেন হিন্দি হিরোর স্থান টা চেঞ্জ করে দিলো একটা লম্বা মানুষ, শিশু হৃদয়ে বেঁচে থাকা হিরোর থেকে চলে যাওয়া হিরোর জন্য শোকের মাধ্যমে একাত্মতা তৈরী হোলো, বিরু একটু পিছিয়ে গেলো সেদিন থেকে। আজ এতো বছর পরে দেখলাম সেই বিরু চলে গিয়ে মনের মধ্যে আবার জেগে উঠলো! পথের পাঁচালীর অপু কিংবা ক্লাশ ওযান টু এর হিন...

ঘুড়ি টা কেউ ধরতে আসেনি আজব্যস্ত সময়ে হিসেব এর খাতায় বাকি অনেক কাজ।

ছবি
ঘুড়ি টা কেউ ধরতে আসেনি আজ ব্যস্ত সময়ে হিসেব এর খাতায় বাকি অনেক কাজ। ঘুড়িটা একটু আগে সেই বাড়িটা পার করেছে, বছর পঁচিশ আগেও ঐ ছাদে ঘুড়ি উড়েছে। কেটে যাওয়া ঘুড়ি সুতোয় টানে কেটে যাওয়া সময় এখনো কি ওদের ঘুড়ি ওড়াতে ইচ্ছে হয়? দেখল না ওরা, ছাদের উপর সুতো বয়ে এলো সেই ঢিললঙ্গা-সুতো টান, কোথায় মিলিয়ে গেলো? আর কেউ দৌড়বে না জেনে ঘুড়ি নিশ্চিন্ত নিশ্চুপ ইঁদুর দৌড়ে আটকে গেছে, বাতিল এই রূপ। ঘুড়িটা ভেসে এসে গাছে আটকে লটকে ঝুলছে তবুও তো কেউ উড়িয়েছে, কেউ কেটেছে খেলেছে! আর? অনেকে হারিয়ে যাওয়া সময়ের ম্যাপে দেখেছে!! পুনশ্চ: বিশ্বকর্মা পুজোর প্রাক্কালে ঘুড়ি টা আমাদের পাড়ায় এসেছিল কেটে উড়ে। ও যেই বাড়ি গুলো অতিক্রম করলো সেই বাড়ি গুলোতে এক সময়ে সব ঘুড়ি ওড়ানো  রথী মহারথীর ভোকাট্টা রবে পাড়া কেঁপে  কেঁপে উঠতো। স্পষ্ট মনে পড়ে আশে পাশে বাবুসোনা দা, সোনাই দা, সোমনাথ দা, রাজীব দা, পাপ্পু দা, বান্টি দা, অনুপম দা গোবিন্দ এরা ছিল প্রথম সারির। তুতুন দা, শঙ্কু দা এরাও বেশ কিছুটা ওড়াতে পারতো। আরো অনেকে ছিলো। এদের মধ্যে একমাত্র আমিই ছিলাম যে শুধু ঘুড়ি ওড়ানো দেখে আনন্দ পেতাম, তার থেকেও বেশী মজা পেতাম দৌড়ে কা...

বিদ্বান সর্বত্র সর্বাগ্রে পূজ্যতে

ছবি
বিদ্বান সর্বত্র সর্বাগ্রে পূজ্যতে আক্ষরিক প্রকাশ, মহাভারতে এলো আহ্বান। বিঘ্নকারী ওদের কাছে, আমি গণ প্রধান।। বহে নাই ধমনী শিরায় কুলীন দেব রক্ত জাত। পিতা শূলপাণী সন্মুখ-সমরে হয়নি মম মাথা নত।। বিদ্যা বুদ্ধি অর্জিত সিদ্ধি, আমি প্রতিভূ অনার্য। কৌশলে মজে, পূজে প্রথমে যতো দেব বিধি আর্য।। জ্ঞান আমারে দিয়েছে স্থান সকল দেবের উপর, বিদ্যাবুদ্ধি না থাকলে কেউ রাখতো কি মোর খবর? শিক্ষাজ্ঞান ই মহাশক্তি বুঝুক পিছিয়ে পড়া মানুষ কৌশল চিন্তা যুক্তি না এলে জীবন টাই যে ফানুস। আমার জীবন থাক হয়ে মানুষের কাছে উদাহরণ g k h বিঘ্ননাশক অন্তে উপাধি,বিঘ্নকারী নাম পরিবর্তন।। পুনশ্চ: বৈদিক প্রেক্ষিত বিহীন দেব গণেশ, তাঁকে প্রথমে যে আর্য রা বিঘ্নকারী হিসেবে নামকরণ করেছিল শেষে তারাই নাম পরিবর্তন করতে বাধ্য হোলো - বিঘ্ননাশক! মহাভারত লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আর্য দের দরকার পড়লো এক অনার্য গণপতির শব্দ অক্ষর-জ্ঞান এর! এবং তিনি হয়ে উঠলেন সর্বাগ্রে পুজো পাওয়ার একক আধিকারী, কারণ - বিদ্বান সর্বত্র সর্বাগ্রে পূজ্যতে! ওহ, হ্যা শুধু বিদ্বান ই না, তার সুকৌশল প্রয়োগ বল ও দরকার। ©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ২৭ আগস্ট ২০২৫ ।। গনেশ চতুর্থী। ...