পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যাদুকরের ছড়ি। থেমে গেল, হল্লা রাজের মিথ্যা জারিজুরি।।

ছবি
ভারত ২৪ গোল - আমেরিকা ১ গোল! এই স্কোর দেখে একটু অবাক হচ্ছেন! ভাবছেন কি ভাবে সম্ভব? ভারত এই ভাবে হেলায় হারিয়েছে আমেরিকাকে! হ্যা ঠিক হারিয়েছে, শুধু আমেরিকা না; ব্রিটেন, জার্মান, জাপান, হল্যান্ড সবাই কে ধরে-ধরে ৮-১০ গোল দিয়েছে ভারত, এককালে। আসলে, ইদানিং কালের আলোচনায় "জার্মানি-ব্রাজিলের ৭-১", "বায়ার্ন-বার্সা র ৮-২", অথবা নিদেনপক্ষে "ইস্ট-মোহন এর ৫-০" এর হিসাব নিয়ে স্মৃতি আপনাকে বুঝিয়ে এসেছে রাশিরাশি গোলের খেলা এইভাবেই হবে, শুধু একটা খেলাতেই হয়ত দেখা যাবে ! তবে, অগুন্তি গোলের হিসাবে আরেকটি খেলাও এককালে হয়েছে-হচ্ছে; যেখানে দেশ এক সময়ে ভয়ংকর অপ্রতিরোধ্য সম্মানে সম্মানিত হয়েছে একটানা দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে! যাক, এইবার মনে হয় আপনি ঠিক ধরেছেন! হ্যা,সেই খেলাটা হোলো হকি। এই খেলায় এক সময়ে নিয়মিতক্রমে অসাধ্য সাধন করেছে ভারত; স্বাধীন কিংবা পরাধীন অবস্থায়। দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে সেইসময়ের ঘটনাগুলি এক একটি মহাকাব্যিক আঙ্গিকে চিরবিরাজমান। কয়েকটি ঘটনা একটু ঘুরেই দেখা যাক তাহলে। ভাবতে পারছেন! - একটা পরাধীন দেশ,যার ১৫ জনের সদস্য কে অলিম্পিক খেলতে ৫২ দিনের সফর করতে হয়েছে! যাত্রাপথে ...

কলকাতা, আপনি থাকছেন স্যর।

ছবি
কলকাতার মধ্যে মিনি সিঙ্গাপুরের ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে দরবারী "দিল্লী"। দেরী না করে , মোটাশেঠ "মুম্বাই" কে নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে সাতসকালে শহর "কলকতা" কিনতে চলে এসেছে সে। কিন্তু এইকাজ তো এক-দুইজনকে দিয়ে হবে না, এত্ত বড় একটা  শহর ক্রয় করা তো চারটিখানি কথা না। একসাথে লোকবল আর কর্মবল চাই প্রচুর। তাই কোমর বেধে সঙ্গে এসেছে - চুপচাপ নিজ কর্মবিশ্বাসী অফুরান কর্মশক্তির  বাহক "চেন্নাই" ; আর, স্যুটেড-ব্যুটেড নিমেষে কর্মসম্পন্নকারী -আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ- আধুনিক প্রযুক্তিবিদ "বেঙ্গালুরু"। পুরো কাজ টাই আজকের মধ্যে সেরেই ফিরে যেতে হবে সব্বাইকে। ময়দানে নেমেই দিল্লী একটু ভারিক্কি চালে বলল: "বুঝলে মুম্বাই এ জমি-শহর হামি লহিব কিনিয়া। এই কলকাতা টা তো দিনদিন ডুবছে। এর সবকিছু পুরনো অকেজো হয়ে গেছে, সব ভেঙ্গে একেবারে নতুন ভাবে পূবের সিঙ্গিং সিঙ্গাপুর সাজাব।"  তাই শুনে মুম্বাই বিগলিত চিত্তে কৃতাঞ্জলিপুটে বলল: "আপনি যা বলহিবেন তাই হবে। প্যায়সার জন্য কিছু আটকাবে না, শুদধু দিখবেন মিনি সিঙ্গাপুরের মানির কারবার যেন হামার কন্ট্রোলে থাকে। হেই চেন্নাই, সব ক...

আজ জিতেছে, কাল কি হবে?

ছবি
একের পর এক হিংসা- দুর্নীতি- ব্যক্তি স্বার্থের জাঁতাকলে দেশটা-দ্বেষে ভরে গিয়েছিল। দিনের পর দিন- রাতের পর রাত; মনে হচ্ছিল এছাড়া আর কোনো কিছুই জানার-বোঝার নেই। সেই সকাল থেকে রাত কাটছে রাজনৈতিক নিন্মরুচির বিরোধিতা , কুত্সা,উপহাস কিংবা অনায়েসে ঘটিত হিংসাত্মক মৃত্যুর চর্বিতচর্বণের মাধ্যমে। এইগুলোই হয়ে দাড়িয়েছে হতভাগ্য সমাজের নিত্য চিত্র! এর থেকে পরিত্রাণের উপায়ে ভাবতে বসে দেখা যাচ্ছে হয় নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলাহোক : মানে গাঁধীজির সেই কপি ত্রয়ের মতন: "বাজে কিছু দেখব না, বাজে কিছু বলব না, বাজে কিছু শুনব না"। সেক্ষেত্রে অনুপম এর গান গাইতে গাইতে "নিজেকে নিজের মতন গুছিয়ে নেওয়া" আর রুদ্রনীলের কণ্ঠে আবৃত্তি পাঠ "দাদা, আমি সাতে পাঁচে থকিনা "। আর, এইভাবে দূর দ্বীপবাসী নিভৃতচারী না হতে পারলে? তখন কিন্তু একমাত্র উপায় সেই শুভঙ্করী গদাই লস্করী চালে চলা; একইভাবে ঘৃণা অসম্মানের স্রোতে শুধু বয়ে চলা। এই ভাবেই, পাঁকের মাঝে ডুবন্ত কালে হঠাৎ খবর আসে একটা হাউই যান সব বাধা অতিক্রম করে ঝুপ করে নেমে এসেছে চাঁদের বুকে। সাথে সাথেই চারদিকের পরিবেশ পরিবর্তিত; "কোথায় হিংসা  কোথায় ...

নিশি রাত বাঁকা চাঁদ আকাশে।ভেলা দক্ষিণ দুয়ারে আশায় ভাসে।।

ছবি
ঠিক সেই মাহেন্দ্রক্ষণে একটি  অতিবিরল দৃশ্য হয়ত দেখতে চলেছি, আমি একা না, সবাই দেখবো- একসাথে। চন্দ্রযান অবতরণের দৃশ্য তো দেখবোই,  সেইটা বলে বোঝানোর মতন ভাষা হয়ত মস্তিষ্ক লিপিবদ্ধ করতে আবেগে অক্ষম হবে সেই বিরল মুহূর্তে। তবে, চন্দ্রযান অবতরণের দৃশ্য ব্যতিরেক আরেকটি দৃশ্য ভেবে হৃদয় পুলকিত-আশান্বিত। আগেও সেই আনন্দময় দৃশ্য মাত্র বার দুয়েকই হয়ত দেখেছি। তাই সেই দৃশ্যের কল্পনা করছি ভীষণরকম! কিন্তু কি এমন দৃশ্য যা চন্দ্রযান এর সাথেসাথে দেখতে চাইছি, যার জন্য উতলা হয়ে অপেক্ষারত হয়েছি। আচ্ছা,আপনার কৌতূহলী মনও কি তা জানতে চাইছে? চলুনতো দেখি সেই দৃশ্য আপনিও দেখতে চাইছেন কিনা! এখন, সারা দেশ অধীর আগ্রহে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষারত।একটাই প্রশ্ন ঘুরছে: এইবার ঠিকঠাক অবতরণ হবে তো? ওদিকে খবর এসেছে একই লক্ষ্য নিশ্চিত করে ভীমবেগে ধাবমান রাশিয়ার চন্দ্রযান টি গতকাল আছড়ে পড়েছে চন্দ্রবক্ষে! এখন পরীক্ষা আমাদের চন্দ্রযানের। আচ্ছা, আমেরিকা-রাশিয়া তো অনেক আগেই চন্দ্রাবতরণ করেছিল,এবং বারংবার করেছিল; অনেক বার বিফল হয়েও শেষ অব্ধি জিতেছিল। তারপর চীন ও নেমে পড়ল চাঁদে, বেশ কয়েকবারের প্রচেষ্টায়। এরপরেই এলো আমাদ...

নানা নাম নানা কারণ নানা অর্থ-অভিধান। এক মানুষের মাঝে ছদ্মনামে বন্ধুরা মেলান।।

আজ ভাবছি ছদ্মনামের অষ্টোত্তর শতনাম নিয়ে একটা আলোচনা করলে কেমন হয়? অষ্টোত্তর-শতনাম বা ছদ্মনাম দেখেই মনেমনে ভাবছেন তো এইবার ঠাকুর দেবতা অথবা বিখ্যাত মনীষীদের নামের লিস্ট নিয়ে ক্যুইজ খেলব? না, সেরকম ইচ্ছে নেই। তবে ছদ্মনাম-শতনাম বললাম যখন,  নিজদের জীবনেই পাওয়া নাম গুলো নিয়ে একটু ঘুরে ফিরে দেখলে কেমন হয় বলুনতো ? চলুন, তাহলে একটু ঘুরে ফিরে দেখি- আমি-আপনি-আমরা সবাই একটু অন্য ধরনের নিজদের ভিন্ন নামের স্মৃতির খেলায় মাততে পারি কিনা ছদ্মনামের ছায়ায় : নানা নামের নকসায়। আচ্ছা তাহলে শুরু করা যাক , প্রথমে একটু কল্পনা করুন-  মানে ছদ্মনাম নিয়ে যেহেতু রংমিলান্তি খেলায় আপনি নামছেন তখন আপনি আজ মনের সুখে ভাবুন ; সেই ভাবনার গলি দিয়ে দেখতে পেলেন একটি প্রখর রৌদ্রের তাপদাহের মাঝে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় গভীর-গম্ভীর কোনোএক কর্মে ব্যস্ত আছেন। এমন সময় আপনার ভ্রাম্যমান দূরভাষে একটি  টুংটাং শব্দ ভেসে উঠে জানান দিল আপনাকে কেউ স্মরণ করেছে - ট্রুকলার সমন্বিত কনট্যাক্ট লিস্ট থেকে স্ক্রিনে ভেসে উঠল একটি নাম সৌরভ- কিন্তু নামের শেষে লেখা ১! সৌরভ-১ ফোন করেছে। এইবারই শুরু হোলো সেই  রহস্য- আপনার মাথা এখন প...

স্বাধীন সুর যন্ত্রের কানে ।ঘটছে কতো অবাক কাণ্ড কৃত্রিম মনে।।

ছবি
১৪ ই আগস্ট তমসাচ্ছন্ন মধ্যরাত, থেকে থেকে বিদ্যুত চমকে হঠাৎ আলোর ঝলক আকাশের বুক চীরে আছড়ে পড়ছে। ঠিক সেই মাহেন্দ্রক্ষণে  গুরুগম্ভীর-মেঘমন্দ্র স্বরে উচ্চারিত হোলো চিরন্তন বাক্যটি: "আজ, মধ্যরাতে বিশ্বচরাচর যখন ঘুমোবে তখন জীবন ও স্বাধীনতার জন্য জেগে উঠবে সে" - সে কে বলুনতো?বুঝেছি, আপনি হয়তো ভাবছেন দেশের কথা বলছি?  না, দেশের কথা আজ বলছি না। দেশ তো সেই সাতচল্লিশে জেগে আবার লাফিয়ে-ঝাপিয়ে এই একটু ঝিমিয়ে-ঘুমিয়ে পড়েছে! এখনতো দেশ বিশ্রাম নিচ্ছে। তাহলে স্বাধীনতার মধ্যরাতে কে ভূমিষ্ঠ হোলো ? যাইহোক, খোলসা করেই বলি তাহলে! এ হোলো মনুষ্য নির্মিত-কৃত্রিমমেধা সমন্বিত সুন্দর দেখতে ছোট্ট মতন একটি তথ্যপ্রযুক্তি কোডের কথা। যার ক্ষুদ্র মাথায় বিশ্বের তাবত তথ্য নিশ্চিন্তে বাস করেছে -সুপ্ত রয়েছে মানুষের মতন গভীর চিন্তা করার কৃত্রিম ক্ষমতা।  স্বাধীনতার মধ্যরাতে ক্ষণজন্মা কোডটি বিপ-বিপ স্বরে কেঁদে পিট-পিট করে চোখমেলেই দেখল :  -অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি মধ্যরাতে কর্মরত বেশ কিছু দেশকর্মী;  বিপরীতে সেই মানুষগুলোও একরাশ উধাওঘুম চোখ নিয়ে চিয়ার লিডারদের মতন নেচে-গেয়ে তাদের হাতে নির্ম...

এই শ্রাবণ ধুয়ে দিক যত মলিন কর্দম। মাতৃভাষার বর্ষণে মন আজ স্নিগ্ধ নরম।।

ছবি
আজ ১৪৩০ বাইশে শ্রাবণ, বাইরে থেকে থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। আর মনের মধ্যে চিন্তা গুলো কেমন এদিক সেদিক দৌড়চ্ছে। হঠাৎ দেখলাম সামনের বকুল গাছটার ভেজা ডালে তিনটে শালিখ ভিজছে- এই বৃষ্টিতে ওদের ঝগড়া আজকের মতন বন্ধ। চুপচাপ টুপটাপ শব্দ শুনছে,কেউ কিন্তু উড়ে যাচ্ছে না ভেজা বাসা ছেড়ে। আজ মনে হয় সকাল থেকে বৃষ্টি হবার দরুণ খাদ্যের সন্ধানেও এগোতে পারল না। তবুও কি ব্যাপার? আজ তিনটে শালিক ঝগড়া করল না কেন? কেন ওরা হারিয়ে গেল না এই বকুল ডালের থেকে? এই সব না হন্যতের কথা ভাবতে ভাবতেই অপুর সংসারে সৌমিত্রর সেই সংলাপ টা মনে পড়ছে: "সেটাই শেষ কথা না! তার অভাব মিটছে না , তার দারিদ্র্য যাচ্ছে না, তা সত্ত্বেও সে জীবন বিমুখ হচ্ছে না, সে বাঁচতে চাইছে সে বলছে বাঁচার মধ্যেই সার্থকতা- বাঁচার মধ্যেই আনন্দ ...  আচ্ছা,আপাত দৃষ্টিতে মনে হোলো এটি যুবক শ্রেণীর মনের চিরন্তন কথা। কিন্তু কথা গুলো কি শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যেই সীমাবদ্ধ? নাকি এটি একটি জাতির  ভিতর থেকে বেরিয়ে আসা - আশার ভাষা- অশনি সংকেত থেকে উদ্ধারের নেশা ! এই আবেশ-অনুভূতি অবশ্য বাঙালীর চিরকালীন একান্ত আপন। চরম দুর্দিনেও জাতিটা কিভাবে এতটা আশাবাদী হত...

হুইসেল বাজাও হান্স-আরুণি!

গতকাল টিভিতে হঠাৎ একটা মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর পেলাম। একটি শিশু ,তার বিদ্যালয়ের সামনে বেপরোয়া লরির গতিতে অকালে চলেগেল। শিশু হারানো মায়ের ক্রন্দনে যে কোনো মানুষের বক্ষ বিদীর্ণ - অসহনীয়! মনটা সারাদিন ভারাক্রান্ত হয়েছিল!এরপরেই বিভিন্ন মাধ্যমে শুরু হোলো আলোচনা: কেন হোলো? কি গাফিলতি-কার গাফিলতি? - অনেক বিশ্লেষণ অনেক যুক্তি-প্রতিযুক্তি শেষে দেখা গেলো ঐ বিদ্যালয়ের ব্যস্ত সড়কের সামনে স্কুলটাইমে কোনো ট্রাফিক নিয়ামক ছিলেননা, যার ফলেই হয়ত এই নির্মম নিয়তি। ব্যস, এর পরেই প্রশাসন অতিসত্ত্বর-মহাতৎপর। একএক করে পদক্ষেপ নিতে শুরু করল- আজ সেখানে ট্রাফিক এসে গেলো। প্রশাসনের তরফ থেকে লরির চলাচলেও দেখলাম একটি নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাপারটাই দাড়াল আগে কিছু ঘটুক, না মানে ঘটনা না;  - মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটুক! তারপর না হয় একটা প্রতিক্রিয়া ছিটকে বের হবে - তড়িঘড়ি নির্দেশিকা তৈরী হবে। এখন একটা ছোট্ট প্রশ্ন সামনে এসে উঁকিঝুঁকি দিল  - এই যে বাচ্চা টি চিরতরে চলে গেল এটা যে কোনো ব্যক্তিবিশেষ যেকোনো বাড়ির ক্ষেত্রেই হতে পারত; কাল হয়েছে, কালের ঘরে ঘড়ি! পরশুও তো হতে পারত, - হয়নি , -কাল না হয়ে আজও হতে প...