পোস্টগুলি

জুন, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

এই ভাবেও ফিরে আসার আশা জাগায় - এক বিশ্বজয়ের বিনিদ্র রাতে (রাত ২ টো ২০ মিনিট)

ছবি
চক দে ইন্ডিয়ার কোচ এর স্বপ্নপূরণ- ১। রাহুল দ্রাবিড়: ২০০৭ এর এই ওয়েস্ট ইন্ডিজে অধিনায়ক হিসাবে ভারতের ব্যর্থতম নিদর্শন রেখে সরে গিয়েছিলেন। ২০০৩ এ ভাইস ক্যাপ্টেন, ২০২৩ এ ভারতের হেড কোচ হিসাবে ফাইনালে পরাজিত।  সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাটিতেই কোচের শেষ ম্যাচে বিশ্বজয়ের সম্মান ফিরিয়ে দিলো। ২। হর্দিক এর অশ্রু ছলছল চোখ আর চোয়াল টা নির্বাক প্রত্যুত্তর দিলো- সম্পর্ক-পরিবার-অফফর্ম থেকে উত্তরণের নির্বাক উত্তর।। ৩। দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার হে- দিন শেষে কান্ডারী জয় হে।।   রোহিত শর্মার শুরুর দিনে ২০০৭ এ ওয়ার্ল্ড কাপ স্পর্শ থেকে শুরু। তারপর জন-গণ-মনের অধিনায়ক হিসাবে বার বার অন্তিম যুদ্ধে হেরে আজ রক্তাক্ত, তীরে এসে তরী ডোবা। আর আজ-  ২০২৪ এ সেই বিশ্বজয়ের অন্তিম স্পর্শ।। ৪। বৃদ্ধ সিংহ রাজার মতোন শেষ বিশ্ব যুদ্ধে নিজের শক্তি সঞ্চয় করে রেখেছিল। অন্তিম যুদ্ধে দল যখন বিপক্ষের আক্রমণে বিপর্যস্ত সেই সময়ে অফ ফর্ম ভেঙ্গে বেরিয়ে এলো একটাই কথা- "কোনি" ফাইট!- কোহলি ফাইট। এটা ছিল অন্তিম যুদ্ধ। সেরার সেরা হবার যুদ্ধ। যেদিন সব কিছু প্রতিকূল নিজের ফর্ম নিজে...

চোকার্স - সেমি চোকার্স এর ফাইনাল খেলার সুযোগ আসবে যাবে ভবিষ্যতে।এই বিশ্বকাপ একবার হলেও উঠুক মিস্টার দেওয়াল এর নির্ভরশীল হাতে।।

ছবি
সাউথ আফ্রিকা হোলো খানদানি চোকার্স। এরকম না আগে চোকার্স ছিলো, তারপর দুই একটা কাপ জিতলো, আবার চোক করতে শুরু করলো, না! সেরকম একদমই না। বিশুদ্ধ আদর্শ চোকার্স। ৯২ এর সেমিফাইনাল এ সেই যে স্টার্টিং প্রব্লেম বিগ প্রব্লেম বলে শুরু করেছিল সেটা এখনো ঘোচেনি। আর ৯৯ এর সেমিফাইনাল এ ডোনাল্ড এর সেই দৌড় তো নব্বই এর দশক এর ঐতিহাসিক ভুল!! এরপরেও বারং বার সুযোগ এসেছে কিন্তু সেই সেমিফাইনালের সেমিস্টারে হারু হেরে গোল্লা পেয়ে ফিরেছে। ডোনালড, কর্স্তএন, কালিনান, ক্রনিয়ে, ডেভিলিয়ারস, স্টেন, স্মিথ - আরো কতো শতো বিখ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকান দের স্বপ্নভঙ্গ দেখে আপামর বিশ্ববাসী কষ্টের ঢোক গিলেছে! হ্যা-আমি আপনি আমরা সবাই সেই দলে ছিলাম। আজ ওদের বিরূদ্ধে নিজের মন-মাথা দুজনেই জিততে চাইছে আকুল ভাবে! কিন্তু একটু পুরনো স্মৃতিচারণ এ দক্ষিণ আফ্রিকার কথাও মনে পড়ছে। ওদিকে আমরা, ভারতীয় ক্রিকেট দল হলাম হাইব্রিড চোকার্স। "মাঝে মাঝে তব দেখা পাই"- বলে তিনটে বিশ্বকাপ মুঠোবন্দী করেছি। তারপর ২০১১ থেকে বেজে গেলো ভাগ্যের বারোটা-বারো। ফাইনাল-সেমিফাইনাল এ উঠছি মোরা। তারপর কাপ টাকে "তোমাকে ছুঁতে পারিনি প্রভু"- বলে বারংবার...

পোলারাইজড পোল

ছবি
"পোলারাইজড পোল" পশ্চিমবঙ্গে পোলারাইজড ভোট হচ্ছে এটা প্রমাণিত। তাই এই মার্কেট এ দুর্নীতি, চাকরী, বেকারি র থেকেও মূল হয়েছে পোলারাইজড অবস্থান।  এর প্রত্যক্ষ এবং অন্যতম উদাহরণ বহরমপুর কেন্দ্র। এখানে ইউসুফ পঠান ও বিজেপি দুই দিকে পোলারাইজদ ভোট এর তীব্র লড়াই হয়েছে।ফল  অধির এর বলি।এই রেজাল্ট এর পরে বিজেপি বঙ্গে টিকে থাকবে অবশ্যই কিন্তু নির্ভর করছে মুখ মোদি থাকবেন কি না? মোদি সরে গেলে এই পোলারাইজড ভোট এর এক দিকে শুধু মমতা ব্যানার্জি থাকবেন। তখন হয়তো দুর্নীতি, চাকরী, বেকারি ইস্যু গুলো ফিরে আসবে ভোটের মেইন ইস্যুতে যা এইবার প্রধান হয়নি।  মোদি-মমতা একজন কেউ না সরলে বঙ্গে এই ভাবেই ভোট হবে- এবং মোদি নিজেই সেটা অনুধাবন করেছিলেন, তাই দৃঢ় প্রত্যয় এর সাথে বলেছিল বঙ্গে বেস্ট রেজাল্ট হবে। এখন প্রশ্ন উঠছে সেটা কেনো হোলো না? কং সিপিএম ভোট কাটুয়া বলে ? হয়তো সরল ভাবে সংখ্যা তত্ত্ব দেখে সেটাই অতি স্বাভাবিক বলে মনে হলেও হয়তো এর পিছনে একটি অন্য কারণও হয়তো বিদ্যমান। সেটা কি হতে পারে? - বাংলায় কিছু লোক এখনো পোলারাইজড হয়নি। তাদের সমর্থিত দলের আসন 0 অথবা নোটা ।কিন্তু বিচার করে দেখলে তাদের ভোট এর মূ...

ঘরের মধ্যে লাল সবুজ গেরুয়া র যুদ্ধ।।

ছবি
আহা না। ভোটের মরশুমে এ একদমই ভোট যুদ্ধ না, বরং ভোটের মতোন অনেক ক্ষেত্র দেখা যাবে এই ঘরোয়া যুদ্ধে। দেখতে চান নাকি? চলুন তবে ঘুরে ফিরে দেখি শতরঞ্জ কা খিলাড়ি দের মধ্যে "খেলা হবে" এর উত্তেজনা। কাজের শেষে আজ ঘরে ঢুকে দেখি এক যুদ্ধ শুরু হয়েগেছে। অন্যদিন ও হয়।প্র্তিদিন সে অপেক্ষমান থাকে বাবার অথবা কাকাইর সাথে যুদ্ধ করবে বলে।  আজ যুদ্ধ অলরেডি শুরু হয়ে গেছে- এক হেভিওয়েট আজ মঞ্চে বহু যুগ পরে ফিরে এসেছে।  পক্ষে বিপক্ষে কে? এক দিকে লাল-সবুজ জোট কাকা-ভাইপো। আরেক দিকে অপ্রতিরোধ্য দাদাই। এদিকে তার ঠাকুমা - "মি" সাধারণ জনগণ সেজে নিজ নিজ পাঠে মন দিয়েছে।তার মা দিনের শেষে স্কুলের ক্লান্তি ভুলে আয়াশ করছে মোবাইল নিয়ে এক কোণে।  এদিকে ফিকে গেরুয়া জামা গায়ে তার বাবা দেখলো এই যুদ্ধের সময় সরাসরি লাল-সবুজ শিবিরে সে এন্ট্রি পাবে না। ওদিকে বার বার জয়ী হবার ক্ষমতাশালী চেজ চ্যম্পিয়ন দাদাই এর সাথে জোট ও বাধা যাবে না। সুতরাং সে বেছে নিলো  দাদাই র ই পক্ষ- অন্য ভাবে। ক্যামেরা অন করে মিডিয়া রূপে। প্রতি চালে ফুট কেটে এক্সিট পোল এর মতন রায় দান করেই চলল।তারপর যুদ্ধ হোলো বিষম। রাজায় রাজায় যুদ্ধে অনেক উলুখ...