ওঠো ,জাগো ।।
"কিরে বুবাই টিভিতে কি দেখছিস এত মনোযোগ দিয়ে। একবারও মোবাইল স্পর্শ করলি না দুপুর থেকে সন্ধ্যে অব্ধি! ব্যাপার টা কি? আজকে তো কোনো খেলাও সেরকম নেই, তাহলে কি দ্খেলি এতক্ষণ।" নিজের হাতে মোবাইল টা নাড়তে নাড়তে পলাশ সেন ড্রয়িংরুমে ঢোকার মুখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল পুত্র বুবাই কে।
ড্রয়িং রুমে টিভি টা বন্ধ করে বুবাই বেশ উত্তেজিত হয়ে জানালো: জানো বাবা , আজকে একটা মুভি দেখলাম, খুব ইন্টারেষ্টিং !
বুবাই আর একটি বাক্য বলবার আগেই বুবাই এর মা রিয়া মরিয়া হয়ে ঘরে ঢুকল। অগ্নিশর্মা হয়ে বলল : কী!! তুই সারা দুপুর ধরে সিনেমা দেখলি ? কি কাণ্ডজ্ঞান রে তোর ! সামনের সপ্তাহে তোদের ক্লাসটেস্ট আছে । তুই এই করছিস বসে!
আমার আর তোর বাবার মোবাইল আমাদের বিছানায় একপাশে পড়ে আছে দেখে ভাবলাম ছেলেটা ড্রয়িং রুমে বসে তার মানে পড়ছে। কাল রাতে তোর হিস্ট্রি র অব্স্থা দেখে আমার তো হিস্টিরিয়া হয়ে গেছে!! কিচ্ছু পড়িসনি এই কয় মাসে, বলে রেখেছিলাম ইতিহাস টা পড়তে। সে সব না পড়ে তুই নাকি সিনেমা দেখছিস । আর আমি ভাবছি ছেলে বসে পড়ছে দুপুরে । পুরো রবিবার ছুটির দুপুর টা নষ্ট করলি ছি: ছি: বুবাই।
মায়ের বকুনি শুনে বুবাই বেশ থতমত খেয়ে গেছে। ঢোঁক গিলে বলছে: মা ইতিহাস আমার ভালো লাগেনা একদম, সেই কবে কে কি করেছে লড়েছে দিন মাস বছর এর হিসেব শুধু, এই পড়ে হবে টা কি? আমি একদম ইন্টারেষ্ট পাইনা হিস্ট্রিতে।
তবে এই মুভি টা হিস্ট্রি রিলেটেড হলেও বেশ ভালো ছিল জানো মা, আমাদের সিলেবাসেও আছে এই বার এই বিষয় টা: আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ।
বুবাইর মুখের কথা টেনে নিয়ে পলাশ বেশ উৎফুল্ল হয়ে বলল: আমেরিকার স্বাধীনতা সম্পর্কিত সিনেমা দেখলি! কোনটা? মেল গিবসন এর "দ্য পেট্রিয়ট" নাকি?
বুবাই লাফিয়ে বলল হ্যা বাবা। একদম ওটাই। উফফ কি করেছে। এত সুন্দর ভাবে দেখিয়েছে এখন এই দেখো আমি ইতিহাস বইটাই খুলে বসছি। ব্যাপার গুলো বেশ ক্লিয়ার লাগছে। এত দিন পড়ছিলাম কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক ভিসুয়াল করতে পারছিলাম না।
মা পাশ থেকে বলে উঠল: থাক থাক আর শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে হবে না। সিনেমা দেখে সেটা চাপা দিতে এখন আবার মিথ্যেও বলছিস যে সিনেমা দেখে ইতিহাস শিখছিস! দিন দিন বেশ উন্নতি হচ্ছে রে তোর!! আর তোর বাবা তোকে এই গোল্লায় পাঠাবার ব্যবস্থা করছে। কতবার বলছি টিভি কানেকশন বন্ধ করে দাও , সব কিছু থেকে মুখ ঘুরিয়ে শুধু পড়ার দিকে ছেলে নজর দিক তাহলেই হবে। না সেসব তিনি শুনবেন কেন? ছেলের নাকি মানসিক বিকাশ দরকার , নাও বিকাশ করো। বসে দেখলে তো পুরো ছুটির দুপুর টা নষ্ট করল, কতোটা পিছিয়ে পড়ল। সব দোষ এই মানুষটার।
পলাশ আমতা আমতা করে বলল : আহা আমি আবার কি করলাম ?
রিয়া চোখ মুখ লাল করে বলল : তোমার এত আহ্লাদিত হবার কি আছে, দেখলাম তো নাচতে নাচতে জিজ্ঞেস করছ কি সিনেমা!! শাসন করতে না পার চুপ থাকতে তো পারো।
পলাশ মুহুর্তের মধ্যে বলল: ওহ এই ব্যাপার আচ্ছা দাড়াও, তোমার অনেক অনেক সন্দেহ দূর করছি। ও আদৌ কিছু শিখেছে কিনা এক্ষুণি পরিষ্কার হয়ে যাবে। আমি কিছু বিষয় জানতে চাইব ওর থেকে, দেখি সত্যি বিষয়টা হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছে কিনা।
কি রে বুবাই রেডি তো, তবে আমি কিন্তু বই বা তোর পরীক্ষার ইতিহাস প্রশ্নের মতন গতে বাধা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করব না। যদি এই অগ্নিপরীক্ষা তে রাজি থাকিসতো বল ।
বুবাই বলল : হ্যা আমি রাজি। বেশ মজা হবে মনে হচ্ছে।
রিয়া সাথে সাথে বলল: দাড়াও দাড়াও, পলাশ তুমি বই থেকে সিলেবাস থেকে প্রশ্ন ধরবে না তো ওর তাতে কিসে লাভ হবে । নম্বর না পেলে তো পিছিয়েই পড়বে ক্লাসে ? আর ওতো মজা হবে বলে লাফাচ্ছে।
পলাশ একটু হেসে বলল আচ্ছা দেখোই না কি হয়।
ও যদি সত্যি কিছু বুঝে থাকে তাহলে কিন্তু এই টেস্টে উতরে যাবে, পরীক্ষা তেও ভালোই করবে। রিয়া, তুমি একটু সময় ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করো। চল বুবাই শুরু করছি।
বুবাই বলল: ওক বাবা, আমি রেডি।
পলাশ: আচ্ছা আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ যখন হয় দুদিকে মানে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে কাকে দেখলি?
বুবাই: একদিকে আমেরিকার ১৩ প্রদেশ , ওদের সাথে ফরাসী , ওলন্দাজ এরাও ছিল কিন্তু ফোরফ্র্ন্টে ছিল আমেরিকান রা।
আর বিপক্ষে ছিল ব্রিটিশ রা।
পলাশ: বা বেশ বেশ, আচ্ছা বুবাই এইবার বল হঠাৎ করে একটা এরকম মার মার কাট কাট ব্যাপার শুরু হয়ে গেল কেন, মানে প্রথমে তো বেশ শান্তিই ছিল। মৌখিক প্রতিবাদ হচ্ছিল । সভা হচ্ছিল।
বুবাই : যেই দেখা গেল কৃষক পরিবার বেশ সম্ভ্রান্ত হয়েও ঔপনিবেশিক কায়দায় আক্রান্ত , ব্রিটিশ তাদের উপর অত্যাচার শুরু করল তখন বিদ্রোহ চরমে উঠল। অহিংস থেকে পুরোপুরি আক্রমণ এর পথে চলে গেল বিপ্লব। আগেও বাকি কারণ গুলো বর্তমান ছিল কিন্তু উচ্চমধ্যবিত্তের গায়ে যখন অত্যাচার এর আঁচ এসে লাগল তখন তা সর্বাত্মক এক বার্তা দিল আমেরিকান রা সবাই আক্রান্ত। এই বিষয়টাই ঠেলে দিল রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের দিকে।
পলাশ: বা: ,খুব সুন্দর পর্যবেক্ষণ। আচ্ছা এইবার তুই আমাকে প্রশ্ন কর তোকে আমি দুটো প্রশ্ন করলাম। কিন্তু সেরকম প্রশ্ন কর যা তোর কাছে একটু ধোঁয়াশা আছে।
রিয়া মাঝখান থেকে বলে উঠল : মানে, বুবাই তোমাকে কি প্রশ্ন করবে। আর ও বিষয় টা বুঝেছে হয়ত কিন্তু ইতিহাসের দিন কাল ব্যক্তিত্ব কিছুই তো জানতে চাইলে না।
পলাশ একটু গম্ভীর ভাবে বলল: দেখো আলোচনায় প্রশ্ন দুই তরফেই না থাকলে সেটা আলোচনা না হয়ে বক্তব্য হয়ে যায়। ওর যদি প্রশ্ন নাই আসে মনে ও তার মানে মাথার মধ্যে এই বিষয় নিয়ে চিন্তাই করছে না।
আর চুপচাপ গপগপ করে গিললে সেটা হয়ত উগরে দিতে পারবে পরীক্ষার খাতায় কিন্তু সেটা ওর কোনোদিন কোনো কাজেই লাগবে না। ইতিহাস মানে মুখস্থ না,শুধু রাজা গজা বা দিন বছর মাস না।
ইতিহাস মানে অভিজ্ঞতার মোড়কে পরিস্থিতিকে অনুধাবন করা, শিক্ষা গ্রহণ করা। ইতিহাস পর্যায়ক্রমে মানুষ কে শেখাতে চায়; যা কিছু ভূল ঠিক আগে হয়েছিল সেই ভূল ঠিক আজকেও হচ্ছে আবার ভবিষ্যতেও হবে। তাই একবার যদি ইতিহাস কে বুঝে নেওয়া যায় তাহলে কালচক্রের অনেক রহস্য মনে হবে একদম স্বাভাবিক।
ইতিহাস এর এটাই মজা , তোমার অতীতের মাধ্যমে বর্তমান কে বুঝে ভবিষ্যতের দরজা খোলা।
কিরে বুবাই প্রশ্ন করবি না?
বুবাই: হ্যা , বাবা করছি প্রশ্ন; কিন্তু তুমি আজ যে ইতিহাস বোধের কথা বললে সেটা অন্যরকম। ইতিহাস কে ভালো লাগার মতন, ইন্টারেষ্টিং বেশ। যাই হোক আমি তো এই বিষয়টা বুঝলাম না ফরাসী রা কেন সাহায্য করল আমেরিকান দের ?
পলাশ : ভালো প্রশ্ন। আসলে ফরাসী রা নিজদের স্বার্থে বা তার থেকেও আত্মসম্মান এর খাতিরে এই যুদ্ধে সাহায্য করে ।
ফরাসী রা ঐ সময় সপ্তবর্ষ ব্যাপী যুদ্ধে ব্রিটিশ দের কাছে হেরেছে, প্রেস্টিজ একদম কুকারে সিদ্ধ। ভারতেও যায়গায় যায়গায় হেরে উপনিবেশ প্রায় হাতছাড়া হচ্ছে। সুতরাং ফরাসীরা তক্কেতক্কে ছিল কখন কবে ব্রিটিশ দের বিপাকে ফেলা যায়। আমেরিকার এই স্বাধীনতার লড়াইয়ে একটা সুযোগ পেয়ে গেল ব্রিটিশদের শায়েস্তা করবার। প্রচুর অর্থ, সরঞ্জাম রসদ যোগান দিল আমেরিকান দের।
বুবাই: ওহ তারমানে এমনি এমনি করেনি, আমি ভাবলাম ওরা ভালো তাই করেছে।
পলাশ মৃদু হেসে বলল : বুবাই একটা কথা খেয়াল রাখবি, নিজের লোক ছাড়া পৃথিবীতে ফ্রি লাঞ্চ কেউ দেয় না। এটা বললাম কারণ এই বোধটা ইতিহাস শিখিয়েছে।আর স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ এরা সবাই ঔপনিবেশিক এরা দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা তে যে পরিমাণ নিপীড়ণ করেছে সেটা মনুষ্যত্বহীনতার সব থেকে কুখ্যাত ঘটনা, দাস ব্যবসা কে লাগামহীন করে তুলেছিল। যাই হোক সেই কথা আরেকদিন হবে।
তবে আধুনিক যুগের যে তিনটে প্রাথমিক বিপ্লব বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল তার একটা ছিল যার জন্য পরের দুটো বিপ্লব ঘটে। প্রথমে ইউরোপের বিশেষ করে ইংল্যন্ডের শিল্প বিপ্লব, এর একটা প্রভাব ছিল আমেরিকার স্বাধীনতায় আর এই আমেরিকা কে সাহায্য করতে গিয়ে ফরাসী দের এত পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয় সেখানে একটা নতুন ধরনের বিপ্লব ঘটে যায়: ফরাসী বিপ্লব।
বুবাই অবাক হয়ে বলল : কি বলছ বাবা এই গুলো ইন্টাররিলেটেড ছিল!
পলাশ হেসে বলল : হ্যা রে। ইতিহাসে সব রিলেটেড থাকে। তুই ভেবে দেখ হঠাৎ ইউরোপের দেশ গুলোর হঠাৎ আগ্রাসী হয়ে বিশ্ব চরাচর ভ্রমণ এর প্রয়োজন পড়ল কেন ? সেই শিল্পের জন্য কাঁচামাল এর যোগান আর এক বৃহৎ বাজার সৃষ্টি করে বেশী মুনাফা লাভ।
যাই হোক, এর সাথে একটা মজার তথ্য দেই তোকে। এই আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ইংরেজদের সর্বেসর্বা নেতা কে আমেরিকানরা যুদ্ধবন্দী করে স্বাধীনতা অর্জন করে সেই মানুষটাই আমাদের দেশে এসে পরবর্তী কালে গভর্নর জেনারেল হয়ে বসে। লর্ড কর্নওয়ালিশ।
বুবাই প্রশ্ন করল : মানে সেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত? সূর্যাস্ত আইন?
পলাশ উত্তরদিল : একদম তাই রে। সেই কর্নওয়ালিশ।
রিয়া মাঝথেকে বলে উঠল: তারমানে ব্যটা ওখানে ধেড়িয়ে আমাদের দেশে এসেছিল !!! আমি তো লগন এর ঐ রাসেল কে দেখে ভাবতাম যাক আমরা একটার মুখে ঝামা ঘষে পাঠিয়েছিলাম অন্য দেশে।
বুবাই হাসতে হাসতে বলল: একদম সেটাইতো মা, লাইফ মে দুসরি মৌকা মিলনা চাহিয়ে। আর লগান কোনো ইতিহাস না, ওটা মুভি মা। কোনটা ইতিহাস কোনটা মুভি সেটা ঐ মুখস্ত করলে ধরতেই পারবে না, বুঝলে। পিতা পুত্র দুজনেই হেসে দিল।
রিয়া চোখ পাকিয়ে বলল : তাই না? আচ্ছা বল আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস কবে? পরীক্ষায় তো আর তোর বাবার মতন এরকম দিলদরিয়া প্রশ্ন আসবে না। এটার উত্তর দে।
বুবাই এদিক ওদিক তাকিয়ে আমতা আমতা করতে করতে বলল : সেটা তো খেয়াল করিনি মা।
রিয়া মুখ ঝাঁঝিয়ে বলে উঠল :তাহলেই বোঝ তুই কি জ্ঞান শুনলি আর বুঝলি,এইবার পাশই তো করতে পার্বি না রে তুই!
পলাশ সাথেসাথেই বলল: আচ্ছা তুমি বলোতো ওদের স্বাধীনতা দিবস কবে?
রিয়া বেশ গম্ভীর ভাবে উত্তর দিল কেন ৪ঠা জুলাই। পলাশ বলল বা: বেশ ভালো উত্তর দিলেতো। আচ্ছা এইবার বলোতো এই দিন আর কি জন্য স্মরণীয়।
রিয়া বেশ গম্ভীর হয়ে বলল: বিশ্বের শক্তিশালী দেশের স্বাধীনতার থেকেও আবার গুরুতর কিছু আছে নাকি আবার! এর পরেই তো সারা পৃথিবীতে গণতন্ত্রের পথ সুগম করে ।
পলাশ মিটিমিটি হেসে বলল আছে হে বুবাই জননী সে ঠিক আছে, কিন্তু শুধু বিদেশ দেখলেই কি হবে ? একটু স্বদেশের দিকেও ফিরে চাও।
রিয়া অবাক হয়ে প্রশ্ন করল: আমাদের দেশে এদিন আবার কি হল? মনে নেই।
পলাশ হেসে হেসে উত্তরদিল সেই প্রণম্য মানুষটাকে ভুলে গেলে? ঐ তুমি বললে যে সর্বশক্তিধর দেশ সেইখানেই সেই প্রখ্যাত মানুষটা মানে আমেরিকার মাটিতেই দাড়িয়ে সকল দেশের সেরা আমাদের জন্মভূমি ভারতবর্ষের নাম উজ্জ্বলঅরুণ আলোকিত করেছিলেন, ভারতকে সেই পরাধীন যুগে সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, সারা দেশ কে বীরের মতন জেগে উঠতে শিখিয়েছিলেন।
বুবাই রিয়া দুজনেই বিস্ময়ের সাথে বলল: স্বামীজির কথা বলছ!!!
পলাশ ধীরেধীরে বলল : হ্যা ঠিক। ৪ঠা জুলাই স্বামীজির প্রয়াণ দিবস।
জানিস বুবাই স্বামীজির অনেক কথার মধ্যে একটি কথা আমার খুব ভালো লাগে: যদি সত্যি মন থেকে কিছু করতে চাও তাহলে পথ পাবে ,আর যদি না চাও অজুহাত পাবে" ।।
এই দেখ ইতিহাস নিয়ে তোর কিন্তু অনেক অজুহাত ছিল এতদিন ধরে, আবার আজকে তুই নিজেই এক সিনেমা দেখে উজ্জীবিত হয়ে আরো জানতে চাইছিস, এটাই বজায় রাখিস ভবিষ্যতে। কেউ জেগে ঘুমিয়ে থাকলে তার উত্থান হবেনা, তাই ওঠ জেগে ওঠ।।
বুবাই একাগ্রচিত্তে অনুধাবন করার চেষ্টা করল কথাটা, বলল: আমি চেষ্টা করব বাবা , আমার দিক থেকে আমি সব বিষয়কেই আজ থেকে মুক্ত মনে গ্রহণ করব, কথা দিলাম।
রিয়া প্রসন্নচিত্তে চেয়ে রইল ছেলের মুখের দিকে।
©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন