ঘুড়ি টা কেউ ধরতে আসেনি আজব্যস্ত সময়ে হিসেব এর খাতায় বাকি অনেক কাজ।
ঘুড়ি টা কেউ ধরতে আসেনি আজ ব্যস্ত সময়ে হিসেব এর খাতায় বাকি অনেক কাজ। ঘুড়িটা একটু আগে সেই বাড়িটা পার করেছে, বছর পঁচিশ আগেও ঐ ছাদে ঘুড়ি উড়েছে। কেটে যাওয়া ঘুড়ি সুতোয় টানে কেটে যাওয়া সময় এখনো কি ওদের ঘুড়ি ওড়াতে ইচ্ছে হয়? দেখল না ওরা, ছাদের উপর সুতো বয়ে এলো সেই ঢিললঙ্গা-সুতো টান, কোথায় মিলিয়ে গেলো? আর কেউ দৌড়বে না জেনে ঘুড়ি নিশ্চিন্ত নিশ্চুপ ইঁদুর দৌড়ে আটকে গেছে, বাতিল এই রূপ। ঘুড়িটা ভেসে এসে গাছে আটকে লটকে ঝুলছে তবুও তো কেউ উড়িয়েছে, কেউ কেটেছে খেলেছে! আর? অনেকে হারিয়ে যাওয়া সময়ের ম্যাপে দেখেছে!! পুনশ্চ: বিশ্বকর্মা পুজোর প্রাক্কালে ঘুড়ি টা আমাদের পাড়ায় এসেছিল কেটে উড়ে। ও যেই বাড়ি গুলো অতিক্রম করলো সেই বাড়ি গুলোতে এক সময়ে সব ঘুড়ি ওড়ানো রথী মহারথীর ভোকাট্টা রবে পাড়া কেঁপে কেঁপে উঠতো। স্পষ্ট মনে পড়ে আশে পাশে বাবুসোনা দা, সোনাই দা, সোমনাথ দা, রাজীব দা, পাপ্পু দা, বান্টি দা, অনুপম দা গোবিন্দ এরা ছিল প্রথম সারির। তুতুন দা, শঙ্কু দা এরাও বেশ কিছুটা ওড়াতে পারতো। আরো অনেকে ছিলো। এদের মধ্যে একমাত্র আমিই ছিলাম যে শুধু ঘুড়ি ওড়ানো দেখে আনন্দ পেতাম, তার থেকেও বেশী মজা পেতাম দৌড়ে কা...