পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিদ্বান সর্বত্র সর্বাগ্রে পূজ্যতে

ছবি
বিদ্বান সর্বত্র সর্বাগ্রে পূজ্যতে আক্ষরিক প্রকাশ, মহাভারতে এলো আহ্বান। বিঘ্নকারী ওদের কাছে, আমি গণ প্রধান।। বহে নাই ধমনী শিরায় কুলীন দেব রক্ত জাত। পিতা শূলপাণী সন্মুখ-সমরে হয়নি মম মাথা নত।। বিদ্যা বুদ্ধি অর্জিত সিদ্ধি, আমি প্রতিভূ অনার্য। কৌশলে মজে, পূজে প্রথমে যতো দেব বিধি আর্য।। জ্ঞান আমারে দিয়েছে স্থান সকল দেবের উপর, বিদ্যাবুদ্ধি না থাকলে কেউ রাখতো কি মোর খবর? শিক্ষাজ্ঞান ই মহাশক্তি বুঝুক পিছিয়ে পড়া মানুষ কৌশল চিন্তা যুক্তি না এলে জীবন টাই যে ফানুস। আমার জীবন থাক হয়ে মানুষের কাছে উদাহরণ g k h বিঘ্ননাশক অন্তে উপাধি,বিঘ্নকারী নাম পরিবর্তন।। পুনশ্চ: বৈদিক প্রেক্ষিত বিহীন দেব গণেশ, তাঁকে প্রথমে যে আর্য রা বিঘ্নকারী হিসেবে নামকরণ করেছিল শেষে তারাই নাম পরিবর্তন করতে বাধ্য হোলো - বিঘ্ননাশক! মহাভারত লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে আর্য দের দরকার পড়লো এক অনার্য গণপতির শব্দ অক্ষর-জ্ঞান এর! এবং তিনি হয়ে উঠলেন সর্বাগ্রে পুজো পাওয়ার একক আধিকারী, কারণ - বিদ্বান সর্বত্র সর্বাগ্রে পূজ্যতে! ওহ, হ্যা শুধু বিদ্বান ই না, তার সুকৌশল প্রয়োগ বল ও দরকার। ©️অভ্রজ্যোতি ঘোষ। ২৭ আগস্ট ২০২৫ ।। গনেশ চতুর্থী। ...

কসমোপলিটন সে কি আজ ইউটোপিয়ান?

ছবি
"কসমোপলিটন সে কি আজ ইউটোপিয়ান?"   সেই কবে কতো যুগ ধরে শুনে এসেছি বিদেশির হাতে এ শহরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা। এর সাথে ইংরেজ দের অহংকার-  চার্নক সাহেব আজকের দিনে অর্থাৎ ২৪ শে আগস্ট (১৬৯০) এ নেমে আসছেন কলকাতা প্রতিষ্ঠা করতে। কিন্তু রবিবাসরীয় দুপুরে বৈদূর্য্য সরকার এর লেখা কসমোপলিটন কলকাতা বই টা পড়ে এই বিশ্বাস টা দুম করে ধাক্কা খেলো সত্য তথ্যের মাধ্যমে, কারণ?  ইংরেজ যখনই গর্বোদ্যত ভাবে প্রকাশ করে ওরাই কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা এবং চার্নকই জনক তখন বলতেই হয়- এবার একটু থাম ভাই ইংরেজ! আসলে উনিজি (মানে এখানে চার্নক পড়ুন) আসার আগে অলরেডি তিন চারটে বিদেশী জাতি বহাল তবিয়তে ব্যবসা করছে, হ্যা এই কলকাতার বুকেই। পর্তুগিজ রা এসে গেছে প্রায় ১৬১০ এর দিকে- আবার আর্মেনিয় রেজা বিবিকে ১৬৩০ সালের ২১ জুলাই যখন কলকাতায় সমাহিত করা হচ্ছে তখন চার্নক স্যর কিন্তু ধরাধামেই আসেননি! ওহ, হ্যা আমরা কিন্তু তখন টুক করে কলকাতায় এসে গিয়েছি রেজা বিবির সমাধি ঘুরে। ওদিকে ফরাসিরা ডাচ রাও কিন্তু ইংরেজ দের দাবিকে সব সময় ধাক্কা দিয়ে এসেছে- ১৬৬০ সালে ফ্যান ড্রেক একটি মানচিত্রে কি কুক্ষণে যে চন্দন নগরের সাথে হঠাৎ  করে কলকাতার ...

"এন্ড তাক সব কুছ ঠিক হো যাতা হ্যায়।"

ছবি
"এন্ড তাক সব কুছ ঠিক হো যাতা হ্যায়।"  - হিন্দি ডায়লগ দিলাম বলে কি বাংলা"র"পক্ষে নেই ভাবছেন ? না, ব্যাপারটা একদমই সেরকম নয়। এই বিখ্যাত ডায়লগ টা ধার নিলাম আজকের বাংলা কে বোঝাবার জন্যেই। কিভাবে?  আসলে গতকাল এমন দুটো ঘটনা ঘটেছে যাদের ক্ষেত্রে দি এন্ড না হয়ে সময়ের সীমা পর্দায় তুলে ধরছিল- "পিকচার আভি বাকি হ্যায়" । কাদের কথা বলছি?  সেই সব-  ১।  "ওরা কাজ করে নগরে প্রান্তরে" । কাজের জন্য এসেছে"এতটা পথ পেরিয়ে"। আসলে গতকাল শহর জুড়ে এক নতুন মেট্রোর চলাচল। ঐ উপরে উল্লেখিত ১ নম্বর গ্রুপ আজ থেকে দূর প্রান্তর থেকে খুড়োর কলে চেপে পাঁচ ঘন্টার রাস্তা যাবে দেড় ঘন্টায় চলে। আহা, খুড়ো বললে শুধু রাগ করবেন না , পক্ককেশ বুদ্ধ বুড়ো থেকে মানবিক দিদি কিংবা আজকের দাদু সবাই কিছু কিছু লিড করেছে- ঐ যে বললাম ১১ বছর ধরে পিকচার ও জ্যাম এ ফেঁসে বাংলা হাল ছাড়েনি বন্ধু, আশা ছাড়েনি। তাই আজ এগিয়ে বাংলা, অনেকটা পিছিয়ে যানজট কাটিয়ে কিছুটা - এগিয়ে বাংলা। ২। কাজ করে যাও ফলের আশা কোরোনা জয়েন্ট এর পরীক্ষা দিয়ে যাও রেজাল্ট বেরোবেনা এদিকে উপরে উল্লেখিত এই দ্বিতীয় গ্রুপ জীবনের সূচনা পর...