বিচার বুদ্ধি যার-যার, তার তার।।ভোটের কালি তর্জনী ছুয়ে যাক সবার।।
না, এইবার আর ছাড় পাবেনা। বছর পাঁচেক একটু এদিক সেদিক করে বেশ কিছুটা সময় পাশ কাটিয়ে পরম আহ্লাদে নির্গত হয়েছে সেই বাণী- "আমার আবার রাজনীতি টা দাদা আসে না" : কেটেছে একেলা বিরহের ও বেলার মতোন! কিন্তু এখন যে শিয়রে শমন। বাজলো ভোটের ঘন্টা- আর এপলিটিক্যাল রা পড়ল বেশ মুশকিলে- উফ্ফ কি জ্বালা, কাকে দেই ভোট এই বেলা? এতদিন সুন্দর ভাবে নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে দেশ রাজনীতি সব থেকে দূরে সরে নিজেকে এপলিটিক্যাল ভাবার সময় শেষ। কিন্তু না, মন আবদার করে উঠল-এই কদিনে কিছু একটা ভেবে নিয়ে শেষ মুহূর্তে কিছু একটা দাড় করিয়ে ফেলি। অন্তত এইবারের মতোন ভোট বৈতরণী টা তো পার করি আগে। প্রতিজ্ঞা করছি সামনের বার পাঁচ বছর ধরে খুঁটিয়ে খুঁজে ভেবে তারপর না হয় ভোট দেবো। দেখিতো, ভাবনারে কি হাওয়ায় মাতালো? কিন্তু আপনি সংশয়ে পড়লেন- এতো অল্প সময়ে কি নিয়ে ভাবব। দেশ নিয়ে ভাবতে গেলে পাঁচ বছর লাগবে, রাজ্য নিয়েও প্রায় তাই। এই দুই সপ্তাহে র শর্ট কোর্সে ঐ বিশাল প্রশ্ন গুলো নিমেষে সিলেবাস থেকে বাদ দেই বরং। তাহলে, রইল বাকি কি? - ওমা কেনো, সে আছে তো। সেই একটাই বিষয়- আমার একান্ত আপন- ব্যক্তিগত প্রায়রিটি। উফ্ফ কি সহজে পেয়ে গেলাম ভো...