পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সময়ের সাথে একটু-একটু করে এক-একটা বছরের দুটো কথা .. শুভ জন্মদিন

ছবি
সময়ের সাথে একটু-একটু করে এক-একটা বছরের দুটো কথা ..  ১ ।  তখন তোমার মাস্টার্স এর সময়। সাগর অতিক্রমে নব উদ্যমে নব যাত্রার অপেক্ষায়।।  ২ । সেদিন ছিলো বছর শেষ এর রাঙা চৈত্রমাস। নতুন ব্যাচের বায়োলজি দিদিমনি রূপে হোলো আত্মপ্রকাশ।।  ৩। সিঁথির সিন্দুর আর পশ্চিমবঙ্গে সিঙ্গুর, ভবিষ্যতে প্রভাব সুদূর।। ৪। দিদি নম্বরে কোনো এক যুগে যাওয়ার সুযোগ হোলো। অপেক্ষা করে, "এইবার বলো"। ৫ । কত না পরিশ্রমে আমার, এ জীবন ধন্য হোলো। বহু যুদ্ধের পরে নতুন রূপে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন অর্জিত হোলো।।  ৬ ।আমি চিনি গো চিনি তোমারে ওগো বিদেশিনী, তোমায় দেখেছি বৃটিশ মিউজিয়মে তোমায় দেখেছি ট্রাফলগর স্কোয়ারে।।  ৭। এসব কি দেখলাম , ইস!! উরিব্বস, এটা লস ভেগাস!!! ৮। এ জীবনে যতো "টুকু" চেয়েছি।   মনে হয় সব পেয়ে গিয়েছি।। ৯। যখন সময় থমকে দাড়ায় । অসম্ভব চ্যালেঞ্জ নিতে মন সায় দেয়।। ১০। শ্বেত-শুভ্র মনে , এই হাসির স্পর্শ থাকুক প্রতিক্ষণে।। ১১। আনন্দিত মুহূর্তক্ষণ- শুভ জন্মদিন ফিরে ফিরে আসুক...

যে জন "করে" র ভার বোঝে না।সোস্যাল-সিকিউরিটি ছাড়া "মাঝখানে" তার লেনাদেনা।।

ছবি
আজ উত্তমকুমার এর মৃত্যু দিন, ঠিক আছে ওনাকে স্মরণ করে প্রণাম করে অধমের সাথে ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে তফাতে থাকতেই পারেন। ওহ, বুঝলেন না? আপনি তো মধ্যম, ঐ তফাতে চলতে একটু ভালোবাসেন। তা আমার-আপনার মতো দেশের এই তফাতে চলা শ্রেনী টাকে "নির্মল" সুরে মধ্যবিত্ত বলে ডাকে। আচ্ছা বলুন তো দেশে এখন মধ্যবিত্ত কি ভূমিকা পালন করে ? ভেবে দেখলেন? হ্যা ঠিক ভেবেছেন!  দেশে মধ্যবিত্তের অবস্থাটা উইকেট কিপার এর মতোন- থ্যাঙ্কলেস জব। সারাজীবন উবু হয়ে বসে ব্যাকআপ দিয়ে যাচ্ছে দেশ কে। ভেবে দেখুন তো এই শ্রেণী টা কিন্তু দেশে সব থেকে বেশী নিয়ম-আইন-কানুন মেনে চলে, নিয়ম করে আয়কর প্রদান করে- নিয়ম করে সেই কর দেওয়ার পরে উন্মুক্ত নিজস্ব টাকায় আবার অন্য "করে" রা যাতে পুনরায় ঘুরে ফিরে ভাগ বসায় সেই কথাও ভাবে। ঐ যে নির্মলার প্রথম গতি সূত্র- সঞ্চয় করলেও কর দাও, সঞ্চয় না করলে?তখন আসবে করের নিত্যতাসূত্র- খরচ করবে? হ্যা তাতেও দাও কর - দাও, খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের কর, দাও বস্তু সামগ্রী কর।ওদিকে মধ্যবিত্ত র প্রিয় রিংটোন বেজে ওঠে - "আরো অরো প্রভু আরো, এমনি করে আমায় মারো"। প্রভু নির্মল চিত্তে নির্মম লাল ফাইলে...

হাসিনা মান যায়েগি!

ছবি
আচ্ছা,ওদের আমরা মৌলবাদি বা আরো অনেক কিছুই তো ভাবি- বলি। এবং ওদের কথা ও ভাবনাতেও ওরা হয়তো তাই প্রমাণ করে। সবাই না, তবে সিংহভাগ কলাগাছ কে বন্ধু হিসাবে ভাবে। তবুও বলতে হচ্ছে বাংলাদেশ এর সেই ছাত্র রা (সে পেছনে যে মৌলবাদ বা অন্য যে ইন্ধনই থাক) লড়ে অর্জন করলো এক যুগান্তকারী অধিকার! যুদ্ধের ৫০ বছর পরে ৫٪ মুক্তিযোদ্ধা সংরক্ষণ হয়তো ঠিক আছে। +৩০% কোটা একটা দেশের অগ্রগতির পথে প্রধান অন্তরায়! অনেক রক্তাক্ত লড়াই এর পরে শাপমোচন হোলো বাংলাদেশের। মেনে নেওয়া হোলো ৯৩% মেধা❤👌 ভিত্তিক নিয়োগ। আচ্ছা,এরকম একটা ঘটনা কিন্তু আমাদের দেশেও হয়েছিল রিসেন্টলি। আমাদের দেশে কৃষি আন্দোলন টা এরকম হয়েছে। সরকার কে বাধ্য করেছে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে। ওহ না ওদিকে তাকাবেন না। না-  শিক্ষা-চাকরী নিয়ে আমাদের অতো মাথা ব্যথা নেই। দুর্নীতি দূর করতে আমাদের শুধু "চলছে-না চলবে না" বলবো। দুই একটা সভা-মিছিল হয়তো হবে। ও যারা বসে আছে বসে থাক, ওরা চাকরী পাচ্ছে না তো আমরা কি করবো। ওদিকে আকাশ থেকে একটু টুক করে যদি নেবে আসে আশা উষা ভোররাতে ভাবছি মোরা-   ইশ্শ ৯৩% মেধার ভিত্তিতে সংরক্ষণ যদি ভারতে হোতো- কি যে করছে সরকার!! এইরে...

গুরু ভার ,ছাত্র মাঝে প্রকাশিত আলোক পূর্ণিমা র।।

ছবি
"স্যর আপনি সত্যি চলে যাবেন আমাদের ছেড়ে?" - হতাশ সুরে ক্লাস টিচার অজয় স্যর কে উদ্দেশ্য করে বলে উঠল পল্লব। স্কুলছুটির পর স্কুলের গেটের বাইরে স্যর এর সাথে দেখা হোলো অবশেষে। বদলীর নির্দেশিকা সূত্রে অন্য স্কুলে চলে যেতে হচ্ছে অজয় ব্যানার্জি কে। শেষবারের মতোন জীবনের প্রথম কর্মক্ষেত্র প্রথম স্কুল থেকে বেরিয়েই ক্লাস নাইন এর পল্লবের সাথে দেখা হয়ে গেলো। পল্লব হয়তো অপেক্ষা করছিলো।এমনিতে ছেলেটা চুপচাপ ,কিন্তু বেশ বুদ্ধিমান-ধীর-স্থির; ক্লাসে প্রথম হয় নিয়মিত। ছেলেটা সত্যি কষ্ট পাচ্ছে, তাই নিভৃতে দেখা করবে বলে দাড়িয়ে আছে। অজয় এগিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে পল্লব কে বললো- "কি করবো বল সরকারী নির্দেশ। আমার ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই।" - আরো কিছু বলতে উদ্যত হয়েও থমকে যেতে হোলো অজয় কে - দেখতে পেলো হন্তদন্ত হয়ে বিপ্লব দৌড়ে আসছে ওদের দিকেই। এই আরেকটা ছেলে- সর্বদা বনবন করে ঘুরে চলেছে, পড়াশুনায় ভালোই ,প্রথম না হলেও দুই থেকে পাঁচ এর মধ্যে ঘোরে। কখনো সখনো আবার দশের বাইরেও চলে যায়। কিন্তু ক্লাসের মধ্যে সব বিষয়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, হ্যা মারপিট ও করে আবার ক্লাস মনিটর এর গুরু দায়িত্বভার ও ওর ই কাঁধে। যা...

পুরী তে ঘুরি: পর্ব : ৫(প্রকৃতি মাঝে জগৎ এর নতুন রূপ। প্রকৃতির শব্দ, প্রকৃতির আলো)

ছবি
পর্ব:৫ প্রকৃতি মাঝে জগৎ এর নতুন রূপ( ভিডিও ও ছবি )। প্রকৃতির শব্দ, প্রকৃতির আলো।। ১। এক নীল ভোরে:  তখন সকাল হবে হবে । সকাল চারটে কিংবা সাড়ে চারটে: হোটেল এর জানালা র পর্দা সরিয়ে দেখি এক অপরূপ নীলকায় আবেশে প্রকৃতি নিজেকে মুড়ে ফেলেছে। অনেক দূরের জেলে নৌকার আলো জ্বলছে নিভছে অথৈ নীলচে কালো  পারাবার হতে। এ কি রূপ দেখলাম সেই প্রভাতে?  একি নীলকণ্ঠের গরল বয়ে চলেছে পাপ-পুণ্যের স্বর্গদ্বারে- নাকি এ এক প্রাচীন দেব নীলমাধব উদয় হোলো নবারূণের আগে।  ২। এক পূর্ণিমার রাতে:  নিমেষ কালো পারাবার, তার মাঝে মাথার উপরে পূর্ণিমার পূর্ণ চন্দ্র। কালো র মাঝে জগৎ এর স্নিগ্ধ আলো । এই রূপে কি পুরী ধামের গৃহী ধরা দিলেন প্রকৃতি মাঝে। কালো আঁধারে পূর্ণ পূর্ণিমায় অবগাহন করে সমুদ্র মাঝে স্নান যাত্রা পূর্ণ হোলো।। ৩। এক বিকেলে :   স্নানের পরে সোনালি ঝলকে অভ্রভেদী মুকুটে প্রকাশিত তব আহ্বান বাণী-  মহারাজ ও একি বেশে এলে আলোক মাঝে। স্বর্গ রথ ছাড়িয়ে, এলে মানব মাঝে মানব হয়ে মিলে মিশে।। ৪। জয় জগন্নাথ : ৫। ঘনশ্যাম

যৌবনের উপবন - প্রথম পর্ব সমাপন।আজ কেউ চলে গেলো, কেউ আগামী তে যাবে।সময়ের কোলে নতুন কুঁড়িগুলো আবার বেড়ে উঠবে- শুধু বয়স এক কুড়ি বেড়ে যাবে ।।

ছবি
যৌবনের উপবন - প্রথম পর্ব সমাপন। আজ কেউ চলে গেলো, কেউ আগামী তে যাবে। সময়ের কোলে নতুন কুঁড়িগুলো আবার বেড়ে উঠবে- শুধু বয়স এক কুড়ি বেড়ে যাবে ।। এই ইউরো এই বিশ্বকাপ এর শেষে সমর্থিত টিমের জয়- পরাজয়ের আনন্দ-হতাশার শেষেও একদম শেষে একটা বিষয় রয়ে যায়। এটা একদম সবার জন্যই রয়ে যায়- কিছুটা বিষাদ,কিছুটা স্মৃতি কিছুটা আবেগ নিয়ে একটা দলা পাকানো অব্যক্ত অনুভূতি। অনেক আবেগ এর নায়কদের অবসর। হঠাৎ, আয়নায় নিজের চেহারা টা ফুটে ওঠে। সেই দর্পণের গজিয়ে ওঠা কাঁচা পাকা চুল, একটি সুন্দর ভুড়ি জানান দেয় এক কুড়ি- দুই কুড়ি বয়স পেরিয়ে চলেছে। না, গুপি বাঘা রা ফিরে আসেনি ভূতের রাজার বরে। কিন্তু কিছু বাস্তব গুপি বাঘারা জ্যান্ত ছিল সে আজকের মধ্যবয়স বা যুবার কৈশোর-শৈশব কে প্রতি চার-দুই-এক বছরে বারংবার ফিরিয়ে আনতো। নেই, আজ থেকে তারা আর নেই, এইভাবেই এদের পূর্বসুরী রাও নেই। এদের ভবিষ্যত ও থাকবে না। শুধু থেকে যাবে এক কুড়ি কালে এদের মাধ্যমে এক বিশাল সংখ্যক মানুষের বেড়ে ওঠা । এরা গোল করলে বা সেভ করলে, উইকেট নিলে ছয় মারলে মনে হওয়া মাঠেই আছি-  খেলছি; সেই শৈশব কৈশোর এর কুঁড়ির মাঝে ভার্চুয়ালি স্বপ্নে ঘুরছি। আমরাও খেলছি- বন্ধ...

"এ মণিহার আমার নাহি সাজে।আরো ডাক্তারি বিদ্যা শিখলে কাজে লাগবে সমাজে।।"

ছবি
পরীক্ষায় ডাক্তারির সব বিষয়ে প্রথম,স্বর্ণপদক এর দোরগোড়ায় দাড়িয়ে সেই মহিলা শুনতে পেলো- "মেয়েরা ডাক্তারি পড়তে আসার আগে থেকে এই স্বর্ণপদক শুধু ছেলে রাই পেয়ে এসেছে। তাই কোনো মহিলা প্রথম হতে পারে, কিন্তু প্রথম পদক এর সম্মান সে পাবে না! এটা শুধু ছেলেদের পদক" - ভাবতে পারছেন দাবি টা কিরকম? আজকাল নিট-স্লেট-চাকরীর পরীক্ষাতে যদি চুরির কথা বলা হয় তাহলে এই ঘটনা টাকে কি বলবেন?- দিনে দুপুরে ডাকাতি। আহা, না তেমন চিন্তার কিছু নেই এখন সমাজে চুরি টাই শুধু হয়! শিক্ষা ডাকাতি টা হোতো, পাস্ট টেনস। হয়তো একশ বছর আগেই হোতা । তা এই চিকিৎসক দিনে হঠাৎ এই বিষয়টা উত্থাপন করলাম কেনো বলুন তো? আসলে একজন কে আজকে সসম্মানে বন্দনা করব - হ্যা তিনিও ডাক্তার। বিখ্যাত। দেখুন তো চেনেন কি না?  উপরের ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রথম হওয়া মহিলার উত্তর টাও শুনবেন? আচ্ছা তার আগে ওনার পরিচয় ব্যক্ত করি। উনি ১৮৮৬ সালে পূর্ববঙ্গে জন্মেছিলেন, বারো ভুইয়ার বিখ্যাত প্রতাপাদিত্যের বংশধর। প্রচন্ড স্মৃতিধর ইনি ভাইদের সাথে শৈশবে পড়ার অনুমতি পান নি, ভাইরা সুর করে যা পড়ত উনি অক্ষর না জেনে শুধু শুনে-শুনেই খুব শীঘ্র তা বুঝে নিতেন । তৎকালীন পরিবার ...