কন্ঠ যে রোধ করে, সুর তো নাহি ধরে। মনে ভাবি ভালোবাসি সবে পতাকারে।।
পুনশ্চ: (আজ লেখার শুরু তে পুনশ্চ দিলাম!) গতকাল বাংলাদেশে আমাদের পতাকার অপমান দেখে একসাথে ক্রোধ আর অভিমান দলা পাকিয়ে উঠেছিলো। বারং বার মনে পড়ছিলো ফ্ল্যাশব্যাকে নিজের মধ্যে এই পতাকা কি ভাবে জুড়ে গেছে। গতকাল ঐ অসহ্য দৃশ্য দেখে মন মেজাজ একদম ভালো লাগছিল না। আর সেটা শেয়ার করার পরেও কেমন আরো খারাপ লাগছিল, মন কে মলম দিতে আমার পতাকার অভিজ্ঞতার ঝাঁপি উন্মুক্ত করলাম নিজের মন থেকে, ভালো লাগার গল্প।। প্রথম দৃশ্য (১৯৯০ -৯২) : প্রাথমিক স্কুলে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন, না সেই ভাবে তখনো আত্মস্থতা বাড়েনি, বাড়ির বড়োরা, স্কুলের দিদিমণি রা শিখিয়ে দিলো প্রণাম করতে হয়। দৃশ্য দ্বিতীয় (সেই ৯০ এর দশক ,পতাকা আত্মীকরণ এর গল্প রোজা, মাতঙ্গিনী হাজরা অর ক্রিকেট এর গল্প): : টিভি কেবেল নেওয়া হোলো বাড়িতে ৯৬ এর বিশ্বকাপের আগে। ক্লাস ফোর, সেই সময়ে রোজা সিনেমা টা বাড়ির সবাই দেখছিল কেবেল ভিডিও তে, গান গুলো ভালো লাগছিল। আর তেমন কিছু বুঝছি না, মোটামুটি একজন কে ধরে নিয়ে গেছে (তখন জঙ্গি কি বুঝিনি, বরং কিডন্যপার মনে হয়েছিল) তারপর এক দৃশ্যে দেখি একটা মানুষ গায়ের মধ্যে আগুন ঘষছে- মাটিতে অগ্নিদগ্ধ জাতীয় পতাকা কে বুকে তুল...