পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফাটা পোস্টার নিকলা রেসোলিউশান নিউ ইয়ার!

ছবি
হঠাৎ এরকম একটা বেখাপ্পা ছবি পোস্ট করার  কোনও মানে আছে?পুরনো বছর শেষ হচ্ছে ,নতুন বছর এসে গেছে - সেখানে কোথায় লিখবো এসো হে নতুন বছর এসো এসো- বসো নতুন বছর থাকো মন জুড়ে; না সেসব না লিখে কি একটা ছেড়া ফাটা ছবি লটকে দিলাম ফেসবুকে ! আহা, আসলে এই ছবি টা দেখে একটা কথা মনে এলো - ফাটা পোস্টার নিকলা রেসোলিউশান নিউ ইয়ার! ব্যাপারটা হচ্ছে এই ছবির মধ্যে একটা শতছিন্ন বিশাল বিজ্ঞাপন হোর্ডিং এর মধ্যে দিয়ে সূর্য টা উঁকিঝুকি দিচ্ছে- এটা তো একদম আমার আপনার চির পরিচিত প্রতি বছরের নিউ ইয়ার রেসোলিউশান এর মতন। ওই যে প্রতিবার ভাবি এই করব, সেই করব বলে একটা বিজ্ঞাপন ছবি আঁকে আমাদের মন গোপন। তারপর ফুস করে ৩১ শে ডিসেম্বর বছর শেষ হয়ে পুরো বিজ্ঞাপন এর হোর্ডিং স্বপ্ন টা ফেটে ফুটে শুধু কাঠামো টাই দাড়িয়ে থাকে- প্রাপ্তির ভাঁড়ারে । ওহ, কি বলছেন ওই অস্তগামী সূর্য টা কি বলতে চাইছে? - কি আবার! ওটাই তো হতাশ জীবনে আশার আলো, এবছরে অস্ত গিয়ে আগামীকাল সকাল বেলায় আবার জেগে উঠবে নতুন আশার জীবনে, নতুন সান সাইন রেসোলিউশানে। তারপর একদম নিয়ম মেনে নেক্সট ইয়ার পুনরায় এই সেম ছবিটাই ফিরে ফিরে আসবে, এভাবেই তো প্রতিবছর আসে অপ...

পাঠ প্রতিক্রিয়া

ছবি
## পাঠ প্রতিক্রিয়া ১ সৃষ্টি - নাগাসাকি ও এক হাজার কাগজের বক স্রষ্টা - শাওন প্রকাশক - The Cafe Table তিন টে টাইম ফ্রেম কিভাবে সুন্দর ভাবে গাঁথা যায় তার পরিচয় পেলাম আজ দুপুরে। আহা , না- লহ গৌরাঙ্গের নাম দেখিনি এখনো তবে একটা ভালো লেখা পড়ে বেশ ভালো লাগছে । দ্য ক্যাফে টেবিল থেকে প্রকাশিত“নাগাসাকি ও এক হাজার কাগজের বক” এর কথা বলছিলাম । লেখিকা শাওন এর এই সৃষ্টি টি মনে থেকে যাবে। আচ্ছা ,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের অন্তিম যুদ্ধ কোনটা? এতোদিন মনে হোতো হিরোশিমা ও নাগাসাকি তে পারমাণবিক বিস্ফোরণ এই যুদ্ধের সমাপ্তি জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে। কিন্তু সত্যি কি তাই? যদি জানা যায় সবকিছুর শেষেও চার জাপানি সৈনিক দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে এক জঙ্গলে বিচ্ছিন্ন থেকে বিশ্বযুদ্ধ চালিয়ে গেছে! - তারা ভেবেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়নি, জাপান হারতে পারেনা! ঠিক এই প্রেক্ষিতে সেই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এক সৈনিক এর পত্নীর জবানে এই উপন্যাস টি রচিত। যুদ্ধ শেষ হবার আকুতি নিয়ে গল্প এগিয়ে চলে কালের নিয়মে।আসলে যুদ্ধ শেষ হয়েও হয়না , প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে এগিয়ে চলে । এই ভাবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ এর ভয়ানক প্রভাব থেক...

বড় দিনে বাড়িতে বড়দা

ছবি
বড় দিনে বাড়িতে বড়দা - আহা ব্যাপার টা আর কিছুই না। মেসি মূর্তি দেখে আমাদের ও ইচ্ছে হোলো কিছু মূর্তি বানাই। আমরা কপি পেস্ট করিনা মেসি ,শুধু অনুপ্রেরণা হলেই খুশী। জানিনা মেসি বড়দিনে কলকাতা বাসী কে বলেছে কিনা - ওরা জানেনা কি ভুল করছে , ওদের ক্ষমা করে দাও, আমি বরং  সিংহ দেখতে আম্বানি চিড়িয়াখানা যাই। এদিকে কালান্তরে কলকাতা চিড়িয়াখানার বড় হয়ে যাওয়া সিংহ শাবক দের অনুপ্রেরণায় এমন জোরে ঘরে বল ছুড়ে মেরেছি তাতে হাল্ক এর কোমর ভেঙ্গে খান-খান : সাথে সাথে যদিও বলেছি আই এম নট ট্যারা-"হাতের" রিস্ট !বরং বললাম “কম্পিত তনুদল , ছুড়েছি ক্রিকেট বল , শ্যাম হাল্ক এর কোমর এখন কর্তিত কলা “! ব্যাস সাথে সাথে সন্ধ্যা রায় আর ব্রুস্লি মিশেলে একটা ককটেল শুরু হোলো- কান্না ক্যারাটের দোল দোলানো পৌষ মাসের ক্যালানো: “আমার হাল্ক কেনো ভেঙ্গেছ উ উ উ সাথে ইয়াআ হুঁ হু “। তখন আর কি রক্ষে করো ভগবান বাঁচাও এই প্রাণ - ইনভেনশন ইস মা মাটি নেসেসিটি- দিলাম অনুপ্রেরণা জুড়ে। কোমর এর উপর সবুজ বল লাগালাম ধরে। - এই দেখ হাল্ক গেছে, রোনাল্ডো এসেছে! যুবভারতীর প্রবেশ পথ থেকে সোজা এখানে ল্যান্ড করিয়েছি। যাই হোক মেসি ভ...