বাবার নাম বন্ধুরা ভোলে না!
স্কুল এর উঁচু ক্লাসে কিংবা কলেজ লাইফে নিজের বাবার নাম দিনে একবার লেখা বা বলা হলো কি হোলো না, কিন্ত একাধিক বার একাধিক অন্য অনেক মুখ থেকে শোনা যেত। মানে প্রত্যেকে নিজের বাবার নাম এর থেকে বন্ধুদের বাবার নাম বেশী বার উচ্চারণ করতো। সে ভালো ব্যপার! কিন্তু এর পরে প্রত্যেক বাবার নামের সাথে এক একটি উপমা জুড়ে যেত, এটা ছিল বাবা দের নতুন নামকরণ পর্ব- বুদ্ধি খাটিয়ে সন্তানদের বন্ধুরা কেমন যেন পুনঃ অন্নপ্রাশনের ব্যবস্থা করছে নামকরণের মাধ্যমে । এই নাম গুলো এমন হতে হবে, যার নাম বা উদ্দ্যেশে করা হবে তিনি কিন্তু সন্মুখে কোনোদিনও জানবেন না- এই নীতি টা মোটামুটি সবাই মেনে চলবে, কিন্ত তার সন্তান যেন ভালো ভাবে জানে, বোঝে এবং যতো জানে ততো লুচির মতোন ফুলে ওঠে! বাবার নতুন নামকরণের ভাবসম্প্রসারণ শুনে সেই সন্তান ও বাধ্য হোতো আমেরিকার মতো পার্ল হারবার ধ্বংসের পরে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নামতে। এই নব নামকরণে কি যে প্রবল উৎসাহ, এ আবহমান কাল ধরে বয়েই চলেছে ।
পুনশ্চ: তবে একটা বয়সের পরে গিয়ে সেই নতুন নাম গুলো দেখা যায় ছেদ পড়ছে, আসলে সন্তান দের চুল পাকছে আর নতুন নামের মালিকরা তারার দেশে বড্ড তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছে। তখন? হারিয়ে যাওয়া বাবাদের নতুন নাম গুলো আর বন্ধুমহলে উচ্চারিত হয়না, মিউচুয়াল নীরবতায়। তবে আবার নতুন নাম আসে,গতকালের সন্তান আজ পিতা হয়ে গেছে, মুচকি হেসে অপেক্ষমান- কখন নতুন নাম দেবে অনেক বন্ধু সন্তান! এইভাবেই চলে, এইভাবেই চলবে- বাবার নাম বন্ধুরা ভোলে না!
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ১৫ জুন ২০২৫
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন