পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তোমরা আমাকে ভূলে যাও।আমি তোমাদের ভূলতে দেব না।।

ছবি
এ আবার কি কথা, কেউ যদি কাউকে সত্যি ভূলতে চায় বলুনতো হাজার সাধ্য করলেও কি সে মনের ভিতর থাকতে পারে? আহা কথাটা আমার না! আরেক বোস, মানে মন্দার বোস নিজেই তো বলে দিয়েছে মন থেকে চাইলে তিন মাসেই মাতৃভাষাই তো ভূলে যেতে পারি আমরা। আর এ গল্প তো এক পাড়া-গ্রামের পরিবারের। সেই গল্প কি আমরা আর মনে রাখব? এই গল্পটা ছিল এক একান্নবর্তী পরিবারের বেশ কিছু শরিকের এক সাথে মিলে মিশে থাকার। পরিবারটির এক কালে অনেক জমি-জমা ছিল স্বচ্ছল-অবস্থাপন্ন ছিল। কিন্তু ভিন অঞ্চলের এক ধূর্ত ব্যবসয়ী বাণিজ্যের অছিলায় সেই সব জমি ছলেবলে কৌশলে অধিকার করেছে পরিবারের থেকে। নিজের জমিতেই সেই পরিবার হয়েছে আশ্রিত, এখন সেই ব্যবসায়ীর ইচ্ছাতেই কর্ম। এই ভাবেই চলছিল, বেশ কিছু বছর নিশ্চুপতার পরে পরিবারের পিতা পরিবারের শরিক দের বোঝাতে পেরেছে ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড, ডিভাইডেড উই মিসআন্ডারস্ট্যান্ড! পরিবারের চার পুত্রই এখন জমি কিভাবে ফেরত পাওয়া যায় , সেই দাবীর  সাথে জড়িত- পিতাকে যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছে, এর ফলে পরিবারের সবাই আস্তে আস্তে সেই বেপাড়ার ব্যবসয়ী র বিরুদ্ধে মাঝে মাঝেই বিভিন্ন বিষয়ের দাবি-দাওয়া করছে পিতার নেতৃত্বেই শান্তিপুর্ণ ভাবে। বড়...

গার্হস্থ্য বিবেক ।।

ছবি
গার্হস্থ্য বিবেক ।। নরেন ছাদের মধ্যে পদচারণ কালে ভাবল আজকের দিনটা ওর জীবনে এরকম এক বিস্ময়কর দিন হয়ে উঠল কিভাবে? ওতো আজকের দিন টা ভেবেছিল মহামানব এরবাণী  নিজের প্রিয়জনের কাছে নিবিষ্ট চিত্তে বলেযাবে শুধু। কিন্তু সেই বাণীই কিভাবে ফণী হয়ে উঠল আজকের দিনে! শীতেরসকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ভাবল , একি সারা বাড়ি ঘুমিয়ে আছে। মনে পড়ল নরেন এর বাবা রাত্রি বেলায় খাবার টেবিলে বলছিল: আমি এই বয়সে এসে বুঝেছি সমাজকল্যাণে আমাকে এইবার পথে নামতেই হবে। সেই, বাবা এই শীতসকালে এখনো বিছানা ছাড়েনি! কিভাবে হবে সমাজ কল্যাণ? ব্যস, সোজা বাবার ঘরে ঢুকে লেপ সরিয়ে বলে উঠল: জাগো,  লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগে থামবে না। বাবা প্রথমে ভূত দেখার মতন চমকে উঠল আচম্কা নিদ্রা ভঙ্গে। তারপর তারস্বরে চিত্কার করে বলল এই শীতের ভোরে তুই আমাকে এই বয়সে লেপ টেনে ঘুম থেকে তুলে জ্ঞান দিচ্ছিস, দূর হ দুচোক্ষের সামনে থেকে! পুরো ঘুমটা দিলি নষ্ট করে : কি সুন্দর সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখছিলাম! সব গেল। নরেন কাচুমাচু করে এসে টেবিলে বসল । একটু পরে দেখল মা আর স্ত্রী দুজ্নেই উঠে পড়েছে চেঁচামেচি শুনে । মা এসে অভিযোগ এর সুরে বলল কি করিস তুই, বুড়ো ...

চোখ তুলে দেখো না পিকনিকে এসেছি: ❤অফিস পিকনিক ❤ জিন্দাবাদ

ছবি
আচ্ছা বলুন তো, বনভোজনে এসে সদ্য মধ্য বয়স্ক মানুষ কি ভাবে ? সত্যি বলতে অনেক চরিত্র ভিন্ন মননে, অনেক কিছুই ভাবে। শুনবেন নাকি সেই ভিন্ন চরিত্রের মধ্যে কিছু কিছু  বিচিত্র কাহিনী? চলুন তবে , শুরু করা যাক তাহলে। বনভোজনের উৎসাহে, মহোৎসাহী মানুষটি আগের দিন রাতেই ঠিক কর নেয় পরের দিন সে বেরোবে সকাল-সকাল। কাকভোরে উঠে পড়বে আর হা-রে-রে করে আছড়ে পড়বে পিকনিক স্পটে আমফানের গতিতে! কিন্তু মানুষ ভাবে এক , সত্যি হয় আরেক! সকালে ঘুম ভেঙ্গে আবিষ্কার করে রোদ উঠেগেছে ঝিলমিলিয়ে গাছের ডালে ডালে : সকাল সবে ৯ টা বেজে গেছে; ব্যস বিনা এলার্মেই স্বপ্নপাত! পূর্বরাতের পিকনিকে শীঘ্র অংশগ্রহণের পূর্বরাগ কখন যে গভীর নিন্মচাপে পরিণত হয়েছে ধরতেই পারবেন না। যাই হোক এর পর সেই মানুষটাই ধনুকের জ্যা মুক্ত বাণের মতন লাফ দিয়ে ছিটকে বেরিয়ে পড়ে অনেকটা ঠিক টাইটানিক শুরুর সিনে জ্যাক এর মতন স্পিডে দৌড় দেয় সোজা পিকনিক স্পটের দিকে, যদিও সময় যত এগোতে থাকে টিফিনের লুচি ততই ধীরে ধীরে শীত ঘুমে ঘুমিয়ে পড়ে। যাই হোক শীতের সকালে শীতল লুচির কুচি খেয়েও হঠাৎ মনে-শরীরের মধ্যে এক আমূল পরিবর্তন আসে। নিজেকে মনে হয় এইত বারো-কি-তেরো, একদিকে নরম...

জাদুঘরে দুই জাদু : কৈ মিল গায়া।।

ছবি
স্কুল ক্লাস নিয়ে উঠেই হঠাৎ একজনের মনে এল আজ তিনজন মিলে কোথাও ভ্রমণ করলে কেমন হয়! পুত্র কে সেই পরিকল্পনা জানাবার সাথে সাথে তৎক্ষণাৎ তার তরফ থেকে নাকচ!  কারণ, সে দাদুর বাড়ির বর্ষশেষ এর "যেমন খুশী থাক" থেকে নিজেকে বিরত করতে চাইল না। অগত্যা বাকি দুই জনে মিলে ঠিক হোল: সব তীর্থ এক বার, কিন্তু যীশু পুজোর অন্তিমে পার্ক স্ট্রিটই  হোক প্ল্যান ঘোরবার। সেই মত শনিবারের বার বেলায় তারা পৌছে গেল পার্ক স্ট্রিট!! কিন্তু টাইমিং টাই এমন বদখত হোল যে, আলোর নীচে অপূর্ব সে আলো; সূয্যি মামা এত আলো ছড়িয়ে দিল যে পার্ক স্ট্রিটের টুনি তখন দিবানিদ্রায়  মগ্ন। হায় হায় - অতকিম! হঠাৎ সূর্যের প্রখর রুদ্রে , দুই জনের মস্তিষ্কে ক্যাপ্টেন স্পার্ক উঁকি দিল।  "ধূপ-ধূপ" করে চেচিয়ে উঠে হাতে হাতে তালি দিয়ে নিজেরা হয়ে গেল "জাদু "।  মনে পড়ল কৈ মিল গায়া !   : অনেক দিন পর, খুদে জাদুকর আসার পর থেকে এইভাবে ভর দুপুরে হঠাৎ প্ল্যান, হঠাৎ অনিশ্চিত ভাবে বেরোন এইগুলো তো সব ইতিহাসের পাতায় লুকিয়ে পড়েছিল। তাই দুই জাদু নিজদের মধ্যে বলে উঠল "আমাদের যে দিন গেছে আজ তা কি শুধুই গেছে, না! একদম না,  আজ সেইসব...