পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আজতো ষষ্ঠী: কাজ শেষ হবে তো?

আহা, আজকেই যত রাজ্যের সফটওয়্যার কোডের বাগ গুলোর ইকিড় মিকিড় খেলতে হবে! মনের সুখে ট্রেড-সেন্টার এর ট্যুইন টাওয়ারের মতন ঝুরঝুর করে ভেঙ্গে পড়ছে! তাই দেখে আহ্লাদিত হল্লার ক্লায়েন্ট মন্ত্রী আবার লোভও দেখাচ্ছে, "ডেভলপার মশাই; এই কোড-কোড যুদ্ধ টা আজ খেলে নাও, তারপরেই কাল থেকে তোমার ছুটি!" অবুঝ মন হল্লা রাজার সহজ বিশ্বাসের স্টাইলে বলে উঠল "সত্যি ছুটি হবে আমার!" এদিকে কোডের বাগ গুলো আজ নাগ সেজে নেচে-নাচিয়ে দুর্গাপঞ্চমী কে নাগপঞ্চমীতে পরিণত করল দেখছি। তবুও যাক, হাজার হোক বাস্তুসাপ তো! পোষ মানল; কাগের ছানা বগের দলা বলে আদর করতেই: লোভ দেখলাম, " আজ আর দুষ্টু করেনা, ভালো বাগ না তোমরা? এখন চুপ করে শুয়ে পড়োতো ; গভীর রাত হয়েগেছে, আচ্ছা প্রডাকশন ডেপ্লয়মেন্ট এর দিন খুব খেলা হবে।এখন গুড বয়ের মতন শুয়ে পড়ো "। শেষ অব্ধি, বাবুরাম সাপুড়ের ঝুলিতে ঢুকে পাঁচ দিনের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হোলো: এই নাগ-বাগ ছুটবে না, হাটবে না এমনকি সফটওয়্যার কে কাটবেও না দশমী অব্ধি.. যাইহোক, এখন মনে হচ্ছে স্বর্গীয় অনুভূতি: "লগিং অফ ল্যাপটপ"। এই ছুটি শুরু মুহূর্ত টাই প্রতীক্ষার .. বুকের ভিতর টা...

"মধু কৈটভ মশারি বিধ্বংসী ।মহিষাসুর নিদ্রা গ্রাসী"।।

ছবি
বীরেন্দ্র কৃষ্ণের মোহ মিশ্রিত উদাত্ত আহ্বানে মহামায়া প্রতি বছর নিশ্চিতভাবে জাগ্রত হন। হ্যা ঠিক এই ভাবেই কাউকে ঘুম থেকে ডেকে দিতে হয়, "তুমি জাগো জাগো" - বলে সুর করে, সুন্দর ভাবে। কিন্তু সবার কপালে থুড়ি মানবিক এলার্মে কি এমন সমধুর ডাক এসে পৌছায়? হয়ত অনেকের ক্ষেত্রেই পৌছায় না! এবং সেই ক্ষেত্র গুলিতেই সৃষ্টি রসাতলে যাবার উপক্রম হয়। কিভাবে? এই দেখুন একই মহিষাসুর বধের ক্ষেত্রে দেবী কে জাগিয়ে তুলছে কে? - বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। আর ওদিকে সুন্দর যোগনিদ্রাতুর বিষ্ণু কে ডেকে তোলার দায়িত্ব পড়ল কার উপর? না , দুই অশান্ত দুষ্টু মধু-কৈটভ এর উপর। আচ্ছা, ভেবে দেখুন তো এই অন্যায়-অবিচার কি শুধু দেব দেবীর মধ্যেই কি সীমাবদ্ধ? না, একদম না! আমার আপনার ঘরে-ঘরে পরিবারে সেম টু সেম দেখা যায়, পরিবারের সদস্য রা ভিন্ন রূপে ভিন্ন ভাবে মধু কৈটভ, বিষ্ণু-ব্রহ্মা  রূপে অবতীর্ণ হয়ে নিদ্রাভঙ্গ করেন। কিভাবে? আচ্ছা, চলুন তাহলে দেখি এই ঘটনা গুলো কি ভাবে ঘটে! এই ধরুন সারা রাত ধরে ফেসবুক করে-নেটফ্লিক্স ঘেঁটে, আরও কত কি জ্ঞানের বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে, বাড়ির কর্ম কুশলী যুবকটি ছুটির দিন সকাল বেলায় অকাতরে ঘুমোচ্ছে। অনেকটা যে...

পিতা পুত্রের বয়সের সমষ্টি শাহরুখ খান।

ছবি
"বেটে কো হাত লাগানে সে প্যহেলে বাপসে বাত কর" এই সংলাপ টি এখন আমসমুদ্র হিমাচলে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, খুবই জনপ্রিয় সংলাপ। কিন্তু এই সংলাপ টা আজ আমার ব্যবহারিক পারিবারিক জীবনে হঠাৎ এক অত্ভুৎ সব পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। কি ভাবে?শুনতে চান, আচ্ছা  বলছি তাহলে! তার আগে বলি- আজ আমি, আমার পুত্র আর সহধর্মিণীর সাথে জওয়ান দেখে এলাম ভর দুপুরে।সিনেমা দেখে সবাই খুব খুশী ,তিনজনেই বেশ উপভোগ করেছি সিনেমাটি। এর আগে শেষ বার যখন শাহরুখ খানের সিনেমা সিনেমা হলে বসে দেখেছিলাম তখনো লিটিল মাস্টার ধরাধামে অবতীর্ণ হয়নি- ফ্যান দেখেছিলাম তখন। তারপর দীর্ঘ সাত-আট বছর অতিক্রম করে দুই থেকে তিন হয়ে একসাথে দেখলাম শাহরুখের সিনেমা। তা, সে যাই হোক এখন সেই বিচিত্র কাহিনী তে ফেরাযাক। একটু আগে পুত্র কে তার মা পড়তে বসিয়েছে। কিন্তু জওয়ান দিনে কি আর  টেবিল-গ্রামার-যোগ-গুণ-বাংলা বানানে মন বসে তার ? ধ্যামকুঢ়াকুঢ় করে মনে "বে করার করকে মুঝে" বেজেই চলেছে তার সপ্তবর্ষীয় শিশু মনে। সাথে রায় মার্টিন এর মতন প্রশ্ন এর পাহাড়। এটা কেন হোলো, ওটা কি ছিল! এবং, শেষে পড়বনা -পড়বনা ,ছুটি দাও করতে করতে হঠাত সেই কথা টা কানের বারান্দা দিয়...