পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হারিয়ে যাওয়া সময়ের ফ্রেমে সাদা কালো ,বছর পনেরো পরে স্মৃতি গুলো বেশ ভালো।।

হারিয়ে যাওয়া সময়ের ফ্রেমে সাদা কালো , বছর পনেরো পরে স্মৃতি গুলো বেশ ভালো।। ভিডিও লিঙ্ক: https://youtu.be/-ByFM27gtKY?si=sq62EQAMIkuIyn8L আজ লোকাল বন্ধু দের হয়াট্স এপ গ্রুপে আড্ডা দিতে গিয়ে হঠাৎ এই ভিডিও টার অস্তিত্ব মনে পড়লো। আমরা ২০০২ মাধ্যমিক, ২০০৪ উচ্চমাধ্যমিক এ বিরাটির ব্যাচ। এই ছবি গুলো তোলা হয়েছিল হয়তো কলেজ লাইফে প্রথম মোবাইল নেওয়ার পরে, তারপর ভিডিও বানিয়েছিলাম ২০০৭ এর দিকে। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সেই কালার ভিডিও সহ মোবাইলটাই চুরি হয়ে যায়। অগত্যা ব্যাকআপে থাকা এই ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট ভিডিও টা ২০০৯ ব্যাঙ্গালোর যাওয়ার আগে নিজের ইউ টিউব একাউন্টে এড করি। কিন্তু, লাস্ট ১৫ বছরে ভুলেই গিয়েছিলাম এইটা এখনো রয়েছে। আজ আলোচনা প্রসঙ্গে উত্থাপিত হওয়ায় মনে হোলো এটা টাইমলাইনে থাক। ছবি গুলো আর নেই, তাই এই ভিডিওতেই সেই সময় টা ধরা থাকুক। পুনশ্চ: এই ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট ভিডিও টা একবার ভাবলাম ভিডিও ai দিয়ে ঠিক করি একদম ঝকঝকে নতুন ভাবে। তারপর , ভেবে দেখলাম না থাক; কিছু জিনিষ তো আর্টিফিশিয়াল না হলেই ভালো। এই ভিডিওতে  কৃত্রিম রঙ লাগলে সেই বছর কুড়ি আগে ফেলে আসা ছবি গুলোর ভিতরের রঙ হারিয়ে যাবে- থাকুক...

বইমেলা ২০২৫ - পাঠপ্রতিক্রিয়া

ছবি
##পাঠ প্রতিক্রিয়া ৪ - বইমেলা ২০২৫ "ঐতিহাসিক রচনাসমগ্র" স্রষ্টা - গজেন্দ্রকুমার মিত্র। প্রকাশক - মিত্র ও ঘোষ পৃষ্ঠা- ১০০৮ কিছু বই পড়ার পরে এই অনুভূতি টা হয়: একসাথে অনেকগুলো মনুষ্যচরিত্র কখন অজান্তে আঁকা হয় ছাপার পাতা থেকে মনের খাতায়।  আচ্ছা, ঐতিহাসিক গল্পের অন্যতম উপাদান কি বলুন তো?আমরা অনেকেই ভাবি ঐতিহাসিক উপন্যাস মূলত বীররসের সাহিত্য কাহিনী নিয়ে অতীত পথে ভ্রমণ-স্মৃতিচারণ। কিন্তু বর্তমান কালে দাড়িয়ে ঐতিহাসিক গল্প বা তার চলচ্চিত্রায়ন দেখলে মনে হয়- ঘুঘু , ঘৃণা বেচতে গল্প প্রকাশ করছে! সে সিনেমাই হোক কিংবা গল্প; শুধু ঘৃণা বিক্রি হচ্ছে! ঠিক এই সময়ে দাড়িয়েই দেখলাম এই  উপন্যাস গুলো বর্তমান কালের কালনাগিনী হিংসা ঘৃণা "বিকৃত" বিক্রি কে সপাট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে!কিভাবে? একদম নিপাট প্রেম-ভালোবাসা দিয়ে। আর সেই ভালোবাসার মৌতাতে তাই কাহানী গুলো হয়ে উঠেছে চিরকালীন। পুরো বই টা শেষ করার পরে যে বিষয় গুলো স্পর্শ করেছে বলে মনে হয়েছে-  ১। নারীর পুরুষ দুইয়ের নজরেই প্রত্যেকটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রচিত সমান ভাবে আলোচিত।  ২।প্রত্যেকটি উপন্যাসেই প্রেম, ভালোবাসা অন্যতম চালিকা শক্তি। আজকাল ঐতি...

রঙযুদ্ধের ইতিহাস

ছবি
১। রঙযুদ্ধের ইতিহাস ২। যুদ্ধের শুরুতে পুতিন কাকাই জেলনেস্কি ভাইপো কে উসকে দিয়ে বললো কাল সকালে ঘুম থেকে ওঠ, একদম বার্নিশ করে দেবো রঙ দিয়ে। জেলনস্কি র অঙ্ক পরীক্ষা বাকি, তাই যুদ্ধে নামবে কি না সেই ব্যাপারে নিশ্চিত নয়,পারিবারিক ন্যাটো গ্রুপের কাছে আবেদন গেলো, আমায় একটু রঙ খেলতে দাও পুতিন কাকাই কে রাঙিয়ে দিয়ে আসি। মা ট্রাম্প এর মতো বরাভয় দিয়ে বললো- তথাস্ত- তুমি যুদ্ধ করবে, বাকি ন্যাটো সদস্য রা মাথা নেড়ে বলে উঠলো: ঠিক কি না, ঠিক ঠিক! জেলনস্কি সেই শুরুর সময়ে বলে উঠল: ট্রাম্প, তুমি মায়ের মতোই ভালো! যাই হোক,সকাল ১১ থেকে ২ অব্ধি যুদ্ধ স্যাংশন হোলো। ৩। ওদিকে কাকাইর বন্ধুরা এসে যাওয়ায় কাকাই রঙ খেলতে বেড়িয়ে পড়ায় রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ একটু পিছিয়ে গেলো। সে হতোদ্যম হয়ে বাবার পিঠে বেদম হারে বেলুন ছুড়ে যুদ্ধ প্র্যাক্টিস সেরে পাড়ায় বেরোল রঙ খেলতে। এরপর চলে গেলো দাদা দিদুর বাড়ি আবির দিতে। দাদা দিদুর বাড়ি রঙ দিয়ে ফিরে আসার পরেই মা বলছে এইবার আমরা ট্রাম্প জেলনেস্কি বৈঠক করবো- অনেক হয়েছে টুকু, অনেক রঙ খেলেছো, হেঁটেছ, এইবার আর রঙ খেলা নয় । চলো স্নান করবে এইবার। ৪। জেল...

আমরা সব শব হয়ে রয়েছি,শুধু- শিব কে ছুঁতে পারিনি!

ছবি
আমরা সব শব হয়ে রয়েছি, শুধু- শিব কে ছুঁতে পারিনি! আমরা শুধু চেয়েছি, তার থেকে কিছু পেয়েছি নিজ সম্পদ ছেড়ে আত্মভোলা হতে শিখিনি। আমরা অল্প পেয়ে আরো বেশী পেতে হবে ভেবেছি আমরা স্বল্পে সুখী আশুতোষ রূপ দেখিনি। আমরা আঙ্গুল ভোটে অমৃত সৃষ্টির চেষ্টা করেছি হলাহল ফল ভুগেছি,তবু ধ্বংস রুদ্র হয়ে উঠিনি। আমরা রাস্তায় কুকুর মেরে কালভৈরব পুজেছি পশুপতি কে লুকিয়ে, পশুসাথী হয়ে পথে হাটিনি। তবুও আমরা "হর" "হর" মহাদেব স্বরে গর্জে উঠেছি শুধু অন্তরে সত্যম শিবম সুন্দরম অনুধাবন করিনি। ©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ । ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। পুনশ্চ: শিব ঠাকুর কে এঁকে মা, মি(ঠাকুমা) কে দিয়ে পুজো করিয়েছে সৌরজ্যোতি ঘোষ।  ছবি তুলেছে ধ্রুবজ্যোতি ঘোষ।। বাড়ির বহু প্রাচীন, বংশ পরম্পরায় পূজিত শিবলিঙ্গের সাথে আজ পুজো পেলো হাতে আঁকা শিব ঠাকুর।

পরীক্ষার রাতে গীতার বাণী মাতার মুখে অন্তে সপরিবার ঘুমাইল শান্তিতে সুখে

গতকাল গভীর রাতে এক বাবার মনে হোলো সে ছোটবেলায় ফিরে গেছে, টিভি তে মহাভারত সিরিয়াল দেখছে! বিশেষ করে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের আগের পরিস্থিতি। শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে গীতার বাণী শুনিয়ে যুদ্ধের জন্য তৈরী করছে। যাই হোক, তখন ঐ বয়সে গীতার বাণী আর কি বুঝবে! সেই পুঁচকে বেলায় নিজের সাথে অর্জুন কে মিলিয়ে বাবা ধরেই নিয়েছিল অর্জুনের এটা এনুয়াল এক্সাম। পরীক্ষার দিন ভয় পাচ্ছে, আর শ্রীকৃষ্ণ ওকে বুঝিয়ে পরীক্ষা দিতে পাঠাচ্ছে।  যাই হোক, কাট টু সেই বাবার গতরাতের গল্পে-  অনেকদিন পরে প্রায় সেম দৃশ্য ফিরে পেয়েছে বাবা। রাত সাড়ে এগারোটা বেজে গেছে, সাইডলাইন থেকে থেকে এনুয়ালের ক্ষুদে ক্লাশ থ্রির পরীক্ষার্থী হঠাত গাণ্ডীব ভঙ্গ করে চেচিয়ে উঠল- "কাল সকালে পরীক্ষা তে মনে হয় কিছুই পারবো না"। তারপর ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে সে- ওদিকে তার মা পুরো এসকালেশন মোডে ঝাপিয়ে পড়েছে! ছেলে কে এখন বুঝিয়ে ঘুম পাড়াতেই হবে। এইবার ছেলে এক এক করে অদ্ভুত সব দার্শনিক প্রশ্ন শুরু করছে; ঘড়িতে বাজে বারো টা পাঁচ। - "কাল আমার বন্ধু রাও তো পরীক্ষা দেবে মা, ওদেরও কি চিন্তা হচ্ছে মা? চিন্তায় ঘুম আসছে না যে আমার।" ব্যস, মা সাথে শুরু করলো ...