❤মাতৃভাষার দুই প্রয়োগ❤
মাতৃভাষার প্রয়োগে যে দুটি সময়ে হৃদয় সবথেকে বেশী প্রশান্তি লাভ করে তার মধ্যে একটি হল নিদ্রা কালে স্বপ্ন দেখা। হাজার প্রচেষ্টাতেও ঐ মুহূর্তে অন্য ভাষা আসেনা। বিদেশী থেকে স্বদেশী সবার সাথে বাংলাতেই তখন কথা হয় ,কিভাবে হয় ব্রহ্মাই বোধ হয় গোপনে জানে। আর ? ঠিক নিজেকে পরম-শাশ্বত ভাবার সময়ে! আরে না, না এই পরম-শাশ্বত মানে ঈশ্বর এর মতন কিছু না। ঐ যে, জীবনের রঙ্গমঞ্চে অভিনয় করতে করতে যখন বিষম রাগ হচ্ছে, মনে হচ্ছে সাধ্যে থাকলে সামনের লোকটাকে-সংস্থা-সরকারী দল- বাস-ট্রেনের সহযাত্রী বা সুজন সাথী বন্ধু-পরিজন কে দুই ঘা দিয়েই দিতাম; কিন্তু মনের রাগ টা শেষ অব্ধি হাতে পৌছতে পারল না! ঠিক সেই সময়ে এই পরম-শাশ্বত র আবির্ভাব। না মানে আমি বলছিলাম "বাইশে শ্রাবণ" এর : পরমব্রত (ঐ আর কি দুই বাঙালী একসাথে যাতে বেশী ইংরেজি না বলে !) আর তার পরেও বিপরীত প্রান্ত থেকে অনেক কিছু বললে-করলেও যখন কিছুই আর যায়-আসেনা তখন "প্রলয়" এর শাশ্বত মনের ভিতর বলে ওঠে: তাতে আমার কেশাগ্র্য উত্পাটিত হোল। এইসব অনুপ্রেরণা নিয়েই হাত থাকতেও শোলের ঠাকুরএর মতন যখন দন্ত-চোয়াল চেপে এক-এক করে এক-দুই-তিন-চার অক্ষরের খর বায়ু বয়ে...