পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রতিদ্বন্দীর জয়

ছবি
"তোদের আবার দিবস!নামের শেষে দৈত্য-দানব বসিয়ে কিভাবে যে তোরা মুখ নেড়ে কথা বলিস ভাবলেই হাসি পায়, এগারো নিয়ে বাগাড়ম্বর তোদের মুখে আর মানায় না।"- তাচ্ছিল্যের সঙ্গে এই কথা গুলো রনি-টুবলু কে উদ্দেশ্য করে শুনিয়ে হরি দা কে চা দিতে বলল পল্টু। হরি দার চায়ের দোকানে সকাল-সকাল তিন বন্ধু নিত্যদিনের মতন এসে উপস্থিত হয়েছে। এসে বসতে না বসতেই, রনি উত্থাপন করল মোহনবাগান এর সেই বিখ্যাত আইএফএ শিল্ড বিজয় এর গৌরবগাথা। টুবলু তখনই তাল মিলিয়ে বলল : "হ্যা তাইতো ঠিক বলেছিস রনি , আজ একদিকে উনত্রিশ জুলাই তাতে আবার শনিবার। ১৯১১ এর উনত্রিশ এ জুলাই শনিবারই তো আমাদের ক্লাব মোহনবাগান ২-১ গোলে ব্রিটিশ ক্লাব ইস্ট ইয়র্ক কে পর্যদুস্ত করে বৃটিশ দম্ভ কে পা দিয়ে পিষে দিয়েছিল। আজ সেই শুভদিন- গর্বের দিন !" এদিকে, দুই বন্ধুর মুখে প্রতিদ্বন্দী ক্লাবের গৌরব গাঁথা শুনে বেশ বিরক্ত হয়েই দুজন কে এই খোঁচা দিল পল্টু। সাথেসাথে নিত্যদিনের অভ্যাস মতন আড্ডায়-তর্কে-বিতর্কে মজে উঠল তিন বন্ধুর প্রাতঃকালের চাচক্র। পল্টুর কথা শুনে রনি প্রত্যুত্তরে বলল : "বেশী কথা বলে লাভ নেই পল্টু, এই ঐতিহ্য শুধু আমাদের ক্লাবেরই আছে। আ...

তুমি অর্জুন, তুমি অর্জুন ।মণিপুরের দ্যূতসভায় তুমি নিশ্চুপ নিদারূণ।।

হিংস্র চিত্রক ব্যাঘ্র এর ন্যায়  চিৎকার করে উঠল চিত্রাঙ্গদা: অসহ্য, অকথ্য এ কি বীভৎসতা মাঝে রয়েছে সন্তানকূল। আজ আমি আর নিশ্চুপ নিশ্চল হয়ে বসে থাকতে পারছিনা। আমি এই মুহূর্তে ধরা ধামে মণিপুরে ফিরে যাচ্ছি পার্থ। তুমি দেখেছ, আমার মায়েরা- মেয়েরা কি নির্মমভাবে নির্যাতিত হয়েছে। আমি আজ আবার যুদ্ধে নামব সেই হিংসার বিরুদ্ধে , স্বর্গের আনাচে কানাচে সেই রণহুঙ্কার প্রতিধ্বনিত হোলো। চিত্রাঙ্গদার রণহুঙ্কার শুনে অর্জুন বিচলিত কণ্ঠে বলে উঠল: "আহা, প্রিয়ে এত উত্তেজিত হোচ্ছ কেন? আমরা কি এখন হুটহাট ফিরে যাব বললেই  ফিরে যেতে পারি নাকি মর্ত্যলোকে?" চিত্রাঙ্গদা বিস্ময়ে বলল:" কি বলছ তুমি, আমি যাবনা? আমার মনের মণিকোঠায় যে স্থান স্বপ্নে শয়নে বিদ্যমান সেই মণিপুর আজকে পুড়ছে! কি দরকার আমার এই স্বর্গের যেখানে জন্মভূমি আজ ধ্বংসের দোরগোড়ায় দাড়িয়ে আছে, ভাই ভাই কে মারছে,  বোনের সম্ভ্রম ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে! আমি যেতে পারব না! না পার্থ, আমি যাবই যা কিছু হোক যেতে আমাকে হবেই।" অর্জুন চিত্রাঙ্গদার জেদ দেখে একটু ভেবে  উত্তর দিল: "শোনো, এখন মর্ত্যলোকে অন্যরকম ব্যাপার। গণতন্ত্র নামক এক ব্যবস্থার মাধ্যমে দ...

আমাজন প্রাইমে "পঞ্চায়েত" এক শান্তির স্বপন। আমাজনের জঙ্গলরাজে "পঞ্চায়েত" ধ্বংস সাধন।।

"আমাজন" তো আজকের দিনে একটি দ্বৈতার্থক শব্দ, একদিকে "জঙ্গল" আরেক দিকে ভিন্ন ধরনের বিনোদন এর অনলাইন প্রচার মাধ্যম। এইবার একটু কষ্ট করে এর সাথে শুধু "পঞ্চায়েত" শব্দ টা জুড়ে দিন, ব্যস এইবার আপনি ধীরেধীরে দেখুন আপনার চিন্তন-মনন গুলো ঠিক কি ভাবে; কোনদিকে অগ্রসর হচ্ছে? ও, আচ্ছা আপনি তো একদম ঠিক ভাবছেন, সঠিক পথেই এগিয়ে চলেছেন।  "আমাজনের পঞ্চায়েত" মানেই আপনি দেখতে পেলেন সেই সুন্দর স্বপ্নের সম্পর্কের মালা  নিয়ে কল্পনার বিনোদনের উদয়। - যেখানে কিছু মানুষ সহজ -সরল- ভালোবাসা- মানবতা-র বন্ধনে আপনাকে পরপর দুটি পর্যায়ে বেঁধে দিয়েছে। সেই বন্ধনের সুখদৃষ্টিতে আপনি ভেবেও নিলেন সত্যি তো এটাই গ্রামের ভালোবাসার "পঞ্চায়েত"। এইখানে প্রধানজি র সাথে বিরোধীর ঝগড়া হলেও সেটা তো খুনসুটির কৌতুক জাগায় মনে। ওদিকে, আপনি অনেক ভেবে-হেসেও কূল-কিনারা পেলেন না একটি ডাগর সবুজ "লাউ" কিভাবে কাটমানির ভূমিকায় উতরে গেল! আপনি গত তিন বছরে এই সুখে ভেসে ভেবে আমাজন প্রাইম এর ওয়েবসিরিজে মজে আছেন। হঠাৎ অদ্য প্রভাতে এক অন্য পঞ্চায়েত অবলোকন করলেন। কি দেখলেন বলুন তো?  কি আর, মাত্...