প্রতিবাদ পর্ব ২ (২ রা সেপ্টেম্বর থেকে ১০ ই সেপ্টেম্বর)
################১৬
আগে তুমি সত্য দেখাও, তুলে ধরো লুকানো ঘটন
দিলাম কথা ফিরবো কাজে,ঠিক আগের মতোন।।
আজ মানুষ এর জন্য মানুষের কান্না,
সত্য বিচার কি সমাজ পেতে পারে না?
শাসন বাধনে নীতির বিধান,
বিচার না পেয়ে বজ্রমুষ্ঠি উত্থিত কামান।
দাবি গুলো গোলার বেগে ছুটে ধেয়ে আসে
পতন পতাকা উড়িয়ে কালভৈরব অট্টহাসে।
বিচারের বাণী ক্যালেন্ডারে তারিখ এর ফেরে
ধৈর্য্য সরিয়ে জন জাগরণ মঞ্চ পথের উপরে।
সত্য আজ মুখবন্ধ গোপন খামে সর্বোচ্চ চুপ।
কাজে ফিরে মেনে নাও ব্যবস্থার উলঙ্গ উন্মত্ত রূপ।
শুনবে না? কাজে ফিরবে না? হয় কিভাবে সাহস!
বুকে জ্মেছে শক্তি, আর কেউ নয় তো কারো বশ।
আগে তুমি সত্য দেখাও, তুলে ধরো লুকানো ঘটন
দিলাম কথা ফিরবো কাজে,ঠিক আগের মতোন।।
পুনশ্চ: জুনিয়র ডাক্তার রা মঙ্গল বার স্বাস্থ্য ভবনে দঙ্গল বেধে জটিল জঙ্গল সাফ করতে যাচ্ছেন। সফল হবেই।।
(সমাজমাধ্যম ও ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত খবর)
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/d5XCpZakj1p7Zyfh/
###############১৫
উৎসব চাইছো? উৎসব ই হবে তোমার দাবি মেনে
উৎসবে বিচার চাইবো উচ্চকণ্ঠে ঘরে বাইরে মনে।।
সেই উৎসবে ফিরে গেছি আমরা সবাই,
অঞ্জলি দাবিতে সোচ্চার পুজোয় বিচার চাই।
মন্ত্রে আছড়ে পড়বে বিপ্লব প্রতিবাদ,
অভয়া শক্তির বন্দনায় এটাই পুজোর স্বাদ।
অগ্নিগর্ভ বিপ্লবে দিলে তুমি আজ বারুদের ফোঁটা
পুজোর শহরে বিচার চেয়ে দেখবে মানুষের হাঁটা।
পোষাকে ফ্যাব্রিকে উঠবে ভেসে অভয়া তিলোত্তমা
পুজোর মাঝে বিচার চাইবো, নেই অপরাধের ক্ষমা।
এই পুজোতে ফিরবো মোরা যা বহুযুগ হারিয়েছি,
মাতৃবন্দনায় নিবেদিত শক্তি বুকে আগুন জ্বেলেছি।
উৎসব চাইছো? উৎসব ই হবে তোমার দাবি মেনে
উৎসবে বিচার চাইবো উচ্চকণ্ঠে ঘরে বাইরে মনে।।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ । ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
ছবি: ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ।।
##############১৪
আজ বিরাটি তে নেই উৎসাহে কোনো খামতি।
যতোক্ষণ না বিচার পাবো নেবো না কেউ বিরতি।।
দীর্ঘ মিছিলে ক্লান্তি ভুলে
একত্রে বিচারের দাবিতে সব মিশে গেলে
বলো আর কবে বিচার হবে?
কত দিন? আর কত দিন, বলো সবে?
শাসকের ভ্রুকুটিতে ভয় নাই,
মানুষ জাগ্রত, জানি অন্তিমে বিচার পাবোই।
পুনশ্চ: আজ সন্ধ্যের সময়ে বিরাটি তে হয়তো সর্বকালের সর্ব বৃহৎ মিছিল টি সম্পন্ন হয়েছে। হ্যা ঠিক তারপরেই আবার রাত সাড়ে এগারোটায় মানুষ গুলো একসাথে হয়ে জেগে রয়েছে, বিচারের দাবিতে। একদিকে কেউ রাষ্ট্র ও শাসক এর কর্ম পদ্ধতি বুঝিয়ে দিচ্ছে নাটকের মাধ্যমে- ঘুম থেকে উঠে কাজে যাও, কাজ করো, খাও, ঘুমাও এর মধ্যমে বাঁচতে ভুলে যাও।। এই সত্য বার্তা বিরাটির আকাশে ছড়িয়ে পড়লো পথ নাটকের মাধ্যমে। কেউ আবৃত্তি করলেন, কেউ মানুষের গান মানুষ কে জাগ্রত করার, বাঁচিয়ে রাখার গান গাইলেন। আবার কেউ ছবি এঁকে প্রতিবাদ জানালেন। আসলে সবার কণ্ঠে একটাই স্বর - জাষ্টিস ফর আর জি কর।
ওহ, এখন রাত ১:৩২ । আজ থেকে একমাস আগে র অভিশপ্ত ক্ষণ, পিশাচরা তিলোত্তমা কে শেষ করে দিয়েছিল- এখনো বিচার আসেনি কিন্তু!
সমাজ জেগে রয়েছে, রাত দখলের লড়াই চলছে।
বিচার নিয়ে তবে শেষ দেখা হবে।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪। রাত ১:৩৫
https://www.facebook.com/share/p/kU33DaaPYqCvWSYS/
#############১৩
আর কবে?
এইভাবে ভাবতে শিখবে বুঝিনি।
এখন রাত ১০:৫০,রাত দখলে বেরোচ্ছি- আজকের দ্বিতীয় পর্যায়ের জমায়েত। বের হবার মুহূর্তে হঠাৎ দেখি ছোট্ট হাতেএকজন একটা কাগজ এগিয়ে দিলো- আমি জিজ্ঞেস করলাম এটা কি? কাগজে কি আছে এক পলক দেখে ঠাওর করতে পারলাম না। কেমন একটা অপরিণত পেন্সিল এর রেখা দেখলাম।
যাই হোক,সে তখন অতি উৎসাহে বুঝিয়ে দিলো- রাস্তা দিয়ে দুটো মানুষ হেঁটে যাচ্ছে। ছোট মানুষ টা ও, আর বড়ো মানুষ টা মা। এক জনের পিঠে we want justice আর আরেক জন এর হাতে "বিচার চাই"।
আমি জিজ্ঞেস করলাম সামনে ঐ কালো মতো ওটা কি?
গম্ভীর হয়ে বললো - ওটা ঐ দিদি টার কালো চুল। দুষ্টু লোকেরা ওকে কষ্ট দিয়েছে।ও বিচার চাইছে। আর মুখ চোখ কিছু দেইনি, চোখ মুখ দিতে নেই তো! টিভি তে বলেছে!
আমি কনসেপ্ট শুনে একটু নিজের ভিতর থেকে ছিটকে বেরোলাম! এ কি দেখলাম শুনলাম?
এটা তো ওকে কেউ শিখিয়ে দেয় নি, কেউ বলেও দেয়নি। তাহলে? তাহলে কি ভাবে পারলো? কিভাবে ভাবলো!
ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি এগারোটা বাজে। ওহ হ্যা, আসলে এই "সময়" টাই ওকে শিখিয়ে দিয়েছে হয়তো। সত্যি আর কবে?
এইভাবে ভাবতে শিখবে বুঝিনি।
পুনশ্চ: পরীক্ষা আছে, তাই আজ সে যেতে পারছে না রাতের দখলে। কিন্তু তার হাতে আঁকা অপরিণত ছবিতে হয়তো আহ্বান শোনালো ভবিষ্যত এর। ❤✊
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
ছবি : সৌরজ্যোতি ঘোষ।।
https://www.facebook.com/share/p/NdkQ59wY8okqAuTR/
############১২
বিরাটির বিরাট মিছিলে আজ উঠল গর্জন।
আর জি করের বিচার করবো সবাই অর্জন।।
গণ আন্দোলন এর প্রকৃতি আর মাহাত্ম্য কি বলুন তো? মিছিল প্র্তিদিন কিছু শিখিয়ে দেয়।কিভাবে?
এই যে আজ মিছিলে দেখলাম বেশ কিছু সেই সকল মানুষ এসে দাঁড়ালো- পা মেলালো; যাদের প্রথম দিকে এই আন্দোলন মিছিল নিয়ে হয়তো কিছু জিজ্ঞাস্য-উষ্মা ছিলো মনে।
আজ কিন্তু সেই সব মানুষ রাও এসেছে-আসছে, দিনে দিনে জুড়ে যাচ্ছে মিছিলের সাথে মানুষের দলে। সব দিক থেকে আসছে, মনের বাঁধন টুটে বিচার চাইতে আসছে। তাইতো মিছিল দিন দিন বেড়েই চলেছে বহরে। এটাই হয়তো গণআন্দোলন এর মাহাত্ম্য,
তাহলে কি দাড়ালো? -
যদি কেউ ডাক শুনে প্রথমে না আসে! তবে?
তবে তুই তারে বলিস নে কিছু!
আজ যে মিছিলরে পাগল বলে
কাল সে উত্থিত মুষ্টিবদ্ধ হাতে হাঁটবে মিছিলে
সে ,আসবে মিছিলের পিছু পিছু
এই মানুষের বিচারে নেই ভেদ-রঙ নেই উঁচু-নীচু।
সবাই এসে মিলবে আর মেলাবে স্বর
অর্জন করবো জাষ্টিস ফর আর-জি-কর।।
পুনশ্চ : বিরাটি তে একটা বিরাট মিছিল হোলো।
অঞ্চলের প্রায় সব স্কুল টা স্কুল,প্রায় সব স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা, সাধারণ নাগরিক মিলে মিশে সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার লোক এক সাথে আজ মিছিল এ পা মেলালো।
আর হ্যা, আজকে মিছিল এ বিচার এর দাবি টা গর্জন হয়ে আছড়ে পড়লো।
জাষ্টিস ফর আর জি কর।।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ ।। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/136qsyju7RqEzo2z/
###########১১
বিচার চাইছে মনপ্রাণ।
গণপতির সিদ্ধি দান।।
আজকে গণেশ চতুর্থীর দিনে চর্তুর্দিকে ঘরে বাইরে পূজিত হচ্ছেন বিঘ্ননাশক গণেশ। কিন্তু সেই পুজোর উপচার কি এইবার কিছুটা পরিবর্তিত? হয়তো ধার্মিক,কিন্তু বর প্রার্থনায় সার্বিক সমাজের একটাই বৈপ্লবিক স্বর- বিচার চাই আর জি কর।
আজ অনেক গণেশ প্যান্ডেল এ বিচার চেয়ে পুজো হচ্ছে, অনেক যায়গায় বিচার এর গান বিপ্লবের সুরে "আর কবে" ভেসে আসছে। তাই বলে কি ব্যতিক্রম নেই? হ্যা ব্যতিক্রম ও আছে- হয়তো অনেকে অন্য ভাবে প্রতিবারের মতো বন্দনা করছে ,
কিন্তু সেইখানেও কি গোপনে গণে মনের কোণে কোন সে সুর বাজে? আজ তো জনগণ একটাই দাবি নিয়ে বসে আছে,
গণপতি বিরাজ করে তোমার আমার মাঝে ।
বিচার দেবেন দেব আজি,ডাকছি দিন রাত্রি সাঁঝে।।
পুনশ্চ: প্রকৃতপক্ষে, যুগে যুগে যখন বিচারের দাবি ওঠে ঠিক তখন বিপ্লব আর ধর্ম একহয়ে যায়। যেকোন ধর্ম ই এসেছে সমাজ কে পরিবর্তন করতে, পরিবর্তন হয়েছে বিপ্লব এর মাধ্যমে সমাজ এর উন্নতি করতে। এখন উদ্দেশ্য এক হলেও ব্যবহার কারী যদি ধর্ম এবং বিপ্লব কে ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার করে দুই সহোদর নিজেদের শত্রু বানিয়ে ফেলে। ধর্ম হোক বা বিপ্লব দুই এর উদ্দেশ্যই মহত, দুইই অগ্নি সম পবিত্র।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ । ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/K1JKrNqKmE5mbiPW/
##########১০
যে হাত অসীম শক্তি পেশী তে তিন চাকা ঠেলে
পৌছে দেয় দৌড়ে ঘেমে সকল দূরত্ব অবহেলে,
সেই হাত গুলো ও এক হয়ে আজ বজ্র মুষ্ঠি তোলে।
হেইও রিকশা; থামবে না আজ; বিচার না নিয়ে।
❤✊
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ । ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/HD4bEu8Y2x6kYYYq/
#########৯
প্রতিবাদের পথ বেয়ে আসুক বিচারে অন্তিম গতি।
জেনে রেখো, গণরাজ্যে জাগ্রত জন-গণপতি।।
বিচার চাই! দাও মোর স্নেহ অবলম্বন ফিরে,
এতো ক্রোধ এতো তেজ দেখালে ঐ ছোট্ট শিরে?
ছিলো সে দ্বারে দাঁড়ায়ে, মাতৃ আজ্ঞা পালনে
শক্তির আঁচল কাঁদে আজ প্রতিরক্ষা বিফলে।
নিজ দোষ নিজে শুধরে, বিচার দাও জননী রে
মুক্ত করো কালিমা হতে নিজেই নিজেরে।
কি? পারবেনা লংঘিতে তুমি জগৎ নিয়ম পতি,
ভেবোনা আজ সন্তান হারিয়ে রইবো শান্ত সতী।
জেগে উঠুক মাতৃশক্তি দশদিক দশপ্রহরে
নিস্তার নেই দেবকুলের, ধ্বংসিব অন্তিম প্রহারে।।
দশমাতা দশদিকে ঘিরে ধরে সংসারে
ত্রাহিমাং রব ওঠে রক্ষো মাগো, দাও প্রাণ নিস্তারে।
ঈশ্বর আপন ভুল বুঝে নতশিরে ত্যাজে অভিমান,
মাতৃ প্রতিবাদে প্রত্যার্পিত হস্তীমুখ প্রাণ।
যবে ধরা তলে, বিচার অতলে গেলে
জ্বলে ওঠো হে শক্তি সব বাধা ঠেলে।
প্রতিবাদের পথ বেয়ে আসুক বিচারে অন্তিম গতি।
জেনে রেখো, গণরাজ্যে জাগ্রত জন-গণপতি।।
পুনশ্চ: প্রতিবাদ হোক চরমে, সেই প্রতিবাদ মিশে যাক জীবনে, পুজো পার্বণে, ঘরে বাইরে সবার মনে। বিচার এখনো আসেনি থাকুক স্মরণে।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ৬ ই সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/RT9hkBvL1SLQt2x4/
########৮
এ শুধু সত্য যে নব প্রাণে জেগেছে
সুপ্রিম তারিখ পে তারিখ এর পরে যখন মনটা ভারাক্রান্ত, তার কিছু পরেই তিলোত্তমা আঁধারে নিমজ্জিত হোলো।
যদিও, সেই সময়ের ঘটে যাওয়া একটি বিশেষ ঘটনা আমি আমার স্মৃতিতে আজীবন রেখে দেবো। কি ঘটনা? - আজ প্রথমবার আমি, আমার পুত্র কে নিয়ে কোনো মিছিলে একসাথে পা মেলালাম- জাস্টিস এর মিছিলে। এতদিন নিয়ে যাইনি, আজকেও নিতাম ই না - একদিকে ষাণ্মাসিক পরীক্ষা চলছে , তার উপর গভীর রাতের ব্যপার। কিন্তু বেরবার আগে হঠাৎ সে বলে উঠল- আমিও আজকে যাবো জাস্টিস মিছিলে। জানি কিছুই হয়তো বোঝেনি, শুধু এটুকু জানে এক ডাক্তার দিদি কে কিছু দুষ্টু লোক খুব কষ্ট দিয়ে মেরে ফেলেছে। চারদিকে টিভি তে বাড়িতে আলোচনায় আর জি কর এর কথা নিশ্চয়ই শুনছে, সেই টা তো আটকাতে পারিনি। এদিকে; জাস্টিস মিছিল এর কথা শুনে তার ও মনে হয়েছে - দুষ্টু দের খুব শাস্তি হোক আর সেটা একমাত্র মিছিলে গেলেই সম্ভব হবে। বাকিটা শিশুমনের উত্তেজনা। যাইহোক যখন দেখলো মা-বাবা-কাকাই-ঠাম্মি সবাই রাতের মিছিলে যাচ্ছে সেও যেতে চাইলো। নেবো কি নেবো না ভাবতে ভাবতে দেখি মা এর হাত ধরে পুত্র রেডি, সবার আগে লাফিয়ে লাফিয়ে এগোচ্ছে। তখন আর কি- এগিয়ে চললাম ! মিছিলের পথে
আহ্বান, শোন আহ্বান,
আসে মাঠ-ঘাট বন পেরিয়ে ....
এ শুধু সত্য যে নব প্রাণে জেগেছে।
পুনশ্চ: রাতের বিরাটি তে একদিকে পথ নাটক, আরেকদিকে মানব বন্ধন, স্লোগান, মিলে মিশে একটাই দাবি- আর জি করে বিচার চাই। আজকে এই রাতেও প্রচুর মানুষ দল মত নির্বিশেষে এক হয়ে দাবিতে সোচ্চার- বিচার চাই ।।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ । ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/DsXTDbCqHKvuRxmA/
#######৭
সবাই সবার ছাত্র আজ সবাই সবার শিক্ষক ।
শিক্ষাগুরু সমাজ এর দাবি বিচার দাও বিচারক।।
শিখছি আমি শিখছো তুমি শিখছে আজ সবাই,
কিভাবে এসব শিখে গেলাম জানি না রে ভাই।
কেউ শেখালো পাশে দাড়াও,
কেউ বা বলে হাত টা বাড়াও।
কোথাও আবার কেউ শেখালো প্রতিবাদের স্বর,
অবাক চোখ তাকিয়ে দেখে আন্দোলন রাতভোর।
নিজের সকল উজাড় করে মানুষ আজ শেখায়
মানববন্ধন মিলেছে ভালোবাসায়-মানবতায়।
মানুষ যবে কোমর বেঁধে মানুষ এর পাশে আসে
সমাজ প্রকৃত শিক্ষক হয়ে একত্রে একসাথে মেশে।
সবাই সবার ছাত্র আজ সবাই সবার শিক্ষক ।
শিক্ষাগুরু সমাজ এর দাবি বিচার দাও বিচারক।।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/oSPqBYx9sn7D5YLm/
######৬
জনগণের মনে আজ দিবারাত্রি আশা অসীম।
তোমার কাছে অন্তিম বিচার চাই, হে সুপ্রিম।।
অপেক্ষার চাদর গায়ে রাতের পরে রাত আসে যায়,
ধৈর্য ক্যালেন্ডারে তারিখ মাপে বিচারের আশায়।
মনের ভিতর উঁকি দেয় শঙ্কার সিঁদুরে মেঘ।
এইবার এটাই কি বিচারের অন্তিম বেগ?
যুক্তির বেড়াজালে বাঁধ মানে না আবেগের স্রোত।
আগামীকাল বিচারে অন্তত, কিছু একটা হোক!
মুখ বন্ধখাম খানি হয়ে যাক তুফান তরবারি,
অপরাধী মুখোশ খুলে সত্য দাড়াক সরাসরি।।
জনগণের মনে আজ দিবারাত্রি আশা অসীম।
তোমার কাছে অন্তিম বিচার চাই, হে সুপ্রিম।।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ । ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
ছবি : ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ।।
##### ৫
বিচারের হোলো খুব অসুখ !
তারিখ পে তারিখ সহ্যের সর্বভূক।।
এক পচা সিস্টেমে,
গান ধরেছে জাস্টিসের
কলের পুতুল কলের গান,
জমলো শুধু অভিমান
বিচার এর হলো খুব অসুখ,
আগামী কাল না, অন্যদিন বসুক?
জনগণে দেখলো আজ, করলো সবই নোটিশ।
সহ্যের সীমা আজ যে মোদের হচ্ছে একে একে ফিনিশ!
রাজার ছেলের ছাড়ের সময় রাত বিরেতে বসতে পারো?
জনগণ ডাকলে তুমি আস্তে ধীরে তারিখ পে তারিখ করো।।
যা পারো তাই করে নাও,
দেখি জন আক্রোশ কিভাবে নেভাও!
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/RxJebhtprnaXGiKx/
####৪
নানা মত নানা পন্থা নানা পথের সন্ধান।
বিচারের দাবিতে দেখো মিলন মহান।।
দেখিয়া বঙ্গে বিচার দাবির ও উত্থান,
দেশ যেনো মানিছে বিস্ময়!
আজকে বামেদের মিছিলে একটা বিস্ময়কর বিষয় নজরে এলো। হঠাৎ দেখলাম যখন মিছিল এগিয়ে চলেছে পাশে বাড়ির ছাদে মা-বোন-মেয়েরা হাত মুঠো করে বিচার এর দাবিতে সোচ্চার হচ্ছে। এঁরা কেউই হয়তো কোনোদিনও বামে দের ভোট দেয়নি কিংবা সমর্থক ও ছিলেন না। (বামেদের বর্তমান অবস্থায় শহরে বোঝাই যায় তেমন হয়তো জনসমর্থন নেই -শেষ কয়েকটি ভোটের নিরিখে)।
তবুও বামের মিছিলে কিভাবে তারা নিজের মনে করে নিলেন? পাশে দাড়িয়ে মনোবল যোগালেন!
আসলে সময়ের থেকে বড়ো ও মহান শিক্ষক হয়তো কিছুই হয়না। আজকে বামদের বিশাল মিছিল এ বিচার এর দাবি দেখে হয়তো মা মেয়েরা ভিন্ন রাজনৈতিক আঙ্গিক থেকেও ভরসা পেয়েছে সমর্থন যোগানোর। ওহ, না শেষ না! এর পরে আরেকটা বিস্ময়ও আছে-
এইবার এক রাজনৈতিক দল এর আসল শক্তি উন্মোচিত হোলো! ব্যারিকেড এর সামনে এসে দাড়ালো মিছিল। উল্টো দিকে প্র্স্তুত পূর্ণ শক্তির পুলিশ প্রশাসন। দুই তরফে শক্তি প্রদর্শন শুরু হোলো। মুহূর্তের মধ্যে দেখলাম ব্যারিকেড টা যাস্ট উড়িয়ে দিয়ে পুলিশ কে সরিয়ে দিয়ে বামেদের মিছিল এগিয়ে চলে গেলো!
বুঝলাম রাহুল দ্রাবিড় এর স্টাইলে শান্তিপূর্ণ মিছিল দেখতে দেখতে হঠাৎ বোধহয় বীরেন্দ্র সেওয়াগ এর রগরগে স্টাইল এসে গেলো আজ! মহাত্মা গান্ধী র অহিংস আন্দলন এর পাশে হয়তো সুভাষচন্দ্র ভগত সিং - এর আগুনে বিপ্লব এর ঝাঁঝ, ঝলকানি বেরিয়ে এলো মিছিলে!
এই আগুন ঝলক টাও দরকার, সেটা বাঁচিয়ে রাখা হোক ডি-ডে র জন্য- হিটলার এর বার্লিন পতনের জন্য! সেই দিন পতাকা টা কিন্তু রেড আর্মিই তুলেছিল!
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ।। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
বাম এর মিছিলে মা-মেয়ে বোন দের বিচার চাই এর লিংক(ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত)
https://www.facebook.com/share/v/tEkcwtEWzcvpVAkp/?mibextid=oKfgLb
https://www.facebook.com/share/p/posq7dGt3hTNCGys/
### ৩
আজ শহরে মহা মানবের মাঝারে।
মেলাবে-মেশাবে আসবে সবাই ন্যায় এর বিচারে।।
হেথা, ব্যারিকেড বিভেদ ভুলে পুলিশ এসে দাড়ায় পাশে।
ছোট্ট পুঁজির চা বিক্রেতা পেট ভরায় ভালোবেসে।।
ডাক্তার তখন বিচার চেয়ে ঘামছে রৌদ্র রাস্তায়।
কাগজের পাখা নিয়ে হকার হাজির সঙ্গে প্রাণের হাওয়ায়।।
কেউ বা দিচ্ছে কেউ বা নিচ্ছে, কেউবা শুধুই দেখছে।
মিছিল খূঁজে মিছিলের পাশে দাঁড়াতে আজ সবার মনে ইচ্ছে।।
শহর গ্রাম বিভেদ ভুলে দিচ্ছে সবাই একটিই ডাক।
আজ আমাদের তিলোত্তমা সঠিক বিচার পাক।।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ৩ রা সেপ্টেম্বর ২০২৪।।
##২
কান টানলে ,
না মাথা আসে না, উহুঁ মাথা সহজে আসে না।
টানের জোর থাকলে প্রথমে মাথা ব্যথা পায়,
টানের জোর যদি ক্রমশ বৃদ্ধি পায় তখন মাথা নিজেকে বাঁচাতে চায়।
যদি দেখে টান ভয়ংকর তখন মাথা নিজেকে বাঁচাতে কান টাও কেটে দেয়,
তারপর? কানকাটা র লজ্জা নিয়ে হয়তো ঘুরে বেড়ায়!!
ওহ হ্যা মাথা রা পালায়, কিন্তু ধরা দেয় না!
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
https://www.facebook.com/share/p/Y6aVQHjVdNHnW4df/
#১
হারাধনের একটি গেলো,রইলো বাকি ..
"জ্য়দ্রথ বধ" ! ওহ, প্রথম দিন একটা বলির পাঠা কে ফাঁসি দিয়ে দিলে তো এই সব আর কেউ দেখতেই পেতো না, তাই না? তাই একজন বলে "দিয়ে দিন একটা কে ধরে ফাঁসি"! আরেকজন বলে "এনকাউন্টার করে দেই"!
আর অন্যদিকে চাকরী র পর চাকরী দিচ্ছে, প্রাইজ পোস্ট দিয়ে গেলো প্রশাসন।
আরো কতো কি করে দেবে ভেবেছিল,
ছাড় পেয়ে যেতো এই সব রাঘব বোয়াল রা!!!!! পেলো কি ছাড়?
প্রথম বিচার হোলো, বাকি বিচার চাই!!
সেপ্টেম্বর ২
https://www.facebook.com/share/p/qzGxWpqNpf8gKM7u/
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন