পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রথম বছরের গিফ্ট অব ম্যজাই

ছবি
তারপর, ভূতেদের আশীর্বাদ নিয়ে ভবিষ্যতের উদ্দেশ্য যাত্রা তো শুরু করল দুজনে মিলে ২৩ শে নভেম্বর ২০১২। একে একে দুজনেই অনেক গুলো নতুন-নতুন ডাক-সম্বোধন-সম্পর্ক খুঁজেও পেলো, বেশ নতুন আনন্দে এগিয়ে চলল সম্পর্কের তরী! এরপরেই,হ্যা ঠিক এক বছরের মাথায় হোলো সেই ঐতিহাসিক ভূল! ঠিক ধরেছেন, প্রথম বিবাহবার্ষিকী দিনটি তেই! একটি অত্যন্ত প্র্য়োজনীয় শিক্ষাও পেল ছেলেটি, জীবন পথের "সারপ্রাইজ" ! একবছরের মাথায় দুজনেই ভাবলো প্রথম বিবাহবার্ষিকী টা অন্য রকম ভাবে উদযাপন করা যাক! মেয়েটি ভেবেছিল হয়ত সবাই কে নিয়ে মিলেমিশে একটি দিন গল্প-খাওয়াদাওয়া এবং আনন্দ-আড্ডা এভাবেই চিরাচরিত পথে পালিত হোক। কিন্তু সেটা হোলো না, কারণ ছেলেটি ভেবেছিল একটু ইউনিক কিছু করলে কেমন হয়!সেই ক্লাস টুয়েলভ এ পড়া "গিফ্ট অব ম্যজাই"এর মতন "সারপ্রাইজ" দিলে কেমন হয়! মেয়ে টাও যখন শুনল তার পতিদেব , পত্নীর মন বুঝে সারপ্রাইজ দিতে উদ্যত তখন সেও বেশ উত্তেজিত, তার মনের মতন সত্যি কিছু হতে চলেছে! কিন্তু সে নিজেও কল্পনা করেনি তার পতিদেবের কল্পনা শক্তি এতোটাই উর্বর! যাই হোক, সেই বিশেষ দিনে অর্থাৎ ২৩ তারিখ সকাল-সকাল সারপ্রাইজের প্ল...

"বেদনার শতদলে ২০০৩ এর স্মৃতি জ্বলে।স্ফুলিঙ্গ জ্বলুক মাঠে প্রতীক্ষার কালে "

ছবি
আজকের জন্য কোন কথাটি বেশী প্রযোজ্য? "ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়" - নাকি শাপমোচন এর সেই গানটি: "বসে আছি পথ চেয়ে ফাগুনের গান গেয়ে" ?  আসলে ২০০৩ এর ২৩শে মার্চ এর সেই রাতের কথা মনে পড়লেই  "পাওয়া না পাওয়ার মাঝে, অচেনারও সুর বাজে সুরভিত বিরহের মর্ম ব্যথা।" সত্যি তো সেই দিন রাতে আমাদের কাছে বিশ্বকাপ এর স্বপ্ন টা ছিল: "মিল কে ভি হাম না মিলে"। শুধু একটিবার সময়ের স্মৃতিতে হেঁটে গেলেই এক অন্য ছবি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে! সেদিন, চারদিকে কি উত্তুঙ্গ উন্মাদনাই না ছিল, খেলা শুরু হবার আগে! রাস্তা জুড়ে জাতীয় পতাকার আন্দোলন; এর মধ্যে পাড়ায় কোনো একটা পুকুর ও ভরাট হয়ে গেল- না-না, মাটি দিয়ে না! সেদিন সব জাতীয় পতাকায় ঢেকে দেওয়া হোলো পুকুর-বাড়ি-রাস্তা। এদিকে ব্যালকনি থেকে ঝুকে উঁকি দিল মহানায়ক রা! ল্যামিনেটেড ডিজিটাল প্রিন্ট আর কোথায় সেই প্রাক মোবাইল যুগে, অধিকাংশই খবরের কাগজ কাটিং থেকে আদরের স্পর্শে ঘরের নিজস্ব পুরোহিতের স্পর্শে জেগে ওঠা ঈশ্বর দের প্রতিচ্ছবি। শচীন-সৌরভ-রাহুল-ভাজ্জি-শ্রীনাথ-জাহির-নেহেরা-কুম্বলে রা দেশের সব মানুষের মনে জায়গা করে নিলো। সবাই এক ...

"শেষ জয়ে যেন হয় সে বিজয়ী, তোমারি কাছেতে হারিয়া।"

ছবি
মানুষের দুঃখে কাঁদতে পারার মধ্যে যে আনন্দ আছে, তা অপু সেই প্রথম উপলব্ধি করল .... - কই আপনি তো কাদলেন না, কেন্? আপনি নীরবে আবার হাসলেন! সেই হাসিটা : ২০১৯ এর রানার্স হয়ে হেসেছিলেন! প্রতিবারই এইভাবে ম্লান হেসে কিছু শিখিয়ে চলে যান। কিন্তু সত্যি চলে যান কি? কি জানি! হেরে যাওয়ার হাসি কি জেতে কখনো কাঙ্খিত অভীষ্ট ? ভেবে দেখুন আজ, হয়ত আমরা জিতেছি, বিরাট রেকর্ড করেছে, শামিও আগুন ছড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু ভেবে দেখুন তো পাঠক বন্ধু, এই মানুষ টা যতক্ষণ ক্রিজে ছিল আমরা কি ভাবছিলাম? উনি কিন্তু  ভারতীয় বোলিংকে এই বিশ্বকাপে প্রথম বারের মতন অনুশাসন পর্বের দরজায় দাড় করিয়ে দিয়েছিলেন- কঠিনতম পরীক্ষার সন্মুখে। ভারতের জয়ের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে। কর্ণের মতন, কুরুক্ষেত্র প্রতিদ্বন্দীতার শেষ আশা ভরসা হয়ে। হয়ত দুর্ভাগ্য, বিশ্বকাপ স্পর্শ করতে পারলেন না খেলোয়াড় হিসাবে। কিন্তু তিনি,কেন উইলিয়ামসন থেকে যাবেন হৃদয়ে, একজন নিপাট ভদ্রতার প্রতিচ্ছবি হয়ে । বিপক্ষ নায়ক রেকর্ড করলেও অভিনন্দন বয়ে যাবে নিরলস ভাবে তার হাসি-হাসি মুখে। কোহলি রেকর্ড করছেন তিনি উত্সাহ দিচ্ছেন, এই ছবি গুলো সুখস্মৃতির পাথেয়। আচ্ছা, অজি স্লেজিং এ...

কালের খেলায় খেলেন কালী,সময়ের খেলায় সকল বলি!

একটি আধুনিক ডিজিটাল মর্মে উদ্ভাসিত অফিস প্রচুর অর্থ ব্যয় করে মডার্ন এআই সিস্টেম দিয়ে কর্মীদের সময়ের মধ্যে বেঁধে ফেলার পরিকল্পনা  করল,চেষ্টা করল কর্মী রা যাতে সকাল দশটার মধ্যে ঢুকে যায়। না হলেই বেতন ও ছুটিতে কোপ পড়বে। ওদিকে, সেই দেখাদেখি পাশের আরেকটি অফিসের রেজিস্টার বাবুর ও ইচ্ছে হোলো তার কর্মীরাও একই ভাবে সকাল-সকাল অফিসে আসুক। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের মধ্যে পার্থক্যটা  বাংলাদেশ এর ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ এর সাধ আর সাধ্যের মতোই;  অফিসের ভাঁড়ে মা ভবানী! সেই দ্বিতীয় অফিসটির এআই বা ডিজিট্যাল সিস্টেম তো দূর অস্ত,সর্বক্ষণের একজন দরোয়ান রাখতে গেলেও কফি আনতে চা বন্দক রাখতে হয়। অতিরিক্ত খরচ নৈব নৈব চ, সে সব ভাবাও বিলাসিতা! অগত্যা অফিস বাবু চিন্তিত মনে চা এর কথা ভেবে রেজিস্টার খাতার টি একপাশে সরিয়া রাখলেন। এই সমস্যা সমাধান কিভাবে হবে ভাবতে-ভাবতে  নীচে চা এর দোকানে গেলেন , চা পান এর সাথে সমস্যা সমাধানের জন্য বুদ্ধির গোড়ায় ধূপধুনোদিতে। ধোয়াশা মাখা চা এর কাপ হাতে নিয়ে দোকানের দেওয়ালের দিকে তাকাতেই  দেখলেন ক্যালেন্ডার থেকে মা কালীর একটি জিভ বের করা ছবি দৃশ্যপটে ল্যান্ড করল, কেম...