পোস্টগুলি

প্রতিবাদ পর্ব ১ (১৪ আগস্ট - ১লা সেপ্টেম্বর)

ছবি
পদাতিক পথে নামছে প্রতিদিন।  বিচার এর দাবিতে গুণছে দিন।।  মানুষ হেঁটে চলেছে দিনে রাতে, মিছিল টা দিন দিন বেড়েছে বহরে তে। কেউ হেঁটেছে পাড়ার গলির পথে, মিশে গেছে অচেনা অজানা সাথে। কেউ হেঁটেছে রাজপথে বহুজন মাঝে। বিঁধছে কাঁটা সকাল বিকেল সাঁঝে।। প্রহর গুণছে অন্তিম ক্ষণ প্রতীক্ষার সে দিন আসবে কবে, কবে পাবে বিচার? কেউ হেঁটেছে রাজনীতি বা অরাজনৈতিক মতে শাসক তখন বিভেদ দেখেছে আরাম কেদারাতে। আজকে যখন আসছে মানুষ আগল খুলে মনে প্রতিধ্বনি শুনছে সময় জাষ্টিস হবে আর জি করে । ©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ । ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪।। ছবি:  ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ।। ২।। অন্যায় যে করে, আর অন্যায় কাজে যে প্রমাণ লোপাটে জনগণ ঘৃণা যেন তারে "তৃণ"সম দহে।। রবিঠাকুরের "ন্যায়দণ্ড" থেকে শেষ লাইন দুটো ধার করে সময়ের রথে উঠিয়ে দিলাম। দেখলাম এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর্দায় পর্দায় জড়িয়ে গেছে খল অভিসন্ধি। আচ্ছা, আপনার আমার জীবনে যদি প্রামাণ্য বিষয় হারিয়ে যেতো আপনি আমি কি ভাবতাম বলুনতো? এই পরিস্থিতিতে সবার জীবনের একটা উদাহরণ মনে আসছে।  ধরুন, ক্লাশ এইট-নাইন বা টেন এ অঙ্কে জ্যামিতিক আকার থেকে প্রামণ্য বিষয় টিই লোপাট করে দিয়েছে ...

জয়দ্রথের আছে মহা অভিশাপ বর। মৃত্যু হবে পালনকর্তার কোলের উপর।।

ছবি
জয়দ্রথের আছে মহা অভিশাপ বর। মৃত্যু হবে অভিভাবক এর কোলের উপর।। হে সন্দীপ তুমি কি আজ জয়দ্রথ রূপে প্রকাশিলে? বিচারালয়ে নিরাপত্তা চাইতে গিয়েছিলে। বিচারের বাণী মুচকি হেসে বলে- দিলাম তোকে, মনোমতো দক্ষ পাঁচশ পুলিশ সাথে। আনন্দে তুমি বাহির হয়েছো ঘর হতে পথে- হঠাৎ দেখো রক্ষী কৌরব কৈ?বিস্ময়ে হতবাক! রাস্তাজুড়ে দাড়িয়ে আছে প্রশ্ন কর্তা অর্জুন নির্বাক! মেঘ সরিয়ে রৌদ্র কি তবে উঁকি দিল আজ? "অভয়া" শক্তির অকাল বিসর্জনে মনেতে দ্রোহের সাজ! মনেরেখো, হে মহা-প্রশ্নবাণে সজ্জিত ধনুর্ধর, জয্দ্রথের রয়েছে মহা অভিশাপের বর। "মৃত্যু হবে ওর পালনকর্তার কোলের ই উপর।।" পুনশ্চ: অভিমুন্য বধের পরে পান্ডব কৌরব যুদ্ধ তে আর মীমাংসার যায়গা ছিল না। পান্ডব রা সংখ্যায় কম, শাসন ক্ষমতায় নেই তবুও সন্তানের নির্মম মৃত্যু কে ভুলে যায় নি। জ্য়দ্রথ বধের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছিল দ্রোণ কর্ণ এর সব ব্যুহ ভেঙ্গে ফেলতে পারে প্রতিবাদী অর্জুন। "অভয়া" ,"অভিমুন্য" নামের প্রথমে মিল আছে, মিলটা দু:খ জনক, বাকিটা রাগের প্রতিবাদের জন্য থাক। ©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ১৬ আগস্ট ২০২৪

দুয়ারে এসেছে বার্তা ভয়ঙ্কর।দলে দলে বিরোধিতা আজ কর।।

দুয়ারে এসেছে বার্তা ভয়ঙ্কর। দলে দলে বিরোধিতা আজ কর।। পৃথিবীতে তিনদল এর মানুষ থাকে। সেই ছোট বেলায় পড়া নীতিকথার গল্পের মতোন। একদল-শতদল-সহস্রদল; না শতদল এর সাথে "শতরূপ" এর দল এর যোগের কথা বলছি না! সেই তিন মাছের গল্প, পুকুরের জল তুলে নেওয়া হবে দেখে আগে সতর্ক একদল, জল তোলার আগের মুহূর্তে বেরিয়ে আসা শতদল আর একদম শেষে জল তুলে নেওয়ার পরে মড়ার মতোন থেকে পালিয়ে বাঁচা সহস্রদল মাছ তিনটের গল্প। আচ্ছা এ কি শুধুই মাছের গল্প ছিলো? না- এ দল হোলো যুগযুগ ধরে বয়ে আসা মানুষের ঢল। আচ্ছা ব্যপারটা আজকের প্রেক্ষিতে নীতিমালার গাঁথায় বেঁধেই একটু ভাবনা গুলো কে মেলে দিলে কেমন হবে ? দেখি - "একদল"-  হোলো সেই সব মানুষ যারা পূর্বাভাস পায় বিপদের, এবং তৎক্ষণাত  প্রতিকার এর ব্যবস্থা নেয়। উদাহরণ চাইছেন? ধন্যি ছেলের অধ্যাবাসায় উনিশ টি বার ধাক্কা খাবার আগেই এরা বুঝেছিল! ঐ যে ঐ লোক গুলি যারা- "দামাল" ছেলেদের "দুষ্টু" ঘটনায় সিন্দুরে মেঘ দেখে বুঝেছিলেন দুষ্টু গরুর থেকে "শূণ্য" গোয়াল ই ভালো। পার্কস্ট্রিট-কামদুনি- বগটুই এ একদলের স্বর সেই ভাবে উঠলেও পাশে কেউ আসেনি, কেউ সাথ দেয়ন...