পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

##- ঝটিকা সফর পুনে পর্ব : তৃতীয়কাজের শেষে নিজেরে শুধাই ,ফেরার পথে মনের টানে কোন পথে পিঙ্গা পিঙ্গাই?

ছবি
##- ঝটিকা সফর পুনে পর্ব : তৃতীয় কাজের শেষে নিজেরে শুধাই , ফেরার পথে মনের টানে কোন পথে পিঙ্গা পিঙ্গাই? দুইদিনের রুদ্ধশ্বাস দৌড়ঝাপ-কাজ এর পরে পশ্চিমে দেখি সুয্যি মামা আস্তে আস্তে হিসাব পত্তর গুছিয়ে নিচ্ছে। আমিও তখন দিনের শেষে অফিস ফেরত ওলার থেকে নেমে এসে হোটেলে ঢুকতে যাচ্ছি। হঠাৎ সেই মাথার ক্যাড়া চাগাড় দিয়ে উঠল- দুই দিনের এই ধরাধামে কাজ তো হোলো, কিন্তু মন কি পেলো? কিছুই তো ঘুরলাম না পুনে প্রান্তে। সোজা ইউটার্ন আর জীবন পুরের পথিক স্টাইলে গুগল সার্চ। হোটেল এর খুব কাছেই একটা নাম দেখে মনটা কেমন পিঙ্গা পিঙ্গা করে বনশালী র সিনেমার সেটের মতন নেচে উঠল- গুগলে ভেসে উঠছে তিন-চার কিলোমিটার এর মধ্যে ভারতের ইতিহাসে চল্লিশ যুদ্ধ অপরাজেয় ব্যক্তির বাসভবন! যেখানে চিতার চাল চলন- বাজের নজর আর তরোয়াল এর বিদ্যুত বেগ কিস্তিমাতের বাস্তব ইতিহাস ধুলায়-হাওয়ায় মিশে আছে। হ্যা এসে উঠলাম বজিরাও পেশোয়ার বাসভবন শনিবাড়ওয়াডা তে। এই স্থানটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। মারাঠা   শক্তি ভারতের প্রধান ও অপ্র্তিরোধ্য তকমা পেয়েছিল এই বাসভবন এর পরিচালনাতেই। যদিও বর্তমানে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে রয়েছে সেই ...

ল্যাম্পপোস্টের আত্মপোস্ট

ছবি
ল্যাম্পপোস্টের আত্মপোস্ট তোদের সমস্যা টা কি বল তো? না সত্যি করে বল- সমস্যাটা ঠিক কোথায়? কথায় কথায় আমাকে টেনে এনে মিথ্যে ট্যাগিয়ে দিস। আমি তোদের কেসি নাগের অঙ্কে গাড়ির দূরত্ব অতিক্রমে জ্বালিয়ে ছেড়েছি বলে এই ভাবে অপমান করবি? কে কিভাবে জামা-শাড়ি পড়বে সে নিয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে আমাকে টেনে আনতেই হবে? ভেবে দেখতো আমার নীচে দাড়ানো পাবলিকদের এই ভাবে কি কথা না শোনালেই চলছিলো না! এতো টাই অপংক্তেয় আমি!!! সেই গ্রীস দেশে তেলের-বাঁশের বাতি থেকে শুরু করে ব্রিটিশ গ্যাসে ফুলে ফেপে আজ ডিজিটাল ইণ্ডিয়া কে উজলা করে চলেছি তবুও তোদের বাঙালি মনে অন্ধকার দূর করতে পারলাম না। অথচ ভেবে দেখ, তোরা এক বিন্দু কানাকড়ি না দিয়েও যে-যেখানে-যে-দেশে খুশী বিনাবাধায় আমাকে গ্রহণ করিস। আলো-ফোন-নেট গুচ্ছের ইলেকট্রিকের তার বহন করে, তোদের অন্ধকারে আলো জুগিয়েও সত্যি করে বলতো- ল্যাম্পপোস্টের নীচতলা কে প্রদীপের তলার মতন অপ্রাসঙ্গিক ভাবা টা কি সত্যি যুক্তিযুক্ত? সত্যি কি আমার নীচ এতোটাই তুচ্ছতাচ্ছিল্য প্রাপ্য ছিল?  তোদের কি মনে পড়েনি যাদের উদ্দেশ্য করে এই ভাষণ সেই নারী জাত টার লেখাপড়া -নতুন ভাবে বেঁচে ওঠার বীজ বপন হয়েছিল আমার নীচতলা থ...

নীরবে হাসে শান্ত সমাজ শিব , রুদ্র রূপে দল বাঁধে বঞ্চিত জীব।।

ছবি
সেই ট্যাক্সি চালকের কথাটা মনে আছে? সেই যে, ঐ লোকটা - একদিন ভাড়া খাটার সময়ে বৃদ্ধ প্যাসেঞ্জাররে আনমনে হারিয়ে যাওয়া বাক্স ভর্তি টাকা -সারা জীবনের সঞ্চয় ফিরিয়ে দিয়েছিল- মেয়ের বিয়ের আগের দিন আতংক আত্মহনন থেকে রক্ষা করেছিল সেই বৃদ্ধকে। সেই সহকর্মীর কথা মনে আছে? যে দিনরাত জেগে   টেবিলের সব কাজ তুলে দিয়েছিল। সেই কাজের করিকুরি উপর মহলে প্রদর্শনের বিনিময়ে তার যায়গায় যখন অন্য কারো প্রমোশন হোলো। তখনও সেই আত্মভোলা সহযোদ্ধাটি একবারও নিজের জন্য হা-হুতাশ না করে মিলেমিশে পরবর্তী কাজের পরিকল্পনা করল।  সেই অটোচালকের কথা মনে আছে? গভীররাতে একডাকে বাড়ির অসুস্থ লোকটাকে নিয়ে যমে-মানুষে টানাটানির সময়ে যে কালবিলম্ব না করে পৌছে দিয়েছিল হাসপাতালে। সেই মুদির দোকানি কে মনে আছে? যে, করোনা কালে দুর্লভ হয়ে যাওয়া মাসকাবারি বাড়িতে পৌছে দিতো হাসিমুখে - মৃত্যু ভাইরাস কে পাস কাটিয়ে।গ্রাহক জীবনযুদ্ধে কঠিন সময়ে পাশ করেন- বেঁচে থাকেন এই আশায়।  আবার, সন্তানের বেকার শিক্ষককে দেখুন। সবার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, ভালো ভাবে উতরে যায় পরীক্ষাতে- এই ভেবে একের পর এক এক্সট্রা ক্লাশ করিয়ে মেডেল জিতিয়ে আনলো, হাসি মু...

আলিবাবার আনন্দ জগৎ এ হঠাৎ চল্লিশ টা বছর চুরি করে ঘুরে এলাম এই দিনে

ছবি
মা বাবার ৪০ বছরের বিবাহবার্ষিকী তে মনে হোলো এই ছবি গুলোর মাধ্যমে সেই দিনটা একটু ঘুরে ফিরে দেখা যাক..  ১। চিরন্তন বন্ধন। ২। গাড়ি করে বর এলোরে, আপনারা সবাই বর দেখুন। আমি বরং অকাশী রঙের এম্বাসাডার এ চড়ে একটু পুরনো দিন ঘুরে আসি।  বাবার পাশে প্রশান্ত কাকু, সত্যম কাকু, টিটো কাকু, স্বপন কাকু। পেছনে সমর কাকু, আর জ্যঠুর সোয়েটার দেখতে পাচ্ছি মুখ ঘুরিযে উল্টো দিকে। বাকি কাকু দের দল চিন্তে পারছি না। বর কে বরণ করতে এসেছে মেজোদিদা, দিদিভাই, মেজোবৌদি, ভাইদিদা। ৩। বরের সাজ পরিবর্তন - গদু কাকু বাবার বন্ধু সাহায্য করছে। বাবুয়া মামা, মীনা মাসী, কাকুমনির মা- গীতা দিদা( এই দিদা কে আমি দেখিনি তাই- ভাইদিদা, দিদিভাই , দিদুন এর এই বোনের কোনো মিষ্টি নাম ধরে ডাকতে পারলাম না) ৪। তিন প্রজন্ম - ভালোবাসা আজন্ম। মা-নাতনি-মেয়ে এইভাবেই সাজাই..  আমার বড়মা, মা আর দিদুন। মা কিন্তু বেশ হাসছে। ৫। দাদু (ঠাকুর্দা) আশীর্বাদ করছে মা কে। সেজো জ্যমা পাশে। ৬।বড়দাদু ভাই সম্প্রদানে বসেছে। বাবা হঠাৎ ধোনি সেজেছে কেন? ও ঐ যুগে তো কিরমানি কিপার। বিয়ে দিচ্ছে দিদুন ...

রাজনৈতিক পর্ব-১৫ : বন্ডে এ- "কী" কাণ্ড করেছি, সুখের ঘরের চাবিটাকে সামনে এনেছি।।

ছবি
##- রাজনৈতিক পর্ব-১৫ :  বন্ডে এ- "কী" কাণ্ড করেছি, সুখের ঘরের চাবিটাকে সামনে এনেছি।। তুমি আসবে বলেই- তুমি আসবে বলেই দেশের প্রথম কোনো কর্মরত মুখ্যমন্ত্রী ঢুকে গেল গারদে। তারপর, তুমি এলে নীরবে দূরে। যখন দাড়ালে এসে কাছে; যেখানে ব্যঙ্কের দুর্লভ লিঙ্ক মিলেছে। তোমায় ছুতে চাওয়ার মুহূর্ত বিনিদ্র রাত কাটছে আজ তথ্য বিশ্লেষণে। সেই তুমি আসলে "কি"? -"কি" দিয়েছে? কে দিয়েছে?হ্যা -"কি-চাবি" দিয়েছে; সেই চাবি টা দিয়ে আলিবাবা র বন্ধু দের বন্ড সিন্দুক খুলেছে, এইবার এইবার ঠাকুমা গল্প বলবে। এসবিআই বণ্ড এর বেস্ট ফ্রেন্ডদের "মিলন চাবি" আজ বাধ্য হয়ে তুলে ধরেছে। এখন ব্যপার হচ্ছে এই "কি" বা মিলন চাবি দিয়ে হবে টা কি? এই "কি"- চাবিটা আসলে ইলেক্টরল বন্ডের কোন কাজে লাগবে? - আগের সপ্তাহে চরম সুপ্রিম হুলিয়ার ভয়ে sbi ডান দিকে গ্রাহক আর বাম দিকে প্রাপক এর নাম প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্য এমন ভাবে দিয়েছিল যাতে মাঝে ঐ নদী বয়ে চলে যায় । এই কূলের সাথে ঐ কূলের অঙ্ক মেলানো বেশ জটিল হয়ে যাচ্ছিল। সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেনি- এই মর্মে সুপ্রিম কোর...