কাশ্মীরি কড়চা পর্ব চতুর্থ: "কে নিভৃতে নিদ্রিত রয় রে?" রহস্যময় রোজাবাল, শ্রীনগর।
কাশ্মীরি কড়চা পর্ব চতুর্থ: "কে নিভৃতে নিদ্রিত রয় রে?"রহস্যময় রোজাবাল, শ্রীনগর। ভাবছি, "লালকুঠি" নামক রহস্যমণ্ডিত বাংলা চলচ্চিত্রের রহস্যময় গান গুনগুনিয়েই চতুর্থ কড়চা টা শুরু করি - "কে যায় রে"। সত্যি বলতে এর থেকে প্রকৃষ্টতম উদাহরণ এই মুহূর্তে মনে আসছে না। আসলে, কাশ্মীর ভ্রমণের অন্তিম পর্বে একটা রহস্যময় স্থান বেছে নিয়েছিলাম। না, কোনো ট্যুর অপারেটর এর লিস্টে এই যায়গাটির উল্লেখ দূর-দূরান্ত তেও নেই। এমনকি ডাল লেক সন্নিহিত লোকাল অটোচালক ভাই; যারা শ্রীনগরের ডাল-শাখা-মূল-ফল-ফুল-বাগিচা-মার্কেট সব ঘোরাতে প্রায় বায়না জুড়ে দেন -পারলে ফেভিকল এর মতন নাছোড় ভাবে অটোতে ওঠার জন্য প্রাণাতিপাত করেন, তাদের ক্ষেত্রেও দেখলাম একটি অত্ভুৎ অনীহা কাজ করছে রোজাবাল এর প্রসঙ্গ উঠলেই। শঙ্করাচার্য্য ফিরতি পথে অটোচালক ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম: "রোজাবাল নিয়ে যাবেন ভাই?" বিস্ময়ের সাথে অটো চালক উত্তরদিল: "রোজাবাল যাবেন? ঐখানে তো কেউ যায় না! ঢুকতেও তো পরবেন না, কি করবেন ওখানে গিয়ে?" আমি আর ভাই দুজনেই একসাথে বললাম সব জানি, ঢুকতে দেয়না এবং কেন দেয়না। তবুও একবার যেতে চাই। অটোও...