পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বর্ষশেষে হর্ষে হেসে আসে হ্যাপি নিউ ইয়ার।বছর-বছর লড়াই করেন ভীষ্ম আর গোপাল ভাঁড়।।

ছবি
নতুন বছরের দোরগোড়ায় এই সব কি লিখছি বলুন তো ? ভীষ্মের সাথে নাকি গোপাল ভাঁড়ের লড়াই হচ্ছে। লড়াই-যুদ্ধ এই সব ক্ষেত্রে ভীষ্ম হলেন প্রণম্য। তাও তাঁর সাথে যদি অর্জুন-কর্ণ বা নিদেন পক্ষে কোনো এক বিখ্যাত ঐতিহাসিক সমর বিশারদ সেনাপতিকেও যুযুধান দৃশ্যে স্মরণ করতাম তাহলেও না হয় তুলনাটার হয়ত ভারসাম্য সম্মান দুইই রক্ষিত হোতো। কিন্তু না,হাজার চেষ্টা করলেও মন বারংবার ভীষ্ম এর সাথে গোপাল ভাঁড় কেই লড়তে দেখছে মানসপটে, উফ্ফ সে কি অত্ভুৎ দৃশ্য বলুনতো?ওহ, এই কল্পনা গুলো কি ভাবে যে আসছে সেটা জানতে চাইছেন? হ্যা, তাই তো! আপনাদের এই বিষয়টি অজ্ঞাত রেখেই এই লড়াই এর অবতারণা করে চলেছি! আচ্ছা, সংক্ষেপে তাহলে একটু চেষ্টা করি আপনাদের কাছে এই গুরুতর বিষয়টা পৌছে দিতে! বছরশেষের হিসাব মিলিয়ে দেখছিলাম ,ঐ যে দুয়ারে ইয়ার এসে গেছে- নতুন ইয়ার ।এই হিসাবের মঝে হঠাৎ দেখি একটা বার্তা ঢুকেছে মনের মুঠোফোনে। সেই বার্তায় আমাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হেডিং: প্রথম লাইন - "আপনি এই বছর আপনার ক্রেডিট ডিফল্টার হয়েছেন।" আমি হঠাৎ বার্তার হেডলাইন দেখে হতচকিত হয়ে ভাবলাম: "আরে, একি বলছে! কোথায় আবার এই বছর কি লোন নিলাম আর তা শোধও করিন...

আমার মুক্তি আলোয় আলোয়।। (পাঠ প্রতিক্রিয়া: দ্রোহকাল স্রষ্টা : ইন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়প্রকাশনী: #সৃসৃক্ষা পাবলিকেশন)

ছবি
সেদিন দুটো গভীর মনস্তাত্ত্বিক বাক্য বুঝিয়ে দিয়েছিল সেই মানুষটি নির্দিষ্ট বিশেষ কোনো একটি গোষ্ঠীর জন্য আসেননি, তিনি এসেছেন আরো বৃহ্ৎ- মহৎ কর্ম সাধনায়! তাই তো সহজেই জটিল সমস্যার দূরীকরণে ব্রতী হয়ে সেদিন বলেছিলেন - "সিজার এর যা প্রাপ্য তা সিজার কে ফিরিয়ে দাও, জিহোভার যা প্রাপ্য তা তাঁকে ফিরিয়ে দাও" । কিন্তু দুটো বাক্যই দুই ভাবে গৃহীত হয়েছিল সেদিন, শুধু দুই ভাবে বললে হয়ত সঠিক উপস্থাপন হয়না বরং বলা যেতে পারে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী ভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল। প্রথমপক্ষ: ইহুদিরা ভেবে ছিল-  "ছি: , শেষে শাসক রোমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ না করে ইহুদি জাতীয়তা বোধ এর বিনাশ করলেন উনি। সোজাসুজি বলেই দিলেন সিজার কে অর্থ-প্রাপ্য খাজনা দিয়ে দাও। এই কি আমাদের পুনরুজ্জীবন এর মসিহার মুখ নি:সৃত বাণী! এ আমাদের নেতা হতেই পারে না, এর মাধ্যমে মুক্তি নেই!নীরবে একেই আমরা মুক্ত করে দেই। এই বিশ্বাসঘাতকের শাস্তি মৃত্যু! ওদিকে আবার দ্বিতীয়পক্ষ শাসক ও পুরোহিত শ্রেনী ভেবেছিল : তিনি আজ সরাসরি কর প্রদান থেকে বিরত করছেন ইহুদি সমাজকে! প্রকৃত সম্মান ইহুদি দের উপাস্য জিহোভাকে ফিরিয়ে দিতে চাইছেন। করদ-শাসিত এই ভূভাগ এর জনস...

তুমি দেখো নারী-পুরুষ?আমি দেখি শুধুই মানুষ।।

ছবি
এই প্রশ্নটার বয়স কত জানেন? ঐ ধরুন, প্রায় ১৩৭ বছর! তবু সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এখনো খুঁজে চলেছে সময়ের পথ ধরে। অবাক হচ্ছেন যে কি এমন প্রশ্ন- যার উত্তর এত দিনেও পাওয়া গেল না। একি গণিতের কোনো বিষম ধাঁধা ;নাকি বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল এর মতন কোনো রহস্যজনক অধ্যায়! আসলে এটি হোলো সেই প্রশ্ন যা যুগে-যুগে স্রষ্টা কে তার সৃষ্টির থেকে পৃথক করে রেখে নিংড়ে নেয় মনে প্রাণে। তবুও স্রষ্টা নিরলস ভাবে সৃষ্টি করে চলে। তাইতো, আজ নাটকের শেষ অঙ্কে অভিনেত্রী হতাশভাবে তার নামাঙ্কিত অপ্রকাশিত থিয়েটার এর নেমপ্লেটটি নীরবে স্পর্শ করে যবনিকা পতন কালে সেই প্রশ্ন টিই পুনরায় সপাটে ছুড়ে দিলেন-  "তাঁকে দেখতে, তার অভিনয়ে মোহবিষ্ট হয়ে বার বার ছুটে আসা সম্ভব হলেও সেই সমাজই অভিনেত্রীর নামে থিয়েটার সংস্থার নামকরণ মেনে নিতে পারল না কেন?"। হয়ত, সমাজ তাঁকে সেদিন উত্তর দিয়েছিল এবং শরশয্যায় অসহায় শরবিদ্ধ করেছিল তার পেশা এবং নারীত্ব কে শিখণ্ডী বানিয়ে; সেই প্রচলিত ধারায়। সে নারী, সে প্রথম যুগের অভিনেত্রী; সে পর্দা সরিয়ে সর্বজনের সন্মুখে উন্মুক্ত, সেই জন্যে সে সমাজে চর্চিত হলেও তার নাম প্রতিষ্ঠান হবে চিরবর্জিত। এরপর সে কি করেছি...

g এর মান : "গল্প হলেও সত্যি"!

ছবি
সেই ছোট্ট g টার কথা মনে আছে আপনাদের?  সেই যে ক্লাস সেভেন এইট থেকে যার সাথে পরিচয়  হয়েছিল- মাঝে কয়েক বছর হয়ত নিরুদ্দেশ ছিল- যাক, তাকে আজ আবার খুঁজে পাওয়া গেলো- অনেকদিন পরে সে পুনরায় মনের মানে ফিরে এলো। আসলে বেশ কয়েক বছর- থুড়ি যুগ ধরেই দেখছিলাম দাক্ষিণাত্য বাতাসে g এর মান ট্রেন্ডস টু জিরো: ফলে চিল ওড়ে- পক্ষী ওড়ে করে হিরোর ছোট্ট টোকায় সিনেমার ভিলেনও ওড়ে! ওহ, এইবার আপনি নিশ্চয়ই বুঝেগেছেন সেই g এর পরিচয়; ভৌতবিজ্ঞান-পদার্থবিদ্যায় নিউটনের অনুপ্রেরণায় বিরাজমান সেই অভিকর্ষজ ত্বরণের কথাই বলছিলাম ছোট্ট জি এর নামে - পৃথিবী যে শক্তি হারে আমাদের নিজের বাস্তবের মাটিতে টেনে রাখে সেইটাই যেন ফিরে পেলাম আজ । কিভাবে? ঐ যে ডাঙ্কি দেখতে বসেই অনুধাবন করলাম g এর মান আবার ৯.৮১ এর আশেপাশেই ফিরে আসেছে: গল্পের গরু ঘাস ই খাচ্ছে; নারকেল বা বট গাছের মাথায় বসে নেই। না , আজকে কোনো মানুষই আরশোলার মতন স্বল্প উড়ে ডিগবাজি খাচ্ছে না; বরং উপলব্ধি করলাম একটা হারিয়ে যাওয়া বাস্তব অতীত সত্য ঘটনায় ভর করে ফিনিক্স পক্ষীর মতন ভেসে উঠছে: গল্প নির্ভর চিত্রনাট্য । আজও যেমন থ্রি ইডিয়টস-লক্ষ্য-লগান-স্বদেশ-পিকে-মাই নেম ইস খা...

অলিন্দের আলোয় ৮ই ডিসেম্বর

ছবি
আজকে বৃষ্টিস্নাত আকাশভারের আবহে দিনটা অতিক্রান্ত হোলো কালচে আঁধারের দরজায় কড়া নেড়ে। নিন্মচাপের অকাল বর্ষণে ফসলভাসি কৃষক এর বুকফেটে ছিটকে বেরিয়ে আসা আর্তনাদের ধোঁয়াশার চাদরে মুড়ে সেই বিশেষ দিনটাতে প্রবেশ করছি সবাই; কালের নিয়মে ক্যালেন্ডারে আগামীকাল ৮ ই ডিসেম্বর! আচ্ছা,কি হয়েছিল বলুন তো ৮ই ডিসেম্বর ? হয়ত অনেক অনেক কিছুই হয়েছে বছর বছর ধরে। তবুও তার মধ্যে একটি ঘটনা ধ্রুবতারার মতন উজ্জ্বলরূপে সসস্মানে বিরাজমান। তাহলে চলুন, সময়ের সরণি ধরে একটু-আধটু করে প্রায় ৯৩ বছর পিছিয়ে যাই। আস্তে আস্তে পিছনের টাইম ট্রাভেলে তাকিয়ে দেখি কি এমন ঘটনা- ১৯৩০ এর অন্তিম মাসে দেশ সাক্ষী হয়েছিল সেই অভূতপূর্ব ঘটনার- অগ্নিযুগের ফাইনাল! অনুভবে-গৌরবে-শৌর্যে উদ্ভাসিত বিপ্লবের সেই পর্যায়ের অন্তিম মহাযুদ্ধ! যদিও ১৯৩০ সালটাই  ইংরেজদের জন্য সম্পূর্ণ রূপে বেসামাল ছিল। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার ভাবতেও পারেনি ঐ বছর এমন দুটি ঘটনা ঘটবে যা তাদের অস্তিত্ব কেই বিশাল প্রশ্ন চিহ্ন এর সন্মুখে দাড় করিয়ে দেবে! প্রথম টি ছিল- ১৮ই এপ্রিল ১৯৩০,  মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল- বৃটিশ দের বিরূদ্ধে জালালাবাদের যুদ...

পুত্রের স্কুল পিটিএম এ উৎকন্ঠা ভরপুর।সবশেষে মন ভরিয়ে দিলো স্যাম বাহাদুর।।

ছবি
ঘড়িতে সকাল ৯ টা বেজে ৩৭ মিনিট! বহুযুগ পরে সিনেমার টিকিট এর লাইনে দাড়িয়ে আছি আর বারংবার ভাবছি , কোনটা দেখবো, কোনটা দেখবো? - "এনিম্যাল" না "স্যাম বাহাদুর" উবু-দশ-কুড়ি-ত্রিশ-চল্লিশ চলছে। এদিকে সিনেমার সময় নির্ঘণ্ট জানান দিচ্ছে দুটি সিনেমা সকাল ৯:৩০ থেকেই শুরু হয়ে গেছে! সামনের পরপর দুই তিনটি গ্রুপ নর্মাল ভাবে "এনিম্যাল" এর দিকেই এগিয়ে গেলো। যাই হোক, একজনের পরেই আমার নম্বর আসবে লাইনে। তখনো ভেবেই চলেছি কি দেখি, কি দেখব? সিনেমা হলে এসে জানিও না যে কোন সিনেমাটি দেখতে এসেছি!  বহু যুগের ওপার হতে এই অনলাইনের যুগে, প্রাগৈতিহাসিক ভাবে কাউন্টারে দাড়িয়েই বা  সিনেমার টিকিট সংগ্রহ করছি কেনো বলুন তো? তাহলে খুলেই বলি! আসলে আজ, এই সাত-সকালে কোনোভাবেই তো ভাবিনি যে সিনেমা দেখব! দশ মিনিট আগেও ছেলের স্কুলে গার্জেন হিসাবে পিটিএম এ অংশ নিয়েছি। ভেবেছিলাম ক্লাস টিচার রোহিত শর্মা র প্রাথমিক প্রহারের মতন ধুয়ে দেবে : বিগত তিন-চারটি পিটিএম এ পুত্রের মা "২০০৩-২০২৩" ক্রিকেট ফাইনাল অভিজ্ঞ্তার মতন হতাশা নিয়ে ফিরেছে প্রতিবার। এদিকে আমি, প্রতিবারই "আইটি কর্ম মহাকর্ম- ছুটি নৈব নৈ...